শিরোনাম :
‘বাংলা কিউআর’-এর ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ক্যাশলেস অর্থনীতির চিত্র এলপিজির দাম কমল ৩৫৭ টাকা,১২ কেজির নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৫২৮ টাকা। নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে ‘চাকরি ছেড়ে ভোটে আসতে হবে’, আইন করার দাবি শিক্ষামন্ত্রীর নতুন দায়িত্বে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী : ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন বাজেট ২০২৬-২৭: সংসদে সরব বিরোধী দল, তবে অর্থবিলে নেই কোনো সংশোধনী প্রস্তাব—কী বার্তা দিচ্ছে এই নীরবতা? সামনে নরওয়ে জুজু! যাদের বিপক্ষে কখনই জয় পায়নি ব্রাজিল:ভাঙবে কি ইতিহাস? বাংলাদেশে আর সন্ত্রাসবাদ নয় মেট্রোরেল–টার্মিনালসহ নানা ইস্যুতে জাপানের সঙ্গে ‘টানাপোড়েন’  সম্পর্ক ঠিক রাখতে চায় সরকার কেরানীগঞ্জে বিস্ফোরণ : নব্য জেএমবির পুনরুত্থান ও নিরাপত্তা ঝুঁকি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হাসানুল হক ইনু

বৃষ্টির বাধায় সারাদিনে হলো ৩৫ ওভার, বাংলাদেশের ১০৭

কানপুরে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। প্রথম দিনশেষে ৩৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারীরা।

ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রোহিত শর্মা। প্রায় ৯ বছর পর ঘরের মাঠে টস জিতে আগে ব্যাট করেনি ভারত। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত টসের সময় জানান, উইকেট ব্যাটারদের সাহায্য করবে বলে মনে হচ্ছে তার।

প্রথম দুই সেশন পর তার কথা খুব বেশি ভুল প্রমাণ হয়নি। দুই ওপেনার সাবধানী শুরু করেন, প্রথম আধঘণ্টায় কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। কিন্তু বেশি লম্বাও হয়নি জাকির হাসান-সাদমান ইসলাম জুটি।

অকাশ দ্বীপের ওভারে ২৪ বলে শূন্য রান করে তৃতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন জাকির। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি বল খেলে শূন্য রানে ফেরার তালিকায় তিনি চতুর্থ। ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪১ বলে শূন্য রানে আউট হন মনজুরুল ইসলাম, সেটিই এখনও সর্বোচ্চ।

জাকিরের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকতে পারেননি তার উদ্বোধনী সঙ্গী সাদমানও। ৩৬ বলে ২৪ রান করে তিনি আকাশের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন। শুরুতে অবশ্য আউট দেননি আম্পায়ার, মনে হচ্ছিল বল একটু উঁচু জায়গায় আঘাত করতো। রিভিউতে দেখা যায়, লেগ স্টাম্পে লাগতো বল।

দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলার পর মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত দলকে টেনে নেন। স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেই মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু বিরতি থেকে ফেরার কিছুক্ষণ পরই রবীচন্দ্রন অশ্বিনের শিকার হন শান্ত। তার বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার পর রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। ৫৭ বলে ৩১ রান করেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

এরপর মুশফিকুর রহিম সঙ্গী হন মুমিনুল। তাদের জুটিতেই একশ পেরোয় বাংলাদেশ। এরপর বৃষ্টি নেমে আসে। ঝড়ো বৃষ্টিতে শেষ সেশন শুরুর আগেই দিনের খেলা সমাপ্ত হওয়ার ঘোষণা দেন আম্পায়াররা। ১৩ বলে ৬ রানে মুশফিক ও ৮১ বলে ৪০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করবেন মুমিনুল।

আরো পড়ুন :

ভারতে হামলার শিকার টাইগার রবি

সাকিব আল হাসানের অবসরের ঘোষণা

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলা কিউআর’-এর ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে ক্যাশলেস অর্থনীতির চিত্র

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হাসানুল হক ইনু

৩০ জুন ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বৃষ্টির বাধায় সারাদিনে হলো ৩৫ ওভার, বাংলাদেশের ১০৭

আপডেট সময় ০৬:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

কানপুরে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। প্রথম দিনশেষে ৩৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারীরা।

ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রোহিত শর্মা। প্রায় ৯ বছর পর ঘরের মাঠে টস জিতে আগে ব্যাট করেনি ভারত। বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত টসের সময় জানান, উইকেট ব্যাটারদের সাহায্য করবে বলে মনে হচ্ছে তার।

প্রথম দুই সেশন পর তার কথা খুব বেশি ভুল প্রমাণ হয়নি। দুই ওপেনার সাবধানী শুরু করেন, প্রথম আধঘণ্টায় কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। কিন্তু বেশি লম্বাও হয়নি জাকির হাসান-সাদমান ইসলাম জুটি।

অকাশ দ্বীপের ওভারে ২৪ বলে শূন্য রান করে তৃতীয় স্লিপে ক্যাচ দেন জাকির। বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি বল খেলে শূন্য রানে ফেরার তালিকায় তিনি চতুর্থ। ২০০২ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪১ বলে শূন্য রানে আউট হন মনজুরুল ইসলাম, সেটিই এখনও সর্বোচ্চ।

জাকিরের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকতে পারেননি তার উদ্বোধনী সঙ্গী সাদমানও। ৩৬ বলে ২৪ রান করে তিনি আকাশের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন। শুরুতে অবশ্য আউট দেননি আম্পায়ার, মনে হচ্ছিল বল একটু উঁচু জায়গায় আঘাত করতো। রিভিউতে দেখা যায়, লেগ স্টাম্পে লাগতো বল।

দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলার পর মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত দলকে টেনে নেন। স্বাচ্ছন্দ্যে খেলেই মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু বিরতি থেকে ফেরার কিছুক্ষণ পরই রবীচন্দ্রন অশ্বিনের শিকার হন শান্ত। তার বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার পর রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি তিনি। ৫৭ বলে ৩১ রান করেছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

এরপর মুশফিকুর রহিম সঙ্গী হন মুমিনুল। তাদের জুটিতেই একশ পেরোয় বাংলাদেশ। এরপর বৃষ্টি নেমে আসে। ঝড়ো বৃষ্টিতে শেষ সেশন শুরুর আগেই দিনের খেলা সমাপ্ত হওয়ার ঘোষণা দেন আম্পায়াররা। ১৩ বলে ৬ রানে মুশফিক ও ৮১ বলে ৪০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করবেন মুমিনুল।

আরো পড়ুন :

ভারতে হামলার শিকার টাইগার রবি

সাকিব আল হাসানের অবসরের ঘোষণা

Share this news as a Photo Card