শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখলচেষ্টার অভিযোগ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দিতে চায় সরকার, শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু বেনজীরকে ফেরাতে সরকারের প্রক্রিয়া শুরু, জানালেন উপদেষ্টা ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ফের বাড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের দাম, কার্যকর আজ সন্ধ্যা থে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন। ফলে এই নির্বাচন কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে পারে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটার হওয়ার সুযোগ গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত খোলা রেখেছিল কমিশন। তবে এই নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা হাতে না পাওয়ায়, নির্ধারিত ওই সময়সীমা পরিবর্তিত হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা সম্ভব হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, একটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং প্রকৃত ভোটগ্রহণের তারিখের মধ্যে সাধারণত প্রায় ৪৫ দিনের ব্যবধান রাখা হয়ে থাকে। এর বাইরে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা এবং তা মুদ্রণের কাজ সারতে আরও প্রায় দেড় মাস সময়ের প্রয়োজন পড়ে। সব মিলিয়ে যেকোনো একটি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির জন্য মোটামুটি তিন মাসের মতো সময় দরকার হয়। যেহেতু এ ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য কমিশনের হাতে নেই, তাই এই মুহূর্তে এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করাই সমীচীন বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, এখনো এই নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ইতিমধ্যে সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কমিশন। তবে এখন পর্যন্ত সেই তালিকা এসে পৌঁছায়নি। প্রয়োজনীয় ওই তালিকা হাতে পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে কমিশন।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, এনআইডি সংক্রান্ত বিষয়াদি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে কমিটির মধ্যে। তবে সংশোধনের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কোন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে, তা নির্ধারণ করে একটি সুনির্দিষ্ট মান নির্ধারণী প্রক্রিয়া বা এসওপি এখনো প্রস্তুত করা হয়নি। এই কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্য হলো, সংশোধনের সময় যেন কোনোরকম অসংগতি বা ভুল-ত্রুটির সুযোগ না থাকে।

সব মিলিয়ে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া—স্থানীয় সরকার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম—আপাতত রয়েছে প্রাথমিক প্রস্তুতি ও সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায়। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তারিখ ঘোষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানেই থাকতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।


Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, যুক্তিতর্ক ৪ আগস্ট

০২ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি

আপডেট সময় ০৭:১৩:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা পায়নি নির্বাচন কমিশন। ফলে এই নির্বাচন কবে নাগাদ অনুষ্ঠিত হতে পারে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটার হওয়ার সুযোগ গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত খোলা রেখেছিল কমিশন। তবে এই নির্বাচন নিয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা হাতে না পাওয়ায়, নির্ধারিত ওই সময়সীমা পরিবর্তিত হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

আগামী অক্টোবর মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করা সম্ভব হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, একটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং প্রকৃত ভোটগ্রহণের তারিখের মধ্যে সাধারণত প্রায় ৪৫ দিনের ব্যবধান রাখা হয়ে থাকে। এর বাইরে ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা এবং তা মুদ্রণের কাজ সারতে আরও প্রায় দেড় মাস সময়ের প্রয়োজন পড়ে। সব মিলিয়ে যেকোনো একটি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির জন্য মোটামুটি তিন মাসের মতো সময় দরকার হয়। যেহেতু এ ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য কমিশনের হাতে নেই, তাই এই মুহূর্তে এ নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য না করাই সমীচীন বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব জানান, এখনো এই নির্বাচনের তফসিল চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে ইতিমধ্যে সংসদ সচিবালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে কমিশন। তবে এখন পর্যন্ত সেই তালিকা এসে পৌঁছায়নি। প্রয়োজনীয় ওই তালিকা হাতে পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসবে কমিশন।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, এনআইডি সংক্রান্ত বিষয়াদি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিস্তৃত পরিসরে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে কমিটির মধ্যে। তবে সংশোধনের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কোন বিষয় খতিয়ে দেখা হবে, তা নির্ধারণ করে একটি সুনির্দিষ্ট মান নির্ধারণী প্রক্রিয়া বা এসওপি এখনো প্রস্তুত করা হয়নি। এই কাঠামো তৈরির উদ্দেশ্য হলো, সংশোধনের সময় যেন কোনোরকম অসংগতি বা ভুল-ত্রুটির সুযোগ না থাকে।

সব মিলিয়ে দেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়া—স্থানীয় সরকার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন কার্যক্রম—আপাতত রয়েছে প্রাথমিক প্রস্তুতি ও সরকারি নির্দেশনার অপেক্ষায়। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা তারিখ ঘোষণা করার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানেই থাকতে চাইছে প্রতিষ্ঠানটি।


Share this news as a Photo Card