শিরোনাম :
পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সার সঠিক ব্যয় নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথমবার পারমাণবিক বিক্রিয়া, নভেম্বরের শেষে গ্রিডে বিদ্যুৎ সৌদি আরব থেকে এক সপ্তাহে বিতাড়িত ১০ হাজার বাংলাদেশি হামে ২৪ ঘণ্টায় সাত শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭৩ সেবার মান বাড়লে চিকিৎসায় বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমবে: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি মারুবেনির বৈঠক, আলোচনায় এআই ডেটা সেন্টার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী মুগ্ধসহ ১১ হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ট্রাইব্যুনালে পাকিস্তানের খাইবারে জরুরি অবস্থা জারি, পিটিআই সরকারের কার্যক্রম স্থগিত

রূপপুরে প্রথমবার পারমাণবিক বিক্রিয়া, নভেম্বরের শেষে গ্রিডে বিদ্যুৎ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফলভাবে পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটানো হয়েছে। দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ধাপটি সম্পন্ন হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সচিব জানান, বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে প্রথম ইউনিটে বিক্রিয়া শুরু করা হয়। তাঁর ভাষ্য, এখন পর্যন্ত সব প্যারামিটার চাহিদা অনুযায়ী মাত্রায় রয়েছে। বিকিরণের মাত্রা নিয়েও উদ্বেগের কিছু নেই।

এর তিন দিন আগে, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর), প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সংক্ষেপে বায়েরা। অনুমোদনের পর ধাপে ধাপে এগিয়ে রোববার সেই বিক্রিয়ার মুহূর্তে পৌঁছাল প্রকল্পটি।

কী এই ধাপ?

আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা আইএইএর নির্দেশনা অনুযায়ী এগোচ্ছে রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্প। প্রথম ইউনিটের ‘বি ওয়ান’ নামের স্টেজ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষায় যে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তাও কেটে গেছে।

এরপর আসে ‘বি টু’ ধাপ। এখানে প্রাথমিক পরিচালনার জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করা হয়। তারপরই শুরু হয় ক্রিটিক্যালিটি। এই পর্যায়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন, অর্থাৎ পরমাণুর বিভাজন তৈরি হয়। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি উৎপাদন শুরু করা যায়।

এরপর কী?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের শেষদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা। তবে পথটি এখনো বাকি। ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গ

এই কেন্দ্রের চুল্লি তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর ১২০০ মডেলের। এ ধরনের চুল্লিতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে বলে জানানো হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

পূজায় তিন জোড়া বিশেষ ট্রেন, পাঁচ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি প্রত্যাহার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

পাকিস্তানের খাইবারে জরুরি অবস্থা জারি, পিটিআই সরকারের কার্যক্রম স্থগিত

১১ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রূপপুরে প্রথমবার পারমাণবিক বিক্রিয়া, নভেম্বরের শেষে গ্রিডে বিদ্যুৎ

আপডেট সময় ০৫:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো সফলভাবে পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটানো হয়েছে। দেশের প্রথম এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে ধাপটি সম্পন্ন হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সচিব জানান, বিকেল ৩টা ৩৪ মিনিটে প্রথম ইউনিটে বিক্রিয়া শুরু করা হয়। তাঁর ভাষ্য, এখন পর্যন্ত সব প্যারামিটার চাহিদা অনুযায়ী মাত্রায় রয়েছে। বিকিরণের মাত্রা নিয়েও উদ্বেগের কিছু নেই।

এর তিন দিন আগে, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর), প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সংক্ষেপে বায়েরা। অনুমোদনের পর ধাপে ধাপে এগিয়ে রোববার সেই বিক্রিয়ার মুহূর্তে পৌঁছাল প্রকল্পটি।

কী এই ধাপ?

আন্তর্জাতিক পারমাণবিক সংস্থা আইএইএর নির্দেশনা অনুযায়ী এগোচ্ছে রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্প। প্রথম ইউনিটের ‘বি ওয়ান’ নামের স্টেজ মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সবশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষায় যে জটিলতা দেখা দিয়েছিল, তাও কেটে গেছে।

এরপর আসে ‘বি টু’ ধাপ। এখানে প্রাথমিক পরিচালনার জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করা হয়। তারপরই শুরু হয় ক্রিটিক্যালিটি। এই পর্যায়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন, অর্থাৎ পরমাণুর বিভাজন তৈরি হয়। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থায়ী ও নিরাপদভাবে শক্তি উৎপাদন শুরু করা যায়।

এরপর কী?

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরের শেষদিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা। তবে পথটি এখনো বাকি। ধাপে ধাপে সফলভাবে এগিয়ে উৎপাদন ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গ

এই কেন্দ্রের চুল্লি তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর ১২০০ মডেলের। এ ধরনের চুল্লিতে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে বলে জানানো হয়েছে।

Share this news as a Photo Card