ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং ভোটার তালিকা বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে চলছে আন্দোলন। এর পেছনে বাংলাদেশের একটি অংশ জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
সোমবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় একটি দুর্গাপূজার উদ্বোধনে যান তিনি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে এই অভিযোগ তোলেন বিজেপির এই নেতা।
দিলীপ ঘোষের ভাষ্য, বাংলাদেশের মন্ত্রীদের ফেসবুক পোস্ট দেখলেই বোঝা যাবে, আন্দোলনের নেপথ্যে কারা আছেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্য কী। আগে যাঁরা আড়ালে ছিলেন, এখন তাঁরা প্রকাশ্যে আসছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিদেশ থেকে যাঁরা ভারতকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন, তাঁদের ইঙ্গিতেই আন্দোলনকারীরা এসব করছেন।
আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগও তোলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, বিদেশ থেকে প্রচুর অর্থ আসছে। এই অর্থের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট (এফসিআরএ) সংক্রান্ত একটি বিল আনছে। বিদেশি অনুদানে নিয়ন্ত্রণ আনা এবং অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই বিলটির উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিলটি আটকে দিতেই এ ধরনের আন্দোলন হচ্ছে।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো। তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর মন্তব্য, বিরোধীদের হাতে এখন তেমন কাজ নেই। পূজার সময় ঘোরাঘুরি আর আনন্দ, শীত এলে ধরনা দেওয়াই তাদের কাজ। যেসব দলকে সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করছে, তারা অন্যের আন্দোলনকে আঁকড়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে বলেও মনে করেন পশ্চিমবঙ্গের এই সাবেক বিজেপি সভাপতি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 



















