শিরোনাম :
পদত্যাগ প্রশ্নে বিরক্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদে ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ কে এই খাইরুল দেওয়ান ? শুক্রবার সারা ভারতে জুড়ে বিক্ষোভের ডাক ককরোচ পার্টির ভেনিস উৎসবে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সিনেমা ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও বিতর্কের জেরে জামাত নেতা গাজী নজরুলকে বহিষ্কার, ইসি-স্পিকারকে চিঠি শাহজাদপুরে ১৫৫ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বকাপের যেসকল কীর্তি এখন শুধুই মেসির

ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত হারের শঙ্কায় কাঁপছিল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে যখন বিদায়ঘণ্টা প্রায় বেজেই গিয়েছিল, ঠিক তখনই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় ছিনিয়ে নিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্নযাত্রা অব্যাহত রাখল আলবিসেলেস্তেরা।

এই জয়ের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় নাম নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসি। নিজে গোলের খাতা না খুললেও দলের দুটি গোলেই ছিল তার সরাসরি অবদান। মেসির নিখুঁত পাস থেকেই জালের দেখা পান এনজো ফার্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেজ। মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে যেন তিনিই ছিলেন আর্জেন্টিনার আক্রমণের মূল কারিগর, দলকে টেনে নিয়ে গেলেন হারের দুয়ার থেকে জয়ের বন্দরে।

শুধু দলের জয়েই নয়, ব্যক্তিগত অর্জনেও এই ম্যাচ হয়ে থাকল মেসির জন্য স্মরণীয়। মাঠে নামার সময় তার বয়স ছিল ৩৯ বছর ২১ দিন। এই বয়সেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে নতুন এক রেকর্ডের মালিক বনে গেলেন তিনি। নন-গোলরক্ষক আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলার কীর্তি এখন তারই দখলে। বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা মাত্র, মেসি যেন বারবার সেটিই প্রমাণ করে চলেছেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই লড়াই ছিল মেসির ক্যারিয়ারের ৩৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এর মধ্য দিয়ে তিনি স্পর্শ করলেন নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মাইলফলক, যা তাকে আরও একবার বসিয়ে দিল বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তিদের কাতারে। আগের দুটি সেমিফাইনালেও মেসির পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া—একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি দুবারই দলকে ফাইনালের টিকিট পাইয়ে দিতে রেখেছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা।

সময়ের স্রোত যেন মেসির প্রতিভাকে ছুঁতে পারেনি, বরং প্রতিটি বছর পেরিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের সামনে তিনি স্থাপন করে চলেছেন এক বিরল দৃষ্টান্ত—কীভাবে বয়স নয়, নিষ্ঠা আর ধারাবাহিকতাই একজন খেলোয়াড়কে করে তোলে অনন্য। অভিজ্ঞতার সমৃদ্ধ ঝুলি নিয়ে মাঠে নেমে মেসি যেন আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন, কেন তাকে বলা হয় ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে সেমিফাইনালের মঞ্চে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা, আর তাদের সেই যাত্রার প্রতিটি বাঁকে মিশে রইল মেসির নাম। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই ম্যাচ দীর্ঘদিন মনে থাকবে এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প হিসেবে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন একজনই—লিওনেল মেসি।


হেডলাইন: সেমিফাইনালে বয়সের রেকর্ড গড়লেন মেসি

মেটা কি-ওয়ার্ডস:

মেটা ডেসক্রিপশন: ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ইংল্যান্ডকে হারাল আর্জেন্টিনা। দুই গোলেই অবদান মেসির, বয়সের নতুন রেকর্ড গড়ে সেমিফাইনালে নাম লেখালেন তিনি।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগ প্রশ্নে বিরক্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

২৩ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বিশ্বকাপের যেসকল কীর্তি এখন শুধুই মেসির

আপডেট সময় ০১:২৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত হারের শঙ্কায় কাঁপছিল আর্জেন্টিনা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে যখন বিদায়ঘণ্টা প্রায় বেজেই গিয়েছিল, ঠিক তখনই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় জয় ছিনিয়ে নিয়ে সেমিফাইনালের স্বপ্নযাত্রা অব্যাহত রাখল আলবিসেলেস্তেরা।

এই জয়ের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় নাম নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসি। নিজে গোলের খাতা না খুললেও দলের দুটি গোলেই ছিল তার সরাসরি অবদান। মেসির নিখুঁত পাস থেকেই জালের দেখা পান এনজো ফার্নান্দেস ও লাউতারো মার্তিনেজ। মাঠের প্রতিটি মুহূর্তে যেন তিনিই ছিলেন আর্জেন্টিনার আক্রমণের মূল কারিগর, দলকে টেনে নিয়ে গেলেন হারের দুয়ার থেকে জয়ের বন্দরে।

শুধু দলের জয়েই নয়, ব্যক্তিগত অর্জনেও এই ম্যাচ হয়ে থাকল মেসির জন্য স্মরণীয়। মাঠে নামার সময় তার বয়স ছিল ৩৯ বছর ২১ দিন। এই বয়সেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে নতুন এক রেকর্ডের মালিক বনে গেলেন তিনি। নন-গোলরক্ষক আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলার কীর্তি এখন তারই দখলে। বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা মাত্র, মেসি যেন বারবার সেটিই প্রমাণ করে চলেছেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই লড়াই ছিল মেসির ক্যারিয়ারের ৩৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এর মধ্য দিয়ে তিনি স্পর্শ করলেন নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মাইলফলক, যা তাকে আরও একবার বসিয়ে দিল বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তিদের কাতারে। আগের দুটি সেমিফাইনালেও মেসির পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া—একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি দুবারই দলকে ফাইনালের টিকিট পাইয়ে দিতে রেখেছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা।

সময়ের স্রোত যেন মেসির প্রতিভাকে ছুঁতে পারেনি, বরং প্রতিটি বছর পেরিয়ে তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন নতুন উচ্চতায়। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের সামনে তিনি স্থাপন করে চলেছেন এক বিরল দৃষ্টান্ত—কীভাবে বয়স নয়, নিষ্ঠা আর ধারাবাহিকতাই একজন খেলোয়াড়কে করে তোলে অনন্য। অভিজ্ঞতার সমৃদ্ধ ঝুলি নিয়ে মাঠে নেমে মেসি যেন আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন, কেন তাকে বলা হয় ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে সেমিফাইনালের মঞ্চে আরও একধাপ এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা, আর তাদের সেই যাত্রার প্রতিটি বাঁকে মিশে রইল মেসির নাম। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই ম্যাচ দীর্ঘদিন মনে থাকবে এক অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প হিসেবে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন একজনই—লিওনেল মেসি।


হেডলাইন: সেমিফাইনালে বয়সের রেকর্ড গড়লেন মেসি

মেটা কি-ওয়ার্ডস:

মেটা ডেসক্রিপশন: ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ইংল্যান্ডকে হারাল আর্জেন্টিনা। দুই গোলেই অবদান মেসির, বয়সের নতুন রেকর্ড গড়ে সেমিফাইনালে নাম লেখালেন তিনি।

Share this news as a Photo Card