শিরোনাম :
মার্কিন শুল্ক চুক্তি নিয়ে স্বচ্ছতা ও খোলামেলা আলোচনা চান ব্যবসায়ীরা মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু খুলনায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চাইনিজ কুড়াল হাতে পাঁচ যুবকের হামলা ২৪২ রানে অপরাজিত সেঞ্চুরিতে ইতিহাস গড়লেন হৃদয় শিশুদের শিক্ষার মান বাড়াতে ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক অভিষেকের বাড়িতে রাত ২টায় সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, উড়িয়ে দিল বিজেপি গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা, মিলবে মোবাইল ভাতাও ট্রাকের চাপায় বাবা মা সহ নিহত আট মাসের শিশু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একাই লড়ছেন তাওহীদ হৃদয়, ১৫৪ রানে অপরাজিত দল, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে পরিচয় একটাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী

দুর্নীতির মামলায় আপিলেও খালাস গিয়াস উদ্দিন মামুন

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে হাই কোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে মামুনের আবেদন মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

মামুনের আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী বলেন, ‘এক-এগারোর’ পর জরুরি অবস্থার সময় এ মামলা দায়ের করা হয়। বিচারিক আদালত মামুনকে ১০ বছরের সাজা দেয়। পরে হাই কোর্ট খালাস দেয়। এর বিরুদ্ধে দুদক আপিল বিভাগে আবেদন করে।

“আপিল বিভাগ মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য হাই কোর্টে পাঠায়। পুনরায় শুনানির আদেশের বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন মামুন রিভিউ করেন। সেই রিভিউ আদালত মঞ্জুর করে; এরপর তার রিভিউ আবেদন আপিলে রূপান্তর হয়। আজ সেই আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে হাই কোর্টের খালাসের রায় বহাল থাকল।”

দুদকের নোটিসের পরও সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় ২০০৭ সালের ৮ মে ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

মামলায় মামুনের বিরুদ্ধে ১০১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ মার্চ জজ আদালত মামুনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেয়।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করলে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ ২০১২ সালের ৩০ জুলাই মামুনকে খালাস দেয়।

হাই কোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে পরে লিভ টু আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর হাই কোর্টের খালাসের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাই কোর্টে পুনরায় আপিল শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়।

আপিল বিভাগের ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। আপিল বিভাগ তার রিভিউ মঞ্জুর করলে তিনি আপিল করেন, যা বৃহস্পতিবার মঞ্জুর করা হল।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীর বাঘা মাজারের গ্রিল ও সিন্ধুকের তালা ভেঙ্গে টাকা চুরি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

দল, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে পরিচয় একটাই বাংলাদেশি: প্রধানমন্ত্রী

০৭ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

দুর্নীতির মামলায় আপিলেও খালাস গিয়াস উদ্দিন মামুন

আপডেট সময় ০১:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে হাই কোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এ বিষয়ে মামুনের আবেদন মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

মামুনের আইনজীবী সাব্বির হামজা চৌধুরী বলেন, ‘এক-এগারোর’ পর জরুরি অবস্থার সময় এ মামলা দায়ের করা হয়। বিচারিক আদালত মামুনকে ১০ বছরের সাজা দেয়। পরে হাই কোর্ট খালাস দেয়। এর বিরুদ্ধে দুদক আপিল বিভাগে আবেদন করে।

“আপিল বিভাগ মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য হাই কোর্টে পাঠায়। পুনরায় শুনানির আদেশের বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন মামুন রিভিউ করেন। সেই রিভিউ আদালত মঞ্জুর করে; এরপর তার রিভিউ আবেদন আপিলে রূপান্তর হয়। আজ সেই আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে হাই কোর্টের খালাসের রায় বহাল থাকল।”

দুদকের নোটিসের পরও সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় ২০০৭ সালের ৮ মে ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

মামলায় মামুনের বিরুদ্ধে ১০১ কোটি ৭৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ মার্চ জজ আদালত মামুনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ড দেয়।

ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করলে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ ২০১২ সালের ৩০ জুলাই মামুনকে খালাস দেয়।

হাই কোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে পরে লিভ টু আপিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০১৫ সালের ১ নভেম্বর হাই কোর্টের খালাসের রায় বাতিল করে আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাই কোর্টে পুনরায় আপিল শুনানির নির্দেশ দেওয়া হয়।

আপিল বিভাগের ওই আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। আপিল বিভাগ তার রিভিউ মঞ্জুর করলে তিনি আপিল করেন, যা বৃহস্পতিবার মঞ্জুর করা হল।

Share this news as a Photo Card