শিরোনাম :
পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সার সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথমবার পারমাণবিক বিক্রিয়া, নভেম্বরের শেষে গ্রিডে বিদ্যুৎ সৌদি আরব থেকে এক সপ্তাহে বিতাড়িত ১০ হাজার বাংলাদেশি হামে ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭৩ সেবার মান বাড়লে চিকিৎসায় বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমবে: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি মারুবেনির বৈঠক, আলোচনায় এআই ডেটা সেন্টার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে পাকিস্তানের খাইবারে জরুরি অবস্থা জারি, পিটিআই সরকারের কার্যক্রম স্থগিত

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের সময় রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

রোববার (১১ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন দফায় গড়ানো তারিখ

অভিযোগ গঠনের আদেশ এ মামলায় সহজে আসেনি। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ছিল নির্ধারিত দিন। সেদিন শুনানি হলেও ট্রাইব্যুনাল আদেশ না দিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ঠিক করেন। ২৩ সেপ্টেম্বরও আদেশ আসেনি; আদালত আরও একবার তারিখ পিছিয়ে ১১ অক্টোবর দিন রাখেন। সেই ধারাবাহিকতায় রোববার শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়া হলো।

১৬ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সেখানে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এবং প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন ও তারেক আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম লিটন আহমেদ। পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে বক্তব্য রাখেন আমির হোসেন ও এম হাসান ইমাম। স্টেট ডিফেন্স শহিদুল ইসলামসহ অন্য আসামির আইনজীবীরাও শুনানিতে অংশ নেন।

আসামি কারা

মামলায় পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ মোট ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আটজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকি ১৮ জন পলাতক।

গ্রেপ্তার আট আসামি হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি শাহ আলম এবং তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী ইরফানুল হক গাজী।

পলাতকদের তালিকায় আছেন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, উত্তরা বিভাগের সাবেক উপকমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. তোহিদুল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার সুমন কর, উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক ওসি বিএম ফরমান আলী, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক পরিদর্শক (অপারেশনস) মাহমুদুল হাসান, সাবেক কনস্টেবল আবু ছায়েম, সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) খালেদ আনোয়ার ও সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. রোকনুজ্জামান।

এছাড়া পলাতকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচ সাবেক কাউন্সিলর—জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে যুবরাজ, ফরিদ আহমেদ, ডিএম শামীম, আনিছুর রহমান নাঈম ও আফছার উদ্দিন খান। আরও আছেন আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আল সোহেল, উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মুরতাফা বিন ওমর ওরফে সাথিল এবং তুরাগ থানা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ওরফে মিঠু।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে আন্দোলনে আহতদের হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করছিলেন এবং ছাত্র-জনতার মধ্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। সে সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ছাত্র-জনতার কয়েকজন তাঁকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় মুগ্ধসহ মোট ১১ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৮ জুলাই মুগ্ধ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। একই দিন উত্তরায় গুলিতে প্রাণ হারান জাহিদুজ্জামান তানভীন, শেখ ফাহমিন জাফর, মো. শাকিল হোসেন, মো. সাব্বির হোসেন ও সজিব সরকার। সেদিনই উত্তরায় একটি সাঁজোয়া যানের (এপিসি) পেছনের চাকায় পিষ্ট করে উবারচালক মোখলেসুর রহমান দুর্জয়কে হত্যার অভিযোগও আছে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় রিদোয়ান শরীফ, মো. ছাব্বির ইসলাম, মো. আসাদুল্লাহ ও নাঈমা সুলতানাকে।

সামনে কী

অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সংবাদটি লেখার সময় পরবর্তী ধাপের তারিখ বা সাক্ষ্যগ্রহণ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের কোনো নির্দেশনার তথ্য হাতে ছিল না।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

পাকিস্তানের খাইবারে জরুরি অবস্থা জারি, পিটিআই সরকারের কার্যক্রম স্থগিত

১১ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে

আপডেট সময় ০৩:৫১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের সময় রাজধানীর উত্তরায় মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

রোববার (১১ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন দফায় গড়ানো তারিখ

অভিযোগ গঠনের আদেশ এ মামলায় সহজে আসেনি। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ছিল নির্ধারিত দিন। সেদিন শুনানি হলেও ট্রাইব্যুনাল আদেশ না দিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ঠিক করেন। ২৩ সেপ্টেম্বরও আদেশ আসেনি; আদালত আরও একবার তারিখ পিছিয়ে ১১ অক্টোবর দিন রাখেন। সেই ধারাবাহিকতায় রোববার শুনানি শেষে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেওয়া হলো।

১৬ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। সেখানে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এবং প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন ও তারেক আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম লিটন আহমেদ। পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে বক্তব্য রাখেন আমির হোসেন ও এম হাসান ইমাম। স্টেট ডিফেন্স শহিদুল ইসলামসহ অন্য আসামির আইনজীবীরাও শুনানিতে অংশ নেন।

আসামি কারা

মামলায় পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ মোট ২৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আটজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। বাকি ১৮ জন পলাতক।

গ্রেপ্তার আট আসামি হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান, আজমপুর পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল হোসেন আলী, উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম চৌধুরী রবিন, যুবলীগ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন রুবেল, আওয়ামী লীগ নেতা সোহেল রানা, ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি শাহ আলম এবং তুরাগ থানা এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী ইরফানুল হক গাজী।

পলাতকদের তালিকায় আছেন ঢাকা-১৮ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, উত্তরা বিভাগের সাবেক উপকমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম, সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. তোহিদুল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার সুমন কর, উত্তরা পশ্চিম থানার সাবেক ওসি বিএম ফরমান আলী, উত্তরা পূর্ব থানার সাবেক পরিদর্শক (অপারেশনস) মাহমুদুল হাসান, সাবেক কনস্টেবল আবু ছায়েম, সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) খালেদ আনোয়ার ও সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. রোকনুজ্জামান।

এছাড়া পলাতকদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচ সাবেক কাউন্সিলর—জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে যুবরাজ, ফরিদ আহমেদ, ডিএম শামীম, আনিছুর রহমান নাঈম ও আফছার উদ্দিন খান। আরও আছেন আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আল সোহেল, উত্তরা পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মুরতাফা বিন ওমর ওরফে সাথিল এবং তুরাগ থানা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন ওরফে মিঠু।

অভিযোগে যা বলা হয়েছে

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে আন্দোলনে আহতদের হাসপাতালে নিতে সহযোগিতা করছিলেন এবং ছাত্র-জনতার মধ্যে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। সে সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ছাত্র-জনতার কয়েকজন তাঁকে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় মুগ্ধসহ মোট ১১ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৮ জুলাই মুগ্ধ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। একই দিন উত্তরায় গুলিতে প্রাণ হারান জাহিদুজ্জামান তানভীন, শেখ ফাহমিন জাফর, মো. শাকিল হোসেন, মো. সাব্বির হোসেন ও সজিব সরকার। সেদিনই উত্তরায় একটি সাঁজোয়া যানের (এপিসি) পেছনের চাকায় পিষ্ট করে উবারচালক মোখলেসুর রহমান দুর্জয়কে হত্যার অভিযোগও আছে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় রিদোয়ান শরীফ, মো. ছাব্বির ইসলাম, মো. আসাদুল্লাহ ও নাঈমা সুলতানাকে।

সামনে কী

অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। সংবাদটি লেখার সময় পরবর্তী ধাপের তারিখ বা সাক্ষ্যগ্রহণ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের কোনো নির্দেশনার তথ্য হাতে ছিল না।

Share this news as a Photo Card