শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গুলি করে হত্যা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চার্লি কার্ক। এএফপির ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ডানপন্থি রাজনৈতিক কর্মী ও বিশ্লেষক চার্লি কার্ককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। স্থানীয় সময় বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) উটাহ অঙ্গরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। খবর এএফপির।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩১ বছর বয়সী চার্লি কার্ক। ইউটাহর গভর্নর স্পেন্সার কক্স এ ঘটনাকে সরাসরি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ওপর একের পর এক হামলার এটি সবশেষ ঘটনা।

হামলার পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হেফাজতে আছেন। তবে এর কয়েক মিনিট পর এক সংবাদ সম্মেলনে ইউটাহ পাবলিক সেফটি কমিশনার বো ম্যাসন বলেন, সন্দেহভাজন এখনো পলাতক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে চার্লি কার্ক যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে এক দর্শক তাকে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন করছিলেন। গুলি লাগার পর কার্ক ঘাড়ে হাত দিয়ে চেয়ার থেকে পড়ে যান। এরপর উপস্থিত দর্শকেরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন।

চার্লি কার্কের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, মহান ও কিংবদন্তি চার্লি কার্ক আর নেই। যুক্তরাষ্ট্রের যুবসমাজকে বোঝার বা তাদের হৃদয় জয় করার ক্ষমতা চার্লির চেয়ে বেশি আর কারও ছিল না।

চার্লি কার্ক টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ নামের একটি সংগঠনের সহপ্রতিষ্ঠাতা। এটি যুক্তরাষ্ট্রে রক্ষণশীল তরুণদের সবচেয়ে বড় সংগঠন। গত নভেম্বরে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে তরুণ ভোটারদের সমর্থন আদায়ে এই সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

এবার কাতারে হামলা চালালো ইসরায়েল

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০৪:০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ডানপন্থি রাজনৈতিক কর্মী ও বিশ্লেষক চার্লি কার্ককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। স্থানীয় সময় বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) উটাহ অঙ্গরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। খবর এএফপির।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ৩১ বছর বয়সী চার্লি কার্ক। ইউটাহর গভর্নর স্পেন্সার কক্স এ ঘটনাকে সরাসরি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ওপর একের পর এক হামলার এটি সবশেষ ঘটনা।

হামলার পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের পরিচালক কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হেফাজতে আছেন। তবে এর কয়েক মিনিট পর এক সংবাদ সম্মেলনে ইউটাহ পাবলিক সেফটি কমিশনার বো ম্যাসন বলেন, সন্দেহভাজন এখনো পলাতক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে চার্লি কার্ক যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে এক দর্শক তাকে বন্দুক সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন করছিলেন। গুলি লাগার পর কার্ক ঘাড়ে হাত দিয়ে চেয়ার থেকে পড়ে যান। এরপর উপস্থিত দর্শকেরা আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করেন।

চার্লি কার্কের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, মহান ও কিংবদন্তি চার্লি কার্ক আর নেই। যুক্তরাষ্ট্রের যুবসমাজকে বোঝার বা তাদের হৃদয় জয় করার ক্ষমতা চার্লির চেয়ে বেশি আর কারও ছিল না।

চার্লি কার্ক টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএ নামের একটি সংগঠনের সহপ্রতিষ্ঠাতা। এটি যুক্তরাষ্ট্রে রক্ষণশীল তরুণদের সবচেয়ে বড় সংগঠন। গত নভেম্বরে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষে তরুণ ভোটারদের সমর্থন আদায়ে এই সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

এবার কাতারে হামলা চালালো ইসরায়েল

Share this news as a Photo Card