বিএটি বাংলাদেশের নতুন এমডি কাখাবের বেনিদজে

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ পিএলসি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কাখাবের বেনিদজে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জানা গেছে, চলতি বছরের ১ মে থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। তিনি এর আগে দায়িত্বে থাকা মনীষা আব্রাহামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যার নেতৃত্বাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
কাখাবের বেনিদজে বৈশ্বিক ভোগ্যপণ্য শিল্পে দীর্ঘ পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছেন। এই দীর্ঘ কর্মজীবনের মধ্যে পনেরো বছরের অধিক সময় তিনি বোর্ড পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। দুই হাজার এক সালে তিনি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিপণন, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য, ককেশাস অঞ্চল এবং মলদোভাসহ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার একাধিক জটিল ও বহু সাংস্কৃতিক বাজারে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিশেষত ব্যবসা পুনরুদ্ধার, টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তার দক্ষতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।
চলতি বছরের ১ মে কাখাবের বেনিদজে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদেও যুক্ত হয়েছেন। তার দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং বাস্তবসম্মত নেতৃত্বশৈলী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান আরও বিস্তৃত করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে তিনি একজন এক্সিকিউটিভ এমবিএ ডিগ্রিধারী। এ ছাড়া আইনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর এবং ভূদৃশ্য স্থাপত্যে একটি ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি।
নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কাখাবের বেনিদজে বলেন, একশত ষোল বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ করদাতা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া তার জন্য বিশেষ সম্মানের বিষয়। তিনি আরও বলেন, মেধাবী সহকর্মী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান শক্ত ভিত্তিকে আরও মজবুত করা, ব্যবসায়িক গতি ত্বরান্বিত করা এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অর্থবহ ভূমিকা রাখাই হবে তার আগামী দিনের প্রধান অগ্রাধিকার।
বিশ্লেষকদের মতে, তামাক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের রাজস্ব আহরণে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা দক্ষতাসম্পন্ন একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে আসা প্রতিষ্ঠানটির জন্য নতুন গতি সঞ্চার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের এই ধারা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা সংযুক্ত হওয়ার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
কাখাবের বেনিদজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনে কীভাবে তার ব্যবসায়িক কৌশল সাজায় এবং স্থানীয় বাজারে কীভাবে খাপ খাইয়ে নেয়, তা নিয়ে ব্যবসায়িক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও পণ্য বৈচিত্র্যকরণে তার পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

হাম চিকিৎসায় ঋণে জর্জরিত দেশের অধিকাংশ পরিবার

০৪ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বিএটি বাংলাদেশের নতুন এমডি কাখাবের বেনিদজে

আপডেট সময় ১১:২৫:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ পিএলসি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কাখাবের বেনিদজে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। জানা গেছে, চলতি বছরের ১ মে থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। তিনি এর আগে দায়িত্বে থাকা মনীষা আব্রাহামের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন, যার নেতৃত্বাধীন সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছিল।
কাখাবের বেনিদজে বৈশ্বিক ভোগ্যপণ্য শিল্পে দীর্ঘ পঁচিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে আসছেন। এই দীর্ঘ কর্মজীবনের মধ্যে পনেরো বছরের অধিক সময় তিনি বোর্ড পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। দুই হাজার এক সালে তিনি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোতে যোগ দেওয়ার পর থেকে বিপণন, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে তিনি ইউক্রেন, মধ্যপ্রাচ্য, ককেশাস অঞ্চল এবং মলদোভাসহ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার একাধিক জটিল ও বহু সাংস্কৃতিক বাজারে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশে যোগদানের আগে তিনি সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিশেষত ব্যবসা পুনরুদ্ধার, টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তার দক্ষতা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত।
চলতি বছরের ১ মে কাখাবের বেনিদজে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদেও যুক্ত হয়েছেন। তার দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং বাস্তবসম্মত নেতৃত্বশৈলী প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি এবং দেশের অর্থনীতিতে এর অবদান আরও বিস্তৃত করতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে তিনি একজন এক্সিকিউটিভ এমবিএ ডিগ্রিধারী। এ ছাড়া আইনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর এবং ভূদৃশ্য স্থাপত্যে একটি ডিগ্রিও অর্জন করেছেন তিনি।
নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কাখাবের বেনিদজে বলেন, একশত ষোল বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া এবং দেশের অন্যতম শীর্ষ করদাতা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়া তার জন্য বিশেষ সম্মানের বিষয়। তিনি আরও বলেন, মেধাবী সহকর্মী ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের নিয়ে প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান শক্ত ভিত্তিকে আরও মজবুত করা, ব্যবসায়িক গতি ত্বরান্বিত করা এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় অর্থবহ ভূমিকা রাখাই হবে তার আগামী দিনের প্রধান অগ্রাধিকার।
বিশ্লেষকদের মতে, তামাক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের রাজস্ব আহরণে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এমন প্রেক্ষাপটে অভিজ্ঞ ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাপনা দক্ষতাসম্পন্ন একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে আসা প্রতিষ্ঠানটির জন্য নতুন গতি সঞ্চার করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেতৃত্ব পরিবর্তনের এই ধারা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা সংযুক্ত হওয়ার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।
কাখাবের বেনিদজের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি আগামী দিনে কীভাবে তার ব্যবসায়িক কৌশল সাজায় এবং স্থানীয় বাজারে কীভাবে খাপ খাইয়ে নেয়, তা নিয়ে ব্যবসায়িক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও পণ্য বৈচিত্র্যকরণে তার পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

Share this news as a Photo Card