শিরোনাম :
অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো বিশেষ অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে মা নিহত, বাবা গুরুতর আহত, ছেলে আটক ষড়যন্ত্রে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে: রিজভী ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কমিটি চান রাষ্ট্রপতি সৌদিগামী ৮৬ ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত, বিপাকে ১৩ হাজার ৪৯০ যাত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে পাঁচজন ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাত শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের ছাত্ররা আমাদের পথ দেখিয়েছে : নেহা বোরা চার ঘণ্টা পর টঙ্গীর ওষুধ কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদকের ভয়াবহ থাবা থেকে রক্ষা করতে হবে: রাষ্ট্রপতি সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কমিটি চান রাষ্ট্রপতি

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রতিনিধিদলকে তিনি এ পরামর্শ দেন। নয় সদস্যের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার।

আলাপের একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও মনোযোগ দিতে হবে, যাতে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। এ কাজে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নানা সমস্যা ও দাবির প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, সব সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠন করা গেলে তাদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজ হবে।

সাক্ষাতে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিষয় ও সমস্যার কথা রাষ্ট্রপতিকে জানান। পাশাপাশি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করেন। আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠান হবে। সেখানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান তাঁরা। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহসভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) ও রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু)। এ ছাড়া বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্য নেতারাও ছিলেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্র: রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো বিশেষ অভিযানের পরিকল্পনা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৪ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ধর্মীয় সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কমিটি চান রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৫:২০:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রতিনিধিদলকে তিনি এ পরামর্শ দেন। নয় সদস্যের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার।

আলাপের একপর্যায়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও মনোযোগ দিতে হবে, যাতে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। এ কাজে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।

বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নানা সমস্যা ও দাবির প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, সব সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে জাতীয় কমিটি গঠন করা গেলে তাদের সমস্যা ও দাবিদাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজ হবে।

সাক্ষাতে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন বিষয় ও সমস্যার কথা রাষ্ট্রপতিকে জানান। পাশাপাশি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করেন। আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠান হবে। সেখানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান তাঁরা। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহসভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) ও রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু)। এ ছাড়া বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্য নেতারাও ছিলেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্র: রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং

Share this news as a Photo Card