শিরোনাম :
সরকারি বাসা সাবলেট দিলেই বরাদ্দ বাতিল, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ১৭০ রানের লক্ষ্য এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা রূপপুরে শুরু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া, গ্রিডে কবে যুক্ত হবে টঙ্গীতে পুলিশি ধাওয়ায় তুরাগে ঝাঁপ দিয়েছিলেন তাহসিফ পাবনায় বজ্রপাতে ছয় কিশোর-তরুণের মৃত্যু ইউরোপের সাথে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন যুদ্ধের ধাক্কায় ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের আরও একটি সোনালি দিন
এইচএসসি পরীক্ষায় ফল প্রকাশ

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা

এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল পাওয়া যাচ্ছে।

জিপিএ-৫ পেয়েছেন কতজন

এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। এর মধ্যে নয়টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।

শূন্য পাস ও শতভাগ পাস

ফলাফলের আরেকটি দিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র। শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ১৩৯। অন্যদিকে এমন প্রতিষ্ঠানও আছে, যেখান থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ছিল ২০২টি, আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে ছিল ৬৫টি। শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা তাই পরপর দুই বছর বেড়েছে।

এক-দুই বিষয়ে ফেল করলে এক মাসের মধ্যে সুযোগ

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, সর্বোচ্চ এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে শুধু ফেল করা বিষয়ে আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন। এবার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন।

বর্তমান নিয়মে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরের বছরের পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তখন শুধু ফেল করা বিষয়ে, কিংবা চাইলে সব বিষয়েই পরীক্ষা দেওয়া যায়। একটি বা দুটি বিষয়ের কারণে পুরো এক বছর অপেক্ষা করলে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি বাড়তি মানসিক চাপও তৈরি হয়। নতুন সুযোগকে সেই প্রেক্ষাপটেই দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডে ১৫ বছরের সর্বনিম্ন

জাতীয় গড়ের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফল আলাদা করে নজর কেড়েছে। এই বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর এই হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এবার এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন।

আজ সকাল ১১টায় বোর্ডের মিলনায়তনে ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ জহিরুল হক।

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রামের পাশাপাশি কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেন। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৮ জন, পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হয় ২০১২ সালে। ওই বছর চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২০ সালে করোনাকালে বিশেষ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হয়, তখন শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেন। এরপর ২০২১ সালে হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। তারপর থেকে এই হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে:

২০২২ সালে ৭৮ দশমিক ৮ শতাংশ
২০২৩ সালে ৭৪ শতাংশ
২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ
২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ
এ বছর ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ
পরীক্ষা যেভাবে হয়েছিল

এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত হয়, পরে সেগুলো নেওয়া হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে বেশ কিছু পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। প্রায় আড়াই মাসের অপেক্ষার পর আজ তাঁদের ফল প্রকাশিত হলো। প্রথমে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে তারিখ বদলে শনিবার করা হয়।

ফল জানবেন যেভাবে

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা তিনভাবে ফল জানতে পারবেন।

অনলাইনে: eduboardresults.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে: প্রতিষ্ঠানগুলো ওই ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করবে।

মুঠোফোনে খুদে বার্তায়: যেকোনো নম্বর থেকে HSC লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: HSC Dha 123456 2026। আগের বছরগুলোতে নম্বর ছিল ১৬২২২, এবার তা বদলে ১৬১৪০ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিস থেকে ফল পাওয়া যাবে না। ফল নিয়ে আপত্তি থাকলে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১ থেকে ৭ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনের প্রক্রিয়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি বাসা সাবলেট দিলেই বরাদ্দ বাতিল, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় আজ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

এশিয়া কাপ আর্চারিতে বাংলাদেশের আরও একটি সোনালি দিন

২৯ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

এইচএসসি পরীক্ষায় ফল প্রকাশ

এইচএসসিতে পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ, দুই বিষয়ে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে আবার পরীক্ষা

আপডেট সময় ১২:০২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর এই হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর সকাল ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল পাওয়া যাচ্ছে।

জিপিএ-৫ পেয়েছেন কতজন

এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। এর মধ্যে নয়টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন।

শূন্য পাস ও শতভাগ পাস

ফলাফলের আরেকটি দিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চিত্র। শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এবার ১৩৯। অন্যদিকে এমন প্রতিষ্ঠানও আছে, যেখান থেকে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। গত বছর এ ধরনের প্রতিষ্ঠান ছিল ২০২টি, আর তার আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে ছিল ৬৫টি। শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা তাই পরপর দুই বছর বেড়েছে।

এক-দুই বিষয়ে ফেল করলে এক মাসের মধ্যে সুযোগ

ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানান, সর্বোচ্চ এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে শুধু ফেল করা বিষয়ে আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন। এবার এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন।

বর্তমান নিয়মে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে পরের বছরের পরীক্ষা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তখন শুধু ফেল করা বিষয়ে, কিংবা চাইলে সব বিষয়েই পরীক্ষা দেওয়া যায়। একটি বা দুটি বিষয়ের কারণে পুরো এক বছর অপেক্ষা করলে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি বাড়তি মানসিক চাপও তৈরি হয়। নতুন সুযোগকে সেই প্রেক্ষাপটেই দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডে ১৫ বছরের সর্বনিম্ন

জাতীয় গড়ের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফল আলাদা করে নজর কেড়েছে। এই বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছর এই হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এবার এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন।

আজ সকাল ১১টায় বোর্ডের মিলনায়তনে ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ জহিরুল হক।

চট্টগ্রাম বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রামের পাশাপাশি কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেন। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৮ জন, পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা যায়, দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হয় ২০১২ সালে। ওই বছর চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ। ২০২০ সালে করোনাকালে বিশেষ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হয়, তখন শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেন। এরপর ২০২১ সালে হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪ শতাংশ। তারপর থেকে এই হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে:

২০২২ সালে ৭৮ দশমিক ৮ শতাংশ
২০২৩ সালে ৭৪ শতাংশ
২০২৪ সালে ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ
২০২৫ সালে ৫২ দশমিক ৫৭ শতাংশ
এ বছর ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ
পরীক্ষা যেভাবে হয়েছিল

এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত হয়, পরে সেগুলো নেওয়া হয়। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে বেশ কিছু পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। প্রায় আড়াই মাসের অপেক্ষার পর আজ তাঁদের ফল প্রকাশিত হলো। প্রথমে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরে তারিখ বদলে শনিবার করা হয়।

ফল জানবেন যেভাবে

আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা তিনভাবে ফল জানতে পারবেন।

অনলাইনে: eduboardresults.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে: প্রতিষ্ঠানগুলো ওই ওয়েবসাইটের রেজাল্ট কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করবে।

মুঠোফোনে খুদে বার্তায়: যেকোনো নম্বর থেকে HSC লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: HSC Dha 123456 2026। আগের বছরগুলোতে নম্বর ছিল ১৬২২২, এবার তা বদলে ১৬১৪০ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা বোর্ড বা পত্রিকা অফিস থেকে ফল পাওয়া যাবে না। ফল নিয়ে আপত্তি থাকলে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১ থেকে ৭ নভেম্বর অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনের প্রক্রিয়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

Share this news as a Photo Card