শিরোনাম :
পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সার সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথমবার পারমাণবিক বিক্রিয়া, নভেম্বরের শেষে গ্রিডে বিদ্যুৎ সৌদি আরব থেকে এক সপ্তাহে বিতাড়িত ১০ হাজার বাংলাদেশি হামে ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭৩ সেবার মান বাড়লে চিকিৎসায় বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমবে: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি মারুবেনির বৈঠক, আলোচনায় এআই ডেটা সেন্টার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে পাকিস্তানের খাইবারে জরুরি অবস্থা জারি, পিটিআই সরকারের কার্যক্রম স্থগিত

কিশোররা দৈনিক সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে পারবে

যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের তথ্য কেলেঙ্কারিতে মেটার ১৮ বিলিয়ন ডলার সমঝোতা

শিশু ও কিশোরদের ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহার এবং অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্যের করা মামলায় প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতায় রাজি হয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী কিশোর ব্যবহারকারীদের জন্য একগুচ্ছ নতুন বিধিনিষেধ চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কিশোররা দৈনিক সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে পারবে, যদিও বার্তা আদান-প্রদানের সময় এই সীমার হিসাবে ধরা হবে না। রাত বারোটা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এবং স্কুল চলাকালীন সকাল আটটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে নোটিফিকেশন। এছাড়া কিশোরদের পোস্টে কে বা কারা লাইক দিয়েছেন, তা অন্য ব্যবহারকারীদের কাছে আর দৃশ্যমান থাকবে না।

মেটা জানিয়েছে, এসব পরিবর্তনের অধিকাংশই আগামী ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর হবে। তবে শিশু ও কিশোর ব্যবহারকারীদের যথাযথভাবে শনাক্ত করার প্রযুক্তি পুরোপুরি চালু করতে সময় লাগতে পারে প্রায় এক বছর।

মামলার কেন্দ্রীয় অভিযোগ ছিল, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য মেটা কীভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে। প্রায় তিন দশকের পুরোনো একটি মার্কিন শিশু অনলাইন গোপনীয়তা আইনের আওতায় দায়ের হয় মামলাটি। তবে কেবল তথ্য সংগ্রহ নয়, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেটা প্রকৃতপক্ষে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও হয়ে ওঠে বিচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিচারকাজ মাত্র পাঁচ দিন গড়াতেই এই সমঝোতায় পৌঁছায় দুই পক্ষ।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

পাকিস্তানের খাইবারে জরুরি অবস্থা জারি, পিটিআই সরকারের কার্যক্রম স্থগিত

১১ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

কিশোররা দৈনিক সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে পারবে

আপডেট সময় ০১:২৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের তথ্য কেলেঙ্কারিতে মেটার ১৮ বিলিয়ন ডলার সমঝোতা

শিশু ও কিশোরদের ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহার এবং অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ২৯টি অঙ্গরাজ্যের করা মামলায় প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের সমঝোতায় রাজি হয়েছে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী কিশোর ব্যবহারকারীদের জন্য একগুচ্ছ নতুন বিধিনিষেধ চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কিশোররা দৈনিক সর্বোচ্চ দুই ঘণ্টা ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতে পারবে, যদিও বার্তা আদান-প্রদানের সময় এই সীমার হিসাবে ধরা হবে না। রাত বারোটা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এবং স্কুল চলাকালীন সকাল আটটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে নোটিফিকেশন। এছাড়া কিশোরদের পোস্টে কে বা কারা লাইক দিয়েছেন, তা অন্য ব্যবহারকারীদের কাছে আর দৃশ্যমান থাকবে না।

মেটা জানিয়েছে, এসব পরিবর্তনের অধিকাংশই আগামী ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর হবে। তবে শিশু ও কিশোর ব্যবহারকারীদের যথাযথভাবে শনাক্ত করার প্রযুক্তি পুরোপুরি চালু করতে সময় লাগতে পারে প্রায় এক বছর।

মামলার কেন্দ্রীয় অভিযোগ ছিল, ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ব্যক্তিগত তথ্য মেটা কীভাবে সংগ্রহ ও ব্যবহার করেছে, তা নিয়ে। প্রায় তিন দশকের পুরোনো একটি মার্কিন শিশু অনলাইন গোপনীয়তা আইনের আওতায় দায়ের হয় মামলাটি। তবে কেবল তথ্য সংগ্রহ নয়, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মেটা প্রকৃতপক্ষে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও হয়ে ওঠে বিচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিচারকাজ মাত্র পাঁচ দিন গড়াতেই এই সমঝোতায় পৌঁছায় দুই পক্ষ।

Share this news as a Photo Card