শিরোনাম :
ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য পরীমণিকে লিগ্যাল নোটিশ, অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা শীতের আমেজে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৫ ডিগ্রি শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল ঘিরে জাপানি শর্তে বিতর্ক, উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা শেখ হাসিনার বিষয়ে আবেগ নয়, আইনই প্রয়োগ হবে: আইনমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিকল্প গাদি আইজেনকোট: সেনাপ্রধান থেকে সরকার গঠনের দৌড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন মাদক সেবনে বাধা, ছুরিকাঘাতে নিহত বিকাশ-রকেট এজেন্টকে কুপিয়ে টাকা ও মোবাইল ছিনতাই মার্কিন শুল্ক চুক্তি নিয়ে স্বচ্ছতা ও খোলামেলা আলোচনা চান ব্যবসায়ীরা

মোংলা বন্দরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৪১ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা মুনাফা

মোংলা বন্দরে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ। সংবাদ সম্মেলন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) কাজী আবেদ হোসেন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মোংলা বন্দরে জাহাজ এসেছে ৮৩০টি। আর জাহাজ আগমনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০০টি। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১০৪.১২ লাখ মেট্টিক টন, লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৮.৮০ লাখ মেট্টিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২১, ৪৫৬ টিইইউজ, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০,০০০ টিইইউজ। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩৪৩৩৩.০০ লাখ টাকা। আর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৩৮৭.০০ লাখ টাকা। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে গাড়ী আমদানী হয়েছে ১১৫৭৯ ইউনিট। 
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরে বার্ষিক ১৫০০টি জাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা রয়েছে। কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা রয়েছে ১.৫ কোটি মেট্টিক টন। কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ১ লাখ টিইইউজ ও গাড়ী হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ২০,০০০ ইউনিট।
তিনি আরো বলেন, মোংলা বন্দরের প্রধান চ্যালেঞ্জ গুলো হলো ক্যাপিটাল ও সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ। নিরাপদ ও দূষণমুক্ত পরিবেশ বান্ধব চ্যানেল নিশ্চিতকরণ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথে সামজস্য রেখে ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণের জন্য বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি। পুরাতন সহায়ক জলযান প্রতিস্থাপন ও নতুন জলযান সংগ্রহ। বিদ্যমান জলযান ও ইকুইপমেন্ট মেরামত সুবিধা সৃষ্টি করা। দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল সৃষ্টি করা।
বন্দরের সকল ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ায়  কর্তৃপক্ষের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (বোর্ড) কালাচাঁদ সিংহ, প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ মোস্তফা কামাল, প্রধান হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার রাসেল আহমেদ খাঁন, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কমান্ডার এস,এম আবজালুল ইসলাম, উপ-পরিচালক (বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগ) মোঃ মাকরুজ্জামান ও উপ প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুম ভেঙেই মোবাইল নয়, ভোরের আলোয় খুঁজুন জীবনের সৌন্দর্য

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মার্কিন শুল্ক চুক্তি নিয়ে স্বচ্ছতা ও খোলামেলা আলোচনা চান ব্যবসায়ীরা

০৭ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মোংলা বন্দরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৪১ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা মুনাফা

আপডেট সময় ০৬:০৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
মোংলা বন্দরে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কর্তৃপক্ষ। সংবাদ সম্মেলন বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (অর্থ) কাজী আবেদ হোসেন বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে মোংলা বন্দরে জাহাজ এসেছে ৮৩০টি। আর জাহাজ আগমনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮০০টি। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১০৪.১২ লাখ মেট্টিক টন, লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৮.৮০ লাখ মেট্টিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২১, ৪৫৬ টিইইউজ, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২০,০০০ টিইইউজ। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩৪৩৩৩.০০ লাখ টাকা। আর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৩৮৭.০০ লাখ টাকা। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে গাড়ী আমদানী হয়েছে ১১৫৭৯ ইউনিট। 
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরে বার্ষিক ১৫০০টি জাহাজ হ্যান্ডলিং সক্ষমতা রয়েছে। কার্গো হ্যান্ডলিং সক্ষমতা রয়েছে ১.৫ কোটি মেট্টিক টন। কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ১ লাখ টিইইউজ ও গাড়ী হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ২০,০০০ ইউনিট।
তিনি আরো বলেন, মোংলা বন্দরের প্রধান চ্যালেঞ্জ গুলো হলো ক্যাপিটাল ও সংরক্ষণ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা বৃদ্ধি এবং সংরক্ষণ। নিরাপদ ও দূষণমুক্ত পরিবেশ বান্ধব চ্যানেল নিশ্চিতকরণ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথে সামজস্য রেখে ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণের জন্য বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি। পুরাতন সহায়ক জলযান প্রতিস্থাপন ও নতুন জলযান সংগ্রহ। বিদ্যমান জলযান ও ইকুইপমেন্ট মেরামত সুবিধা সৃষ্টি করা। দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল সৃষ্টি করা।
বন্দরের সকল ক্ষেত্রেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হওয়ায়  কর্তৃপক্ষের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (বোর্ড) কালাচাঁদ সিংহ, প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ মোস্তফা কামাল, প্রধান হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার রাসেল আহমেদ খাঁন, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কমান্ডার এস,এম আবজালুল ইসলাম, উপ-পরিচালক (বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগ) মোঃ মাকরুজ্জামান ও উপ প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান।

Share this news as a Photo Card