শিরোনাম :
একতা এক্সপ্রেস ট্রেন টাঙ্গাইলে সিএনজির সাথে সংঘর্ষ, বাচ্চা রেখে বাবা-মা নেমে পড়ল সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন যুক্তরাষ্ট্রের দেশে ভয়াবহ আকার ধারণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোন উপায় আছে কি ? নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার নয়:আইনমন্ত্রী মাত্র ২৫ কোটি বাজেটে ৩১২ কোটির রেকর্ড আয়! ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহদী বিপিএল দুর্নীতি: আরও দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আসিফ মাহমুদের অর্থপাচার ও দুর্নীতি, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাইছে দুদক ৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশ থেকে মনোনয়নের দৌড়ে পাঁচটি চলচ্চিত্র

সংকটে দেশের বিনোদন অঙ্গন

চলমান বার্তা বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তাপের কারণে ব্যবসায়িকভাবে বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছে ঢালিউড। দেশের চলমান অস্থিরতায় হুমকির মুখে পড়েছে চলচ্চিত্র শিল্প। লোকসানের শঙ্কায় শিগগিরই নতুন ছায়াছবি মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছেন না প্রযোজক-পরিচালকরা। দেশে স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আশাব্যঞ্জক হবে কিনা সেই দুশ্চিন্তায় আছেন তারা।

গত জুলাই, চলতি আগস্ট ও আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তির পরিকল্পনায় থাকা কয়েকটি ছায়াছবি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেছে। এ তালিকায় রয়েছে এম রাহিম পরিচালিত ‘জংলি’ (সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলী, দীঘি), মিঠু খান পরিচালিত ‘নীল চক্র’ (আরিফিন শুভ, মন্দিরা চক্রবর্তী), কুসুম সিকদারের ‘শরতের জবা’ (ইয়াশ রোহান), রায়হান রাফী পরিচালিত ‘নূর’ (আরিফিন শুভ, ঐশী), শোয়াইবুর রহমান পরিচালিত ‘নন্দিনী’ (নাজিরা মৌ, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত), আশরাফ শিশিরের ‘৫৭০’ (বাপ্পি চৌধুরী), সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ (পপি, আমিন খান, ইমন), মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘অমানুষ হলো মানুষ’ (ডিপজল), মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেনের ‘হৈমন্তীর ইতিকথা’।

 

গেল ঈদুল আজহায় ‘তুফান’সহ পাঁচ সিনেমা মুক্তির প্রায় এক মাস পর সর্বশেষ গত ১২ জুলাই মুক্তি পেয়েছিল শবনম ফেরদৌসী পরিচালিত ‘আজব কারখানা’। কিন্তু পাঁচ দিন না যেতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময় পেরিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে প্রেক্ষাগৃহ খুললেও দর্শক উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেশিরভাগ একক-প্রেক্ষাগৃহ প্রায় দর্শকশূন্য। মাল্টিপ্লেক্স প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতি একেবারেই কমে গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আরো স্বাভাবিকের দিকে না যাওয়া পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের আগ্রহী হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

আরও পড়ুন:কোন গল্প বলবেন চঞ্চল চৌধুরী? উঠে আসবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ?

 

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

একতা এক্সপ্রেস ট্রেন টাঙ্গাইলে সিএনজির সাথে সংঘর্ষ, বাচ্চা রেখে বাবা-মা নেমে পড়ল

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশ থেকে মনোনয়নের দৌড়ে পাঁচটি চলচ্চিত্র

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সংকটে দেশের বিনোদন অঙ্গন

আপডেট সময় ১২:১০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

চলমান বার্তা বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তাপের কারণে ব্যবসায়িকভাবে বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছে ঢালিউড। দেশের চলমান অস্থিরতায় হুমকির মুখে পড়েছে চলচ্চিত্র শিল্প। লোকসানের শঙ্কায় শিগগিরই নতুন ছায়াছবি মুক্তি দেওয়ার কথা ভাবছেন না প্রযোজক-পরিচালকরা। দেশে স্থিতিশীলতা না আসা পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আশাব্যঞ্জক হবে কিনা সেই দুশ্চিন্তায় আছেন তারা।

গত জুলাই, চলতি আগস্ট ও আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তির পরিকল্পনায় থাকা কয়েকটি ছায়াছবি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গেছে। এ তালিকায় রয়েছে এম রাহিম পরিচালিত ‘জংলি’ (সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলী, দীঘি), মিঠু খান পরিচালিত ‘নীল চক্র’ (আরিফিন শুভ, মন্দিরা চক্রবর্তী), কুসুম সিকদারের ‘শরতের জবা’ (ইয়াশ রোহান), রায়হান রাফী পরিচালিত ‘নূর’ (আরিফিন শুভ, ঐশী), শোয়াইবুর রহমান পরিচালিত ‘নন্দিনী’ (নাজিরা মৌ, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত), আশরাফ শিশিরের ‘৫৭০’ (বাপ্পি চৌধুরী), সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ (পপি, আমিন খান, ইমন), মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘অমানুষ হলো মানুষ’ (ডিপজল), মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেনের ‘হৈমন্তীর ইতিকথা’।

 

গেল ঈদুল আজহায় ‘তুফান’সহ পাঁচ সিনেমা মুক্তির প্রায় এক মাস পর সর্বশেষ গত ১২ জুলাই মুক্তি পেয়েছিল শবনম ফেরদৌসী পরিচালিত ‘আজব কারখানা’। কিন্তু পাঁচ দিন না যেতেই কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে যায়।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময় পেরিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে প্রেক্ষাগৃহ খুললেও দর্শক উপস্থিতি নেই বললেই চলে। বেশিরভাগ একক-প্রেক্ষাগৃহ প্রায় দর্শকশূন্য। মাল্টিপ্লেক্স প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতি একেবারেই কমে গেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আরো স্বাভাবিকের দিকে না যাওয়া পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের আগ্রহী হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

আরও পড়ুন:কোন গল্প বলবেন চঞ্চল চৌধুরী? উঠে আসবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ?

 

Share this news as a Photo Card