শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে ছোটভাইয়ের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা লতিফের, করেছে হামলা, দিয়েছে মামলা চিকিৎসকের গায়ে হাত নিয়ে ধর্মঘট, অবাবস্থাপনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা সংবিধান কমিটি প্রত্যাখ্যান, ছয় দফা দাবিতে অনড় ১১-দলীয় জোট জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়, অভিযুক্ত তুহিনের বাসা থেকে মিলল নিহতের মায়ের আইফোন মেধা শঙ্কর-সময় রায়নার বিয়ের গুঞ্জন, নেই সরকারি ঘোষণা মায়ের আইফোন নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ জঙ্গলে উদ্ধার পানি ঘোলা করে খাবে বিএনপি— মন্তব্য জামায়াত আমিরের ঢাকাজুড়ে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ, তিনটি বাসে আগুন হাতকড়া পরিয়ে হাসিনাকে বরণের ঘোষণা বিমানমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয়, এগোচ্ছে ভিয়েতনাম

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী দেশ। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে—এই পাঁচ মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। তবু সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি আরও বেশি কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল দপ্তর (ওটেক্সা) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ মাসে বাংলাদেশ ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে শীর্ষ রপ্তানিকারক ভিয়েতনাম ৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে, যা আগের বছরের তুলনায় দেড় শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের রপ্তানি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। দেশটির রপ্তানি কমেছে ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ফলে তারা দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। চীনের বাজারের একটি অংশ দখল করেছে ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়া। ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার বেড়েছে ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ। ভারতের রপ্তানিও প্রায় ২৬ শতাংশ কমে পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়লেও বাজার এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। পাশাপাশি সম্ভাব্য নতুন শুল্ক আরোপের আশঙ্কায় অনেক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান নতুন ক্রয়াদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে।
তবে মে মাসে বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশের রপ্তানিও প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দামের দিক থেকে বাংলাদেশের গড় ইউনিট রপ্তানি মূল্য ছিল ২ দশমিক ৯৯ ডলার, যা চীন, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ার তুলনায় বেশি হলেও ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর তুলনায় কম।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

হাতকড়া পরিয়ে হাসিনাকে বরণের ঘোষণা বিমানমন্ত্রীর

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয়, এগোচ্ছে ভিয়েতনাম

আপডেট সময় ০৭:১৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো দ্বিতীয় বৃহত্তম সরবরাহকারী দেশ। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে—এই পাঁচ মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। তবু সামগ্রিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি আরও বেশি কমে যাওয়ায় বাংলাদেশ তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল দপ্তর (ওটেক্সা) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাঁচ মাসে বাংলাদেশ ৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। একই সময়ে শীর্ষ রপ্তানিকারক ভিয়েতনাম ৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে, যা আগের বছরের তুলনায় দেড় শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের রপ্তানি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। দেশটির রপ্তানি কমেছে ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ফলে তারা দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে তৃতীয় অবস্থানে নেমে এসেছে। চীনের বাজারের একটি অংশ দখল করেছে ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়া। ইন্দোনেশিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার বেড়েছে ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ। ভারতের রপ্তানিও প্রায় ২৬ শতাংশ কমে পঞ্চম স্থানে নেমে গেছে।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়লেও বাজার এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। পাশাপাশি সম্ভাব্য নতুন শুল্ক আরোপের আশঙ্কায় অনেক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান নতুন ক্রয়াদেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে।
তবে মে মাসে বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মোট পোশাক আমদানি বেড়েছে ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং বাংলাদেশের রপ্তানিও প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দামের দিক থেকে বাংলাদেশের গড় ইউনিট রপ্তানি মূল্য ছিল ২ দশমিক ৯৯ ডলার, যা চীন, পাকিস্তান ও কম্বোডিয়ার তুলনায় বেশি হলেও ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর তুলনায় কম।

Share this news as a Photo Card