ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অবশিষ্ট স্থাপনায় মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে হামলা চালানো সম্ভব বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেকোনো আক্রমণের পাল্টা আঘাত হবে কঠোর, তাৎক্ষণিক এবং ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়া।
রোববার (১ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালাতে ওয়াশিংটন পুরোপুরি প্রস্তুত। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তিনি জানান, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনসহ ইরানের বাকি পারমাণবিক স্থাপনা এখনো মার্কিন হামলার লক্ষ্যতালিকায় আছে। ট্রাম্পের ভাষ্য, “আমরা মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই এই হামলা চালাতে পারি।” তাঁর দাবি, এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে এবং খুব অল্প সময়েই তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এর আগে তিনি সেন্টকম প্রধান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে সামরিক অভিযানের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এই হুমকির পর তেহরানের দিক থেকেও দ্রুত প্রতিক্রিয়া এসেছে। শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে খামেনি যুদ্ধ নিয়ে নতুন দিকনির্দেশনা দেন। তাঁর ঘোষণা, শত্রুর যেকোনো মাত্রার হুমকির উত্তর হবে তাৎক্ষণিক, সুদূরপ্রসারী এবং কোনো ভৌগোলিক সীমারেখায় আটকে থাকবে না। যুদ্ধ কত দিন চলবে, কবে শেষ হবে, সেই সিদ্ধান্ত ইরান ও দেশটির জনগণই নেবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন।
সর্বোচ্চ নেতার এই নির্দেশনার পরপরই ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেন মহেবি বলেন, খামেনির বক্তব্য যুদ্ধের ক্ষেত্রে “নতুন অধ্যায়ের” সূচনা করেছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে নতুন নতুন ভৌগোলিক অঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত ও চূড়ান্ত করার কাজ আইআরজিসি ইতোমধ্যে শুরু করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 















