শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

মার্কিন নৌ-অবরোধের বিরুদ্ধে এবার চীনের কঠোর হুঁশিয়ারি

হরমুজ প্রণালি ও ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছে চীন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বিশ্বকে ‘জঙ্গলের আইন’ বা পেশিশক্তির শাসনে ফিরিয়ে না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেন। খবর এনবিসি নিউজের।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেইজিংয়ের এই প্রকাশ্য মন্তব্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর বলে মনে করা হচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল বিরোধকে উসকে দেবে, উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে এবং বর্তমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এটি নৌ-চলাচলের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন এই নৌ-অবরোধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। উল্লেখ্য, চীনের প্রয়োজনীয় জ্বালানির অর্ধেকেরও বেশি আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে, যা বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। অবরোধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বেইজিংয়ের ওপর ইরানি প্রভাব খাটানোর জন্য আন্তর্জাতিক চাপও বাড়ছে।

চীন শুরু থেকেই ইরান ও ইসরায়েলের পালটাপালটি হামলা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণের সমালোচনা করে আসছে। বেইজিং বারবার সংকট নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এর আগে স্বীকার করেছিলেন, তেহরানকে যুদ্ধবিরতির টেবিলে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই প্রকাশ্য বিরোধিতার পর ওয়াশিংটনের ওপর অবরোধ তুলে নেওয়ার চাপ আরও বাড়বে। বেইজিংয়ের জ্বালানি নিরাপত্তায় আঘাত আসায় এই সংঘাত এখন কেবল দ্বিপাক্ষিক লড়াই নয়, বরং বৈশ্বিক এক অস্থিরতার দিকে মোড় নিতে পারে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মার্কিন নৌ-অবরোধের বিরুদ্ধে এবার চীনের কঠোর হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৯:১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি ও ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে তীব্র সমালোচনা করেছে চীন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বিশ্বকে ‘জঙ্গলের আইন’ বা পেশিশক্তির শাসনে ফিরিয়ে না নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করেন। খবর এনবিসি নিউজের।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেইজিংয়ের এই প্রকাশ্য মন্তব্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর বলে মনে করা হচ্ছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল বিরোধকে উসকে দেবে, উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে এবং বর্তমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এটি নৌ-চলাচলের নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে চীন এই নৌ-অবরোধে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে। উল্লেখ্য, চীনের প্রয়োজনীয় জ্বালানির অর্ধেকেরও বেশি আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে, যা বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। অবরোধের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বেইজিংয়ের ওপর ইরানি প্রভাব খাটানোর জন্য আন্তর্জাতিক চাপও বাড়ছে।

চীন শুরু থেকেই ইরান ও ইসরায়েলের পালটাপালটি হামলা এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণের সমালোচনা করে আসছে। বেইজিং বারবার সংকট নিরসনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এমনকি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এর আগে স্বীকার করেছিলেন, তেহরানকে যুদ্ধবিরতির টেবিলে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে চীনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই প্রকাশ্য বিরোধিতার পর ওয়াশিংটনের ওপর অবরোধ তুলে নেওয়ার চাপ আরও বাড়বে। বেইজিংয়ের জ্বালানি নিরাপত্তায় আঘাত আসায় এই সংঘাত এখন কেবল দ্বিপাক্ষিক লড়াই নয়, বরং বৈশ্বিক এক অস্থিরতার দিকে মোড় নিতে পারে।

Share this news as a Photo Card