শিরোনাম :
কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল শুরু ৩১ অক্টোবর, আগে করালে গ্রহণযোগ্য নয় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত চারজন, আহত ১১ মিরপুর টেস্টে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন হৃদয় আকস্মিক পরিদর্শনে পাঁচ চিকিৎসককে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও প্রযুক্তিতে জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে ‘মহব্বত’-এ শাকিব খানের নায়িকা কি পাকিস্তানের কিনজা হাশমি ইসরায়েলে ভোট: প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট পাচ্ছে না সংখ্যাগরিষ্ঠতা বড় ধরনের যুদ্ধে বিদ্যুৎ ছাড়াই ৯০ দিন টিকবে মার্কিন ঘাঁটি মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ফরিদা পারভীন

  • বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:২৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 213

বাংলা সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে। রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসকরা বলছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের এই প্রখ্যাত লালন সংগীতশিল্পীর পাশে রয়েছে তার পরিবার। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ফরিদা পারভীনের মেয়ে জিহান ফারিহা জানান, তার মায়ের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ। জেনারেশন ফোর মেডিসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসায় নিয়োজিত।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী জানান, ফরিদা পারভীনের কিডনি ও মস্তিষ্কের কার্যক্রম বন্ধ এবং হার্টে অনিয়মিত স্পন্দন রয়েছে। পুরো শরীরে রক্তের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং মাল্টি অর্গান ফেইলিউর ধরা পড়েছে। উচ্চ রক্তচাপের অভাবে ডায়ালাইসিস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।

ফরিদা পারভীনের বড় ছেলে ইমাম জাফর নুমানী ফেসবুকে জানিয়েছেন, তার মায়ের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্লাডপ্রেশার নেই। ডাক্তাররা সর্বোচ্চ মাত্রার ওষুধ প্রয়োগ করে কৃত্রিমভাবে ব্লাডপ্রেশার ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘এ অবস্থায় শারীরিক উন্নতির সম্ভাবনা খুব কম। তবুও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যাচ্ছি।’

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসার জন্য আর্থিক বা অন্য কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই। তারা কেবল শিল্পীর সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন।

প্রসঙ্গত, ফরিদা পারভীন ক্যারিয়ারের শুরুতেই দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার পর তিনি লালন সংগীতের মাধ্যমে সুপরিচিত হন। ১৯৭৮ সালে একুশে পদক এবং জাপানের কুফুওয়া এশিয়ান কালচারাল পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত এই শিল্পী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে লালনের গান শেখানোর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন।

কেমন আছেন ফরিদা পারভীন?

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

নানা আয়োজনে পঞ্চগড়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উৎযাপন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মহাসংকটে দেশীয় চলচ্চিত্র, উত্তরণের পথ খুঁজলেন নির্মাতারা

২৭ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ফরিদা পারভীন

আপডেট সময় ০৫:২৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলা সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন বর্তমানে লাইফ সাপোর্টে। রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন বলে নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চিকিৎসকরা বলছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের এই প্রখ্যাত লালন সংগীতশিল্পীর পাশে রয়েছে তার পরিবার। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ফরিদা পারভীনের মেয়ে জিহান ফারিহা জানান, তার মায়ের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ। জেনারেশন ফোর মেডিসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসায় নিয়োজিত।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী জানান, ফরিদা পারভীনের কিডনি ও মস্তিষ্কের কার্যক্রম বন্ধ এবং হার্টে অনিয়মিত স্পন্দন রয়েছে। পুরো শরীরে রক্তের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে এবং মাল্টি অর্গান ফেইলিউর ধরা পড়েছে। উচ্চ রক্তচাপের অভাবে ডায়ালাইসিস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।

ফরিদা পারভীনের বড় ছেলে ইমাম জাফর নুমানী ফেসবুকে জানিয়েছেন, তার মায়ের স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে এবং ব্লাডপ্রেশার নেই। ডাক্তাররা সর্বোচ্চ মাত্রার ওষুধ প্রয়োগ করে কৃত্রিমভাবে ব্লাডপ্রেশার ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন।

তিনি আরও লিখেছেন, ‘এ অবস্থায় শারীরিক উন্নতির সম্ভাবনা খুব কম। তবুও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পরামর্শে ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে লাইফ সাপোর্ট চালিয়ে যাচ্ছি।’

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চিকিৎসার জন্য আর্থিক বা অন্য কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই। তারা কেবল শিল্পীর সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন।

প্রসঙ্গত, ফরিদা পারভীন ক্যারিয়ারের শুরুতেই দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার পর তিনি লালন সংগীতের মাধ্যমে সুপরিচিত হন। ১৯৭৮ সালে একুশে পদক এবং জাপানের কুফুওয়া এশিয়ান কালচারাল পদকসহ বহু সম্মাননায় ভূষিত এই শিল্পী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে লালনের গান শেখানোর মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন।

কেমন আছেন ফরিদা পারভীন?

Share this news as a Photo Card