শিরোনাম :
আবুধাবিতে জয় থেকে ৭ উইকেট দূরে বাংলাদেশ, ড্রয়ের আশায় আফগানরা ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ অপবাদ দিয়ে গৃহবধূর চুল কাটা, যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রা, নয়াদিল্লিতে হাজারো মানুষের ঢল ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, চলতি বছর প্রাণহানি ৩০৭ জান্নাতুন হত্যা: ফরেনসিক পরীক্ষায় যাচ্ছে সোয়াব মন্দা ও মূল্যস্ফীতির সময় নীতি প্রবর্তনে নোবেল জিতলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তা (অব:) গ্রেপ্তার ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক পরিচয়েই অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আবুধাবিতে জয় থেকে ৭ উইকেট দূরে বাংলাদেশ, ড্রয়ের আশায় আফগানরা

আবুধাবি টেস্টে জয়ের পথে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩২ রান। ম্যাচ জিততে স্বাগতিকদের আরও ৩৪৭ রান করতে হবে। অন্যদিকে পঞ্চম ও শেষ দিনে সফরকারী বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। ফলাফলের হিসাব এখন তাই এই দুই সংখ্যার মধ্যেই ঘুরছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন শেষ বিকেলে মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল দলটি। ওই ধাক্কার পর ইনিংস টেনে নেওয়ার ভার পড়ে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ওপর। দিনের শুরুতে লিটন অপরাজিত ছিলেন ৫ রানে, আর মিরাজ তখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি।
দুজনের জুটিতে দলীয় স্কোর তিনশ পেরিয়ে যায়, লিডও ছাড়ায় চারশ রান। আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে থাকা লিটন ৬১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এটি এই টেস্টে তাঁর টানা দ্বিতীয় এবং ক্যারিয়ারের ২২তম ফিফটি। অন্য প্রান্তে মিরাজ এগোচ্ছিলেন ধীরগতিতে।
ফিফটির আগেই লিটন একটি মাইলফলকও ছুঁয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রানে পৌঁছানোর সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রান পূর্ণ হয় তাঁর। ইনিংসে দুই দফায় জীবন পান তিনি, ১৪ ও ২৬ রানে, দুবারই কায়েস আহমেদের বলে। প্রথমবার স্লিপে দাঁড়ানো কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। পরের সুযোগে ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন কায়েস নিজেই; তখন তাঁকে ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায়। ব্যথার কারণ প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
লিটন ও মিরাজের সপ্তম উইকেট জুটিতে আসে ১৪৯ রান। এই জুটিই সফরকারীদের বড় লিডের ভিত গড়ে দেয়। ফিফটিতে থেমে যাননি লিটন; ১১৫ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। ১১৭ বলে ১৪টি চারে সাজানো ১০২ রানের ইনিংস খেলে তিনি ফেরেন।
মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে তারা করেছিল ৩৪৬ রান। জবাবে হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২৪০ রানেই গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান। ফলে আফগানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রানের।
৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় আফগানিস্তান। এবাদতের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে ২ রানে ফেরেন আব্দুল মালিক। এরপর শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে সাজঘরে পাঠান হাসান মাহমুদ। শুরুতেই দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দুজনই সতর্কভাবে খেলে চাপ সামলে নেন। এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি। এবাদতের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে ফেরেন রহমত, তবে যাওয়ার আগে ১২৪ বলে ৫১ রান করে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।
রহমতের বিদায়ের পর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। দিনের শেষে আতাল ১২৬ বলে ৩৫ রানে এবং শহীদি ২৭ বলে ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। চতুর্থ দিন শেষে আফগানিস্তানের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৩ উইকেটে ১৩২ রান।
ফলে পঞ্চম ও শেষ দিনের সমীকরণ বেশ স্পষ্ট। জিততে আফগানিস্তানের দরকার আরও ৩৪৭ রান, আর হাতে আছে ৭ উইকেট। বাংলাদেশকে জয় পেতে ওই ৭ উইকেটই তুলে নিতে হবে। ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানরা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

