শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

খোকসা সরকারি কলেজে বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি

খোকসা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব মোঃ নজরূল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন অনিবন্ধিত একটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত অনিয়ম ও কলেজের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর” বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ নজরূল ইসলাম বলেন, কলেজের উন্নয়ন কাজের সময় অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অপসারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে কোনো মালামাল বিক্রি বা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের জন্য কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কাজগুলো নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। কলেজের কোনো সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসনিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অধ্যক্ষ জনাব প্রফেসর শিশির কুমার রায় বলেন, “কলেজে চলমান সকল উন্নয়ন কাজ সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করেই পরিচালিত হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে। তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করা দুঃখজনক।”

এদিকে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, অভ্যন্তরীণ কিছু মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়—এমন অপপ্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকা উচিত।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

খোকসা সরকারি কলেজে বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি

আপডেট সময় ০৬:২৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

খোকসা সরকারি কলেজের ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব মোঃ নজরূল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন অনিবন্ধিত একটি প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত অনিয়ম ও কলেজের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর” বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভূগোল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মোঃ নজরূল ইসলাম বলেন, কলেজের উন্নয়ন কাজের সময় অব্যবহৃত ও পরিত্যক্ত কিছু সামগ্রী যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অপসারণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে কোনো মালামাল বিক্রি বা আত্মসাতের অভিযোগের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি দাবি করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় চলমান উন্নয়ন কাজের জন্য কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক তদারকি কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কাজগুলো নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। কলেজের কোনো সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রশাসনিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও দাবি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অধ্যক্ষ জনাব প্রফেসর শিশির কুমার রায় বলেন, “কলেজে চলমান সকল উন্নয়ন কাজ সরকারি বিধিমালা অনুসরণ করেই পরিচালিত হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে। তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করা দুঃখজনক।”

এদিকে কলেজের কয়েকজন শিক্ষক জানান, অভ্যন্তরীণ কিছু মতপার্থক্যকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। তারা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়—এমন অপপ্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকা উচিত।

Share this news as a Photo Card