শিরোনাম :
দেশকে অর্থনৈতিক-সামাজিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান করা সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশিকে তুলে নেওয়ার পর ২ ভারতীয়কে ধরে আনা হয়, বৈঠকে হস্তান্তর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারা সমগ্র জীবনের সাফল্য বা ব্যর্থতা পরিমাপ করা সমীচীন কী বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন অন্য কেউ বাড়ায়নি ,মিল্কভিটার দুধের দাম বাড়লো কেন? বাংলা কিউআরে চার্জ শূন্য, ব্যবসায়ীদের জন্য ১০০ কোটির প্রণোদনা শাবনূরের সঙ্গে সালমানের প্রেম? ৩০ বছর পর কী বলছেন সালমানের মা ব্যবসা সহজীকরণে সরকারের নতুন জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু

“ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সময় এখন”: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়ে বাংলাদেশ যে ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, এখন সেই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সময় এসেছে। তিনি জানান, দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা শোষণমূলক শাসনব্যবস্থা দেশকে ঋণনির্ভর ও আমদাননির্ভর একটি ভঙ্গুর অর্থনীতিতে পরিণত করেছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ প্রায় সব খাতেই এই ভঙ্গুরতার ছাপ স্পষ্ট, আর তাই দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ নিয়েই এই আয়োজন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছরের একটি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে, যা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলেছে। তিনি দাবি করেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রতিটি নীতি ও পরিকল্পনা সব সময়ই জনমুখী থেকেছে।
প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতির উনিশ দফা কর্মসূচি, সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমান রাষ্ট্র সংস্কারের একত্রিশ দফা রূপরেখার কথা। তাঁর ভাষ্যে, ঐতিহাসিকভাবে এই সবগুলো উদ্যোগই সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য কিংবা বর্তমান টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল ভাবনার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। অতীতে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে যেমন সফলতা দেখিয়েছিল বাংলাদেশ, তেমনই এসডিজি বাস্তবায়নেও যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে চলেছে বলে দাবি করেন তিনি। এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’—এই ভাবনার সঙ্গে সরকারের ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতির যথেষ্ট মিল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের গৃহীত সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ—দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন—এসডিজির মূল অগ্রাধিকারগুলোরই প্রতিফলন বলে জানান তিনি। স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে উত্তরণ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি সংহত করতে সরকার গ্রহণ করেছে পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন—এই ত্রিমুখী কৌশল, যার মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত পরিবর্তন পর্যন্ত সবকিছু একটি সুসংহত পরিকল্পনায় বাস্তবায়িত হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় কৃষক কার্ড এবং স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে ই-হেলথ কার্ডের মতো একাধিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এসবের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি ভর্তুকি, কৃষি উপকরণ, আর্থিক সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে স্পোর্টস কার্ড এবং দেশজুড়ে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ভাতা কর্মসূচি।
তিনি বলেন, এভাবে ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সরকারি সহায়তার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হচ্ছে এবং চলতি মেয়াদের মধ্যেই প্রতিটি সম্ভাব্য নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষা ও আর্থিক সহায়তা কাঠামোর আওতায় আনার সুচিন্তিত পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
কোনো একক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর জন্য প্রয়োজন সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো তাদের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।
আগামী দিনের পরিকল্পনায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন তিনটি মৌলিক লক্ষ্যের কথা—অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতাসংবলিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র; স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নাগরিক অধিকার সর্বজনীন হওয়া মানবিক রাষ্ট্র; এবং অর্থনৈতিক সুযোগ ও ন্যায্যতা নিশ্চিতকারী কল্যাণ রাষ্ট্র। তিনি সবাইকে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

দেশকে অর্থনৈতিক-সামাজিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান করা সরকারের লক্ষ্য

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু

১১ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

“ভঙ্গুর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সময় এখন”: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের কবলে পড়ে বাংলাদেশ যে ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল, এখন সেই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সময় এসেছে। তিনি জানান, দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা শোষণমূলক শাসনব্যবস্থা দেশকে ঋণনির্ভর ও আমদাননির্ভর একটি ভঙ্গুর অর্থনীতিতে পরিণত করেছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ প্রায় সব খাতেই এই ভঙ্গুরতার ছাপ স্পষ্ট, আর তাই দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক জাতীয় সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ নিয়েই এই আয়োজন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার পাঁচ বছরের একটি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে, যা জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনাকে জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলেছে। তিনি দাবি করেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রতিটি নীতি ও পরিকল্পনা সব সময়ই জনমুখী থেকেছে।
প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতির উনিশ দফা কর্মসূচি, সাবেক এক প্রধানমন্ত্রীর ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমান রাষ্ট্র সংস্কারের একত্রিশ দফা রূপরেখার কথা। তাঁর ভাষ্যে, ঐতিহাসিকভাবে এই সবগুলো উদ্যোগই সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য কিংবা বর্তমান টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার মূল ভাবনার সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ। অতীতে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে যেমন সফলতা দেখিয়েছিল বাংলাদেশ, তেমনই এসডিজি বাস্তবায়নেও যথাযথ পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে চলেছে বলে দাবি করেন তিনি। এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’—এই ভাবনার সঙ্গে সরকারের ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতির যথেষ্ট মিল রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের গৃহীত সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ—দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন—এসডিজির মূল অগ্রাধিকারগুলোরই প্রতিফলন বলে জানান তিনি। স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে উত্তরণ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে অর্জিত অগ্রগতি সংহত করতে সরকার গ্রহণ করেছে পুনরুদ্ধার-পুনর্বাসন-পুনর্গঠন—এই ত্রিমুখী কৌশল, যার মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত পরিবর্তন পর্যন্ত সবকিছু একটি সুসংহত পরিকল্পনায় বাস্তবায়িত হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি সরকার গঠনের পরদিন থেকেই নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় কৃষক কার্ড এবং স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে ই-হেলথ কার্ডের মতো একাধিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। এসবের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক, স্বল্প আয়ের পরিবার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কাছে সরাসরি ভর্তুকি, কৃষি উপকরণ, আর্থিক সহায়তা ও স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি চালু হয়েছে স্পোর্টস কার্ড এবং দেশজুড়ে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের জন্য সম্মানী ভাতা কর্মসূচি।
তিনি বলেন, এভাবে ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে সরকারি সহায়তার নেটওয়ার্ক বিস্তৃত হচ্ছে এবং চলতি মেয়াদের মধ্যেই প্রতিটি সম্ভাব্য নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষা ও আর্থিক সহায়তা কাঠামোর আওতায় আনার সুচিন্তিত পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
কোনো একক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে এসডিজি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর জন্য প্রয়োজন সরকার, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সংস্থা, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং প্রতিটি নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো তাদের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।
আগামী দিনের পরিকল্পনায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন তিনটি মৌলিক লক্ষ্যের কথা—অবাধ নির্বাচন, আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতাসংবলিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র; স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও নাগরিক অধিকার সর্বজনীন হওয়া মানবিক রাষ্ট্র; এবং অর্থনৈতিক সুযোগ ও ন্যায্যতা নিশ্চিতকারী কল্যাণ রাষ্ট্র। তিনি সবাইকে ২০৩০ সাল নাগাদ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card