শিরোনাম :
ঢাকার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, থমথমে পরিস্থিতি ঢাকা কলেজে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষে আহত অন্তত ২৭ জুলাই আন্দোলনের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের সব কৃষকের তালিকা করার নির্দেশ গুলিবিদ্ধ শাকিলের ফিরে আসার গল্প, এখনো থামেনি কষ্ট হাম চিকিৎসায় ঋণে জর্জরিত দেশের অধিকাংশ পরিবার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরশক্তি বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখলচেষ্টার অভিযোগ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলনের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় উপস্থিত হয়েছেন সরকারপ্রধান ও দলীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানিক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে যোগ দেন তিনি। বিকেল সোয়া চারটার দিকে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা উষ্ণ সংবর্ধনায় তাকে বরণ করে নেন।
দলটির মহাসচিব, যিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও আছেন, এই সভায় সভাপতিত্ব করছেন। অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা বক্তব্য রাখবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ এবং সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহকে সামনে রেখে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সভায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে জুলাই আন্দোলনে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি। আন্দোলনে আহত হয়েছিলেন এমন অনেকেও অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া আয়োজক দলের সঙ্গে রাজনৈতিক মিত্রতা রয়েছে এমন বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দও সভায় অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে তৈরি হয়েছে এক আবেগঘন পরিবেশ, যেখানে অতীতের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক অভিমুখ নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
জুলাই আন্দোলন দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। দুই বছর আগে সংঘটিত এই আন্দোলন রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল বলে মনে করা হয়। প্রতি বছর এই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সেই সময়ের স্মৃতি স্মরণ করে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামীকাল বুধবার একটি স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের, যা জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর আগে কৃষকদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের জন্য ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সম্প্রতি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জুলাই আন্দোলনের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই ধরনের অনুষ্ঠান কেবল স্মৃতিচারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এর মধ্য দিয়ে দলীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার একটি প্রয়াসও লক্ষ্য করা যায়। শহীদ পরিবার ও আহতদের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি মিত্র দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও এই আয়োজনকে দেখছেন অনেকে।
সব মিলিয়ে, জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা সভা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। সরকারপ্রধানের সরাসরি উপস্থিতি এবং শীর্ষ নেতৃত্বের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। আগামী দিনগুলোতে এই ধরনের স্মরণসভা ও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ঢাকার তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, থমথমে পরিস্থিতি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

০৩ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

জুলাই আন্দোলনের স্মরণে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় ০৫:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় উপস্থিত হয়েছেন সরকারপ্রধান ও দলীয় শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানিক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে যোগ দেন তিনি। বিকেল সোয়া চারটার দিকে তিনি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা উষ্ণ সংবর্ধনায় তাকে বরণ করে নেন।
দলটির মহাসচিব, যিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও আছেন, এই সভায় সভাপতিত্ব করছেন। অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা বক্তব্য রাখবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ এবং সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহকে সামনে রেখে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সভায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে জুলাই আন্দোলনে প্রাণ হারানো ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি। আন্দোলনে আহত হয়েছিলেন এমন অনেকেও অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া আয়োজক দলের সঙ্গে রাজনৈতিক মিত্রতা রয়েছে এমন বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দও সভায় অংশ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে তৈরি হয়েছে এক আবেগঘন পরিবেশ, যেখানে অতীতের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক অভিমুখ নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
জুলাই আন্দোলন দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। দুই বছর আগে সংঘটিত এই আন্দোলন রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল বলে মনে করা হয়। প্রতি বছর এই সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সেই সময়ের স্মৃতি স্মরণ করে থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামীকাল বুধবার একটি স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করার কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের, যা জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এর আগে কৃষকদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের জন্য ডিসেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সম্প্রতি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জুলাই আন্দোলনের বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই ধরনের অনুষ্ঠান কেবল স্মৃতিচারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এর মধ্য দিয়ে দলীয় ঐক্য ও রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার একটি প্রয়াসও লক্ষ্য করা যায়। শহীদ পরিবার ও আহতদের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি মিত্র দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও এই আয়োজনকে দেখছেন অনেকে।
সব মিলিয়ে, জুলাই আন্দোলনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই আলোচনা সভা রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। সরকারপ্রধানের সরাসরি উপস্থিতি এবং শীর্ষ নেতৃত্বের অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। আগামী দিনগুলোতে এই ধরনের স্মরণসভা ও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share this news as a Photo Card