শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে থাকা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া নিজেদের মধ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) কম্বোডিয়া থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া তাদের বিতর্কিত সীমান্ত জুড়ে দীর্ঘদিন থেকে মাঝে মাঝেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে দুদেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভেঙে এ মাসে আবারও সংঘাতে জড়ায় দুপক্ষ। সদ্য সৃষ্টি হওয়া এই সংঘাতে প্রাণ যায় ৪৭ জনের এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নেয় নিরাপদ স্থানে।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক বিবৃতিতে জানায়, আজ শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই চুক্তি কার্যকর হবে। এর আওতায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আক্রমণ সম্পূর্ভাবে বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি দুপক্ষই সৈন্য মোতায়েনের কাজ বন্ধ রাখবে এবং যতদ্রুত সম্ভব বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়া বেসামরিক লোকজনকে তাদের ঠিকানায় ফেরা নিশ্চিত করবে। এছাড়া, দুটি দেশই সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে এবং সীমান্ত থকে মাইন অপসারণে কাজ করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আসিয়ান জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকের পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে তিন দিনের সীমান্ত আলোচনা শেষে যুদ্ধবিরতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো। এছাড়া, যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অস্ত্রবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মালয়েশিয়া।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

যুদ্ধবিরতিতে সম্মত থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া

আপডেট সময় ১২:২৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রক্তক্ষয়ী সীমান্ত সংঘাতে জড়িয়ে থাকা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া নিজেদের মধ্যে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) কম্বোডিয়া থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিশ্রুতির কথা জানানো হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া তাদের বিতর্কিত সীমান্ত জুড়ে দীর্ঘদিন থেকে মাঝে মাঝেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। এর আগে দুদেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি ভেঙে এ মাসে আবারও সংঘাতে জড়ায় দুপক্ষ। সদ্য সৃষ্টি হওয়া এই সংঘাতে প্রাণ যায় ৪৭ জনের এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নেয় নিরাপদ স্থানে।

থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক বিবৃতিতে জানায়, আজ শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই চুক্তি কার্যকর হবে। এর আওতায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে আক্রমণ সম্পূর্ভাবে বন্ধ থাকবে।

পাশাপাশি দুপক্ষই সৈন্য মোতায়েনের কাজ বন্ধ রাখবে এবং যতদ্রুত সম্ভব বাড়িঘর ছেড়ে যাওয়া বেসামরিক লোকজনকে তাদের ঠিকানায় ফেরা নিশ্চিত করবে। এছাড়া, দুটি দেশই সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে এবং সীমান্ত থকে মাইন অপসারণে কাজ করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

আসিয়ান জোটের দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকের পর থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে তিন দিনের সীমান্ত আলোচনা শেষে যুদ্ধবিরতির এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হলো। এছাড়া, যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে অস্ত্রবিরতির জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছিল যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও মালয়েশিয়া।

Share this news as a Photo Card