শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের যত অসার দম্ভোক্তি

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ ষষ্ঠ সপ্তাহে পদার্পণ করেছে। এই সংঘাত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। মাসব্যাপী বিমান হামলা চালিয়ে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের হত্যা করলেও দেশটি এখনও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত রেখেছে। চলমান এই যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ঘন ঘন তার বার্তা পরিবর্তন করছেন। সর্বশেষ ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ও আক্রমণাত্মক পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে তার মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অসার দম্ভোক্তিগুলো একনজরে—

৩ মার্চ : ‘আমরা যুদ্ধে জয়লাভ করেছি।’

৭ মার্চ : ‘আমরা ইরানকে পরাজিত করেছি।’

৯ মার্চ : ‘আমাদের অবশ্যই ইরানকে আক্রমণ করতে হবে।’

৯ মার্চ : ‘যুদ্ধটা প্রায় পুরোপুরি এবং খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়ে আসছে।’

১১ মার্চ : ‘তুমি কখনোই খুব তাড়াতাড়ি বলে দিতে চাও না যে, তুমি জিতে গেছো। আমরা জিতেছি। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল।’

১২ মার্চ : ‘আমরা জিতেছি বটে, কিন্তু এখনও পুরোপুরি জিতিনি।’

১৩ মার্চ : ‘আমরা যুদ্ধে জিতেছি।’

১৪ মার্চ : ‘দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

১৫ মার্চ : ‘যদি তোমরা আমাদের সাহায্য না করো, আমি অবশ্যই তা মনে রাখব।’

১৬ মার্চ : ‘আসলে, আমাদের কোনো সাহায্যেরই প্রয়োজন নেই।’

১৬ মার্চ : ‘আমি শুধু পরীক্ষা করে দেখছিলাম, কে আমার কথা শুনছে।’

১৬ মার্চ : ‘ন্যাটো যদি সাহায্য না করে, তবে তাদের খুব খারাপ পরিণতি হবে।’

১৭ মার্চ : ‘ন্যাটোর সাহায্য আমাদের প্রয়োজন নেই, আমরা তা চাইও না।’

১৭ মার্চ : ‘ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমার কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।’

১৮ মার্চ : ‘হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার ক্ষেত্রে আমাদের মিত্রদের অবশ্যই সহযোগিতা করতে হবে।’

১৯ মার্চ : ‘যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে-এগিয়ে এসে হরমুজ প্রণালি খুলতে সাহায্য করুন।’

২০ মার্চ : ‘ন্যাটো কাপুরুষ।’

২১ মার্চ : ‘হরমুজ প্রণালিকে অবশ্যই সেই দেশগুলোর সুরক্ষিত দিতে হবে, যারা এটি ব্যবহার করে। আমরা এটি ব্যবহার করি না, তাই এটি উন্মুক্ত করার কোনো প্রয়োজন আমাদের নেই।’

২২ মার্চ : ‘এটিই শেষবার। আমি ইরানকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেব। হরমুজ প্রণালি খুলে দিন।’

২২ মার্চ : ‘ইরান শেষ।’

২৩ মার্চ : ‘ইরানের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’

২৪ মার্চ : ‘আমরা অগ্রগতি করছি।’

২৫ মার্চ : ‘ওরা (ইরান) আমাদের একটা উপহার দিয়েছিল এবং উপহারটা আজ এসে পৌঁছেছে। আর এটা ছিল অনেক বড় একটি উপহার, যার মূল্যও বিপুল। উপহারটা কী, তা আমি আপনাদের বলব না। তবে উপহারটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

২৬ মার্চ : ‘একটি চুক্তিতে আসো, নইলে আমরা তোমাদের (বোমা মেরে) উড়িয়ে দিতেই থাকব।’

২৭ মার্চ : ‘ন্যাটোর জন্য আমাদের সেখানে থাকার দরকার নেই।’

২৮ মার্চ : কোনো উল্লেখযোগ্য উক্তি নেই।

২৯ মার্চ : আলোচনা এগোচ্ছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

৩০ মার্চ : ‘অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিন, নইলে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।’

৩১ মার্চ : ট্রাম্প দাবি করেন, আমরা একটি চুক্তি স্বাক্ষরের ‘খুব কাছাকাছি’ এবং ইরান ‘সঠিক কাজটি করবে’।

১ এপ্রিল : ‘খুব শিগগিরই দেখা যাবে কী ঘটে।’

২ এপ্রিল : একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তবে তা না হলে হামলা অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

৩ এপ্রিল : ‘বড় কিছু একটা ঘটতে চলেছে।’

৪ এপ্রিল : ট্রাম্প বলেন, ইরানকে ‘অবিলম্বে’ শর্ত মানতে হবে, অন্যথায় আরও পরিণতি ভোগ করতে হবে।

৫ এপ্রিল : ‘হরমুজ প্রণালি খুলে দাও, তোরা (ইরান) উন্মাদ। অন্যথায় তোদেরকে নরকে বাস করতে হবে! সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।’

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ইরান নিয়ে ট্রাম্পের যত অসার দম্ভোক্তি