আবুধাবিতে জয় থেকে ৭ উইকেট দূরে বাংলাদেশ, ড্রয়ের আশায় আফগানরা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক পরিচয়েই অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

১২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

আবুধাবিতে জয় থেকে ৭ উইকেট দূরে বাংলাদেশ, ড্রয়ের আশায় আফগানরা

আপডেট সময় ১১:০১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

আবুধাবি টেস্টে জয়ের পথে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩২ রান। ম্যাচ জিততে স্বাগতিকদের আরও ৩৪৭ রান করতে হবে। অন্যদিকে পঞ্চম ও শেষ দিনে সফরকারী বাংলাদেশের দরকার আরও ৭ উইকেট। ফলাফলের হিসাব এখন তাই এই দুই সংখ্যার মধ্যেই ঘুরছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন শেষ বিকেলে মাত্র ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল দলটি। ওই ধাক্কার পর ইনিংস টেনে নেওয়ার ভার পড়ে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ওপর। দিনের শুরুতে লিটন অপরাজিত ছিলেন ৫ রানে, আর মিরাজ তখনো রানের খাতা খুলতে পারেননি।
দুজনের জুটিতে দলীয় স্কোর তিনশ পেরিয়ে যায়, লিডও ছাড়ায় চারশ রান। আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে থাকা লিটন ৬১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এটি এই টেস্টে তাঁর টানা দ্বিতীয় এবং ক্যারিয়ারের ২২তম ফিফটি। অন্য প্রান্তে মিরাজ এগোচ্ছিলেন ধীরগতিতে।
ফিফটির আগেই লিটন একটি মাইলফলকও ছুঁয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রানে পৌঁছানোর সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রান পূর্ণ হয় তাঁর। ইনিংসে দুই দফায় জীবন পান তিনি, ১৪ ও ২৬ রানে, দুবারই কায়েস আহমেদের বলে। প্রথমবার স্লিপে দাঁড়ানো কামাল ক্যাচ ফেলে দেন। পরের সুযোগে ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন কায়েস নিজেই; তখন তাঁকে ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায়। ব্যথার কারণ প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
লিটন ও মিরাজের সপ্তম উইকেট জুটিতে আসে ১৪৯ রান। এই জুটিই সফরকারীদের বড় লিডের ভিত গড়ে দেয়। ফিফটিতে থেমে যাননি লিটন; ১১৫ বলে পূর্ণ করেন সেঞ্চুরি। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। ১১৭ বলে ১৪টি চারে সাজানো ১০২ রানের ইনিংস খেলে তিনি ফেরেন।
মিরাজ অপরাজিত থাকেন ৯৭ বলে ৫২ রানে। ৭ উইকেটে ৩৭২ রানে ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। এর আগে প্রথম ইনিংসে তারা করেছিল ৩৪৬ রান। জবাবে হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২৪০ রানেই গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান। ফলে আফগানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৭৯ রানের।
৪৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম ধাক্কা খায় আফগানিস্তান। এবাদতের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে ২ রানে ফেরেন আব্দুল মালিক। এরপর শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে সাজঘরে পাঠান হাসান মাহমুদ। শুরুতেই দুই উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
তবে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। দুজনই সতর্কভাবে খেলে চাপ সামলে নেন। এই জুটি দিন শেষ করতে পারেনি। এবাদতের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে ফেরেন রহমত, তবে যাওয়ার আগে ১২৪ বলে ৫১ রান করে ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি।
রহমতের বিদায়ের পর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। দিনের শেষে আতাল ১২৬ বলে ৩৫ রানে এবং শহীদি ২৭ বলে ১৯ রানে অপরাজিত আছেন। চতুর্থ দিন শেষে আফগানিস্তানের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৩ উইকেটে ১৩২ রান।
ফলে পঞ্চম ও শেষ দিনের সমীকরণ বেশ স্পষ্ট। জিততে আফগানিস্তানের দরকার আরও ৩৪৭ রান, আর হাতে আছে ৭ উইকেট। বাংলাদেশকে জয় পেতে ওই ৭ উইকেটই তুলে নিতে হবে। ড্রয়ের স্বপ্ন দেখছে আফগানরা।

Share this news as a Photo Card