শিরোনাম :
পদত্যাগ প্রশ্নে বিরক্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি পদে ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ কে এই খাইরুল দেওয়ান ? শুক্রবার সারা ভারতে জুড়ে বিক্ষোভের ডাক ককরোচ পার্টির ভেনিস উৎসবে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের সিনেমা ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও বিতর্কের জেরে জামাত নেতা গাজী নজরুলকে বহিষ্কার, ইসি-স্পিকারকে চিঠি শাহজাদপুরে ১৫৫ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ মোদির সাংবিধানিকভাবে পদত্যাগ করবেন রাষ্ট্রপতি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রপতি পদে ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ কে এই খাইরুল দেওয়ান ?

রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নাম বারবার ঘুরে ফিরে আসে—খাইরুল দেওয়ান। সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও একই চিত্র দেখা গেছে। চ্যানেল আই অনলাইনের একটি ফটোকার্ডে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাকে দেখতে চান?” সেই পোস্টে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার নামের পাশাপাশি অসংখ্য মন্তব্যে উঠে আসে খাইরুল দেওয়ানের নাম। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ছিল ব্যঙ্গ, রসিকতা ও ইন্টারনেট সংস্কৃতির অংশ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়ই প্রথম আলোচনায় আসেন খাইরুল দেওয়ান। সে সময় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র না পাওয়ার অভিযোগ তুলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন তিনি এবং আরও কয়েকজন। একই সঙ্গে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন।
এরপর জাতীয় প্রেসক্লাবসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সংবাদ সম্মেলন, ব্যানার ও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দাবি করতে থাকেন তিনি। তার বক্তব্য ও বারবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিষয়টিকে হাস্যরসের উপাদান হিসেবে গ্রহণ করেন এবং সেখান থেকেই শুরু হয় ব্যাপক ট্রোল ও মিম সংস্কৃতি।
পরবর্তীতে খাইরুল দেওয়ান ‘জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন। পল্টন, তোপখানা, হাইকোর্ট ও গুলিস্তানসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে নিয়মিত বক্তব্য দিতে দেখা যায় তাকে। রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে তার ধারাবাহিক প্রচারণাই তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।
এমনকি চলতি বছরের শুরুতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য না থাকায় প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই বক্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ট্রোলের ঢেউ ওঠে। ধীরে ধীরে অনেক ব্যবহারকারী তাকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘প্রিয় নেতা’ বলেও সম্বোধন করতে শুরু করেন।
ফলে রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেই খাইরুল দেওয়ানের নাম মন্তব্যের ঘরে উঠে আসে। এটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের একটি ভাইরাল রেফারেন্স, যা এখন অনেকের কাছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও অনলাইন সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একটি ভিডিওতে খাইরুল দেওয়ান জানান, তার পূর্বপুরুষের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে। মুক্তিযুদ্ধের পর সেই বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। সরকারি চাকরিজীবী বাবার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি কোয়ার্টারে তার বেড়ে ওঠা। বর্তমানে তিনি কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায় বসবাস করেন।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগ প্রশ্নে বিরক্ত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

২৩ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রাষ্ট্রপতি পদে ‘জনপ্রিয়তার শীর্ষে’ কে এই খাইরুল দেওয়ান ?

আপডেট সময় ১১:৫১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে আলোচনা শুরু হলেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নাম বারবার ঘুরে ফিরে আসে—খাইরুল দেওয়ান। সাম্প্রতিক সময়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরও একই চিত্র দেখা গেছে। চ্যানেল আই অনলাইনের একটি ফটোকার্ডে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, “রাষ্ট্রপতি হিসেবে কাকে দেখতে চান?” সেই পোস্টে বিএনপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার নামের পাশাপাশি অসংখ্য মন্তব্যে উঠে আসে খাইরুল দেওয়ানের নাম। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ছিল ব্যঙ্গ, রসিকতা ও ইন্টারনেট সংস্কৃতির অংশ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়ই প্রথম আলোচনায় আসেন খাইরুল দেওয়ান। সে সময় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র না পাওয়ার অভিযোগ তুলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন তিনি এবং আরও কয়েকজন। একই সঙ্গে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন।
এরপর জাতীয় প্রেসক্লাবসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সংবাদ সম্মেলন, ব্যানার ও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দাবি করতে থাকেন তিনি। তার বক্তব্য ও বারবার রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বিষয়টিকে হাস্যরসের উপাদান হিসেবে গ্রহণ করেন এবং সেখান থেকেই শুরু হয় ব্যাপক ট্রোল ও মিম সংস্কৃতি।
পরবর্তীতে খাইরুল দেওয়ান ‘জনকল্যাণ পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন। পল্টন, তোপখানা, হাইকোর্ট ও গুলিস্তানসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়ে নিয়মিত বক্তব্য দিতে দেখা যায় তাকে। রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে তার ধারাবাহিক প্রচারণাই তাকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।
এমনকি চলতি বছরের শুরুতে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য না থাকায় প্রধানমন্ত্রী পদে নির্বাচন করার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই বক্তব্য নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ট্রোলের ঢেউ ওঠে। ধীরে ধীরে অনেক ব্যবহারকারী তাকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘প্রিয় নেতা’ বলেও সম্বোধন করতে শুরু করেন।
ফলে রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হলেই খাইরুল দেওয়ানের নাম মন্তব্যের ঘরে উঠে আসে। এটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের একটি ভাইরাল রেফারেন্স, যা এখন অনেকের কাছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও অনলাইন সংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একটি ভিডিওতে খাইরুল দেওয়ান জানান, তার পূর্বপুরুষের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে। মুক্তিযুদ্ধের পর সেই বাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। সরকারি চাকরিজীবী বাবার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা ও থানার সরকারি কোয়ার্টারে তার বেড়ে ওঠা। বর্তমানে তিনি কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের আব্দুল্লাহপুর কুচিয়ামোড়া এলাকায় বসবাস করেন।

Share this news as a Photo Card