আপডেট সময় ০৭:০৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ ষষ্ঠ সপ্তাহে পদার্পণ করেছে। এই সংঘাত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। মাসব্যাপী বিমান হামলা চালিয়ে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের হত্যা করলেও দেশটি এখনও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন স্থাপনায় প্রতিশোধমূলক হামলা অব্যাহত রেখেছে। চলমান এই যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প ঘন ঘন তার বার্তা পরিবর্তন করছেন। সর্বশেষ ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশালীন ও আক্রমণাত্মক পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে তার মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের অসার দম্ভোক্তিগুলো একনজরে—

৩ মার্চ : ‘আমরা যুদ্ধে জয়লাভ করেছি।’

৭ মার্চ : ‘আমরা ইরানকে পরাজিত করেছি।’

৯ মার্চ : ‘আমাদের অবশ্যই ইরানকে আক্রমণ করতে হবে।’

৯ মার্চ : ‘যুদ্ধটা প্রায় পুরোপুরি এবং খুব সুন্দরভাবে শেষ হয়ে আসছে।’

১১ মার্চ : ‘তুমি কখনোই খুব তাড়াতাড়ি বলে দিতে চাও না যে, তুমি জিতে গেছো। আমরা জিতেছি। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ হয়ে গিয়েছিল।’

১২ মার্চ : ‘আমরা জিতেছি বটে, কিন্তু এখনও পুরোপুরি জিতিনি।’

১৩ মার্চ : ‘আমরা যুদ্ধে জিতেছি।’

১৪ মার্চ : ‘দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

১৫ মার্চ : ‘যদি তোমরা আমাদের সাহায্য না করো, আমি অবশ্যই তা মনে রাখব।’

১৬ মার্চ : ‘আসলে, আমাদের কোনো সাহায্যেরই প্রয়োজন নেই।’

১৬ মার্চ : ‘আমি শুধু পরীক্ষা করে দেখছিলাম, কে আমার কথা শুনছে।’

১৬ মার্চ : ‘ন্যাটো যদি সাহায্য না করে, তবে তাদের খুব খারাপ পরিণতি হবে।’

১৭ মার্চ : ‘ন্যাটোর সাহায্য আমাদের প্রয়োজন নেই, আমরা তা চাইও না।’

১৭ মার্চ : ‘ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমার কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।’

১৮ মার্চ : ‘হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার ক্ষেত্রে আমাদের মিত্রদের অবশ্যই সহযোগিতা করতে হবে।’

১৯ মার্চ : ‘যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে-এগিয়ে এসে হরমুজ প্রণালি খুলতে সাহায্য করুন।’

২০ মার্চ : ‘ন্যাটো কাপুরুষ।’

২১ মার্চ : ‘হরমুজ প্রণালিকে অবশ্যই সেই দেশগুলোর সুরক্ষিত দিতে হবে, যারা এটি ব্যবহার করে। আমরা এটি ব্যবহার করি না, তাই এটি উন্মুক্ত করার কোনো প্রয়োজন আমাদের নেই।’

২২ মার্চ : ‘এটিই শেষবার। আমি ইরানকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেব। হরমুজ প্রণালি খুলে দিন।’

২২ মার্চ : ‘ইরান শেষ।’

২৩ মার্চ : ‘ইরানের সঙ্গে আমাদের খুব ভালো এবং ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’

২৪ মার্চ : ‘আমরা অগ্রগতি করছি।’

২৫ মার্চ : ‘ওরা (ইরান) আমাদের একটা উপহার দিয়েছিল এবং উপহারটা আজ এসে পৌঁছেছে। আর এটা ছিল অনেক বড় একটি উপহার, যার মূল্যও বিপুল। উপহারটা কী, তা আমি আপনাদের বলব না। তবে উপহারটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

২৬ মার্চ : ‘একটি চুক্তিতে আসো, নইলে আমরা তোমাদের (বোমা মেরে) উড়িয়ে দিতেই থাকব।’

২৭ মার্চ : ‘ন্যাটোর জন্য আমাদের সেখানে থাকার দরকার নেই।’

২৮ মার্চ : কোনো উল্লেখযোগ্য উক্তি নেই।

২৯ মার্চ : আলোচনা এগোচ্ছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

৩০ মার্চ : ‘অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিন, নইলে ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।’

৩১ মার্চ : ট্রাম্প দাবি করেন, আমরা একটি চুক্তি স্বাক্ষরের ‘খুব কাছাকাছি’ এবং ইরান ‘সঠিক কাজটি করবে’।

১ এপ্রিল : ‘খুব শিগগিরই দেখা যাবে কী ঘটে।’

২ এপ্রিল : একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প। তবে তা না হলে হামলা অব্যাহত রাখার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

৩ এপ্রিল : ‘বড় কিছু একটা ঘটতে চলেছে।’

৪ এপ্রিল : ট্রাম্প বলেন, ইরানকে ‘অবিলম্বে’ শর্ত মানতে হবে, অন্যথায় আরও পরিণতি ভোগ করতে হবে।

৫ এপ্রিল : ‘হরমুজ প্রণালি খুলে দাও, তোরা (ইরান) উন্মাদ। অন্যথায় তোদেরকে নরকে বাস করতে হবে! সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।’

Share this news as a Photo Card