শিরোনাম :
সন্তানের ভবিষ্যতের কথা মনে করে ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী ব্যালন ডি’অরের সেরা মৌসুমের ভোটে মেসিকে ছাড়িয়ে ২০০৮ সালের রোনালদো ফ্রান্সজুড়ে সহিংসতা ও লুটপাট, চাপে ম্যাক্রোঁ, জরুরি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা ইশরাকের শহীদদের নামে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন, নতুন রূপে ওসমানী উদ্যান জাপানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ শুরু ১ এপ্রিল, স্বাক্ষরিত ‘ইএসডিপি-এমওসি’ চুক্তি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন ইশরাক হোসেন, আজ দুপুরে চূড়ান্ত ঘোষণা মহাষ্টমীতে কুমারী পূজা, মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তি আর তারুণ্যের ঢল সিজেপির বিক্ষোভের পাল্টা দিল্লিতে ‘লাল হিট জনতা পার্টি’র যাত্রা সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই পতাকা হস্তান্তর করেন।
সকাল সোয়া ৯টার দিকে সেনানিবাসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে গার্ড অব অনার দেয়। এরপর উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন তিনি।
পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে যে ইউনিটগুলো ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড পেয়েছে, সেগুলো হলো ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।
পতাকার তাৎপর্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়। এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। তাঁর ভাষায়, পতাকা পাওয়ার অর্থ হলো দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ নেওয়া। পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তা শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম বা জনবলে সীমাবদ্ধ নয়। শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার ওপরও তা নির্ভর করে। এর সঙ্গে তিনি চেইন অব কমান্ডের কথাও বলেন। সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও পেশাদার করার কাজ চলছে বলে জানান।
বদলে যাচ্ছে নিরাপত্তার ধরন
বিশ্বের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কৌশলেও পরিবর্তন আসছে। স্থল, জল ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা এখন জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ বাস্তবতায় প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিও সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির জন্য দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলায় জোর দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তি কখনোই মানুষের বিকল্প নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী যেন প্রয়োজনে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, এমন প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর উপলক্ষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁকে স্বাগত জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে শব্দদূষণবিরোধী অভিযান, তিন বাসচালককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান আব্দুল হান্নান কাতারে গ্রেপ্তার

১৮ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সেনাবাহিনীর ৭ ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:১৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড বা জাতীয় পতাকা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) সাভার সেনানিবাসে এক অনুষ্ঠানে তিনি এই পতাকা হস্তান্তর করেন।
সকাল সোয়া ৯টার দিকে সেনানিবাসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে গার্ড অব অনার দেয়। এরপর উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন তিনি।
পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে যে ইউনিটগুলো ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড পেয়েছে, সেগুলো হলো ৭ ও ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।
পতাকার তাৎপর্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড কেবল একটি পতাকা নয়। এটি একটি ইউনিটের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শৃঙ্খলা, আত্মত্যাগ ও দেশের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতীক। তাঁর ভাষায়, পতাকা পাওয়ার অর্থ হলো দায়িত্ব আরও নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নতুন শপথ নেওয়া। পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা প্রত্যেক সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তা শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম বা জনবলে সীমাবদ্ধ নয়। শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ ও জনগণের আস্থার ওপরও তা নির্ভর করে। এর সঙ্গে তিনি চেইন অব কমান্ডের কথাও বলেন। সশস্ত্র বাহিনীকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর ও পেশাদার করার কাজ চলছে বলে জানান।
বদলে যাচ্ছে নিরাপত্তার ধরন
বিশ্বের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধের কৌশলেও পরিবর্তন আসছে। স্থল, জল ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, মহাকাশ, ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ও তথ্যভিত্তিক সক্ষমতা এখন জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ বাস্তবতায় প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিও সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সামগ্রী তৈরির জন্য দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প গড়ে তোলায় জোর দিচ্ছে। তবে প্রযুক্তি কখনোই মানুষের বিকল্প নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী যেন প্রয়োজনে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে, এমন প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর উপলক্ষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে তাঁকে স্বাগত জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

Share this news as a Photo Card