শিরোনাম :
মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের মানুষের প্রেমে এত ঝামেলা, রোবটের দিকে মন দিলেন মাহি ময়মনসিংহে বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৭ আমদানিতে ৮৭ টাকার মাল্টা খুচরায় ৫২০ টাকা সিন্ডিকেটের কৃত্রিম সংকটে ১৫৮৫ টাকার এলপিজি ২৫০০ টাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গা দখলে হামলার অভিযোগে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির পদত্যাগ সায়েদাবাদ টার্মিনাল কাঁচপুরে নিলে কমবে ঢাকার যানজট: প্রশাসক সাইবার অপরাধ ঠেকাতে পুলিশে নতুন ইউনিট যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখবে ইরান : পেজেশকিয়ান কালিনিনগ্রাদ অবরোধের চেষ্টা হলে ন্যাটোকে পারমাণবিক হুঁশিয়ারি দিল রাশিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন। ইরান যুদ্ধ এখন সেখানে বড় রাজনৈতিক বিষয় হয়ে উঠেছে। এমন সময়েই নতুন নৌবহর পাঠানোর সিদ্ধান্ত এল। ট্রাম্প আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। এখন তিনি বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা আছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত টাইম ম্যাগাজিনের এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা আরও বাড়ানো ‘সম্ভব’। তবে কী কৌশলে এগোনো হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে তিনি রাজি হননি। ইরানের সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব কেন তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন, সেই প্রসঙ্গে ট্রাম্পের ভাষ্য, এক বছর আগে যেসব শর্ত তিনি মানতেন না, এখনো সেগুলো গ্রহণ করার অবস্থানে নেই।

মধ্যপ্রাচ্যের পথে থাকা নতুন বহরে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী বহর এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। এই দুই জাহাজে সাত হাজারের বেশি নাবিক ও দুই হাজারের বেশি মেরিন সদস্য আছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্য গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে তিনটি বিমানবাহী রণতরী থাকতে পারে। সংবেদনশীল সামরিক কার্যক্রম নিয়ে কথা বলার কারণে তিনি পরিচয় গোপন রাখতে চেয়েছেন।

এতে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ও মেরিন সেনার সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি কয়েকশ সামরিক বিমানও সেখানে মোতায়েন থাকবে। চলতি বছরের এপ্রিলে ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যে একসঙ্গে তিনটি বিমানবাহী রণতরী বহর মোতায়েন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

বর্তমানে এ অঞ্চলে আছে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন বিমানবাহী রণতরী এবং ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে থাকা জর্জ ওয়াশিংটনকে আনা হয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের জায়গায়। দীর্ঘ ওই মোতায়েনে আব্রাহাম লিংকনের নাবিকেরা টানা ২৬০ দিনের বেশি সমুদ্রে ছিলেন। থিওডোর রুজভেল্ট বহর মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছালে জর্জ ওয়াশিংটনকে আবার জাপানের আশপাশের সমুদ্রসীমায় পাঠানো হতে পারে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

কালিনিনগ্রাদ অবরোধের চেষ্টা হলে ন্যাটোকে পারমাণবিক হুঁশিয়ারি দিল রাশিয়া

০১ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নতুন হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০৫:০৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন। ইরান যুদ্ধ এখন সেখানে বড় রাজনৈতিক বিষয় হয়ে উঠেছে। এমন সময়েই নতুন নৌবহর পাঠানোর সিদ্ধান্ত এল। ট্রাম্প আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। এখন তিনি বলছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা আছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত টাইম ম্যাগাজিনের এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা আরও বাড়ানো ‘সম্ভব’। তবে কী কৌশলে এগোনো হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে তিনি রাজি হননি। ইরানের সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব কেন তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন, সেই প্রসঙ্গে ট্রাম্পের ভাষ্য, এক বছর আগে যেসব শর্ত তিনি মানতেন না, এখনো সেগুলো গ্রহণ করার অবস্থানে নেই।

মধ্যপ্রাচ্যের পথে থাকা নতুন বহরে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী বহর এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। এই দুই জাহাজে সাত হাজারের বেশি নাবিক ও দুই হাজারের বেশি মেরিন সদস্য আছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্য গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে তিনটি বিমানবাহী রণতরী থাকতে পারে। সংবেদনশীল সামরিক কার্যক্রম নিয়ে কথা বলার কারণে তিনি পরিচয় গোপন রাখতে চেয়েছেন।

এতে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ও মেরিন সেনার সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি কয়েকশ সামরিক বিমানও সেখানে মোতায়েন থাকবে। চলতি বছরের এপ্রিলে ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যে একসঙ্গে তিনটি বিমানবাহী রণতরী বহর মোতায়েন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।

বর্তমানে এ অঞ্চলে আছে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন বিমানবাহী রণতরী এবং ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। সাধারণত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে থাকা জর্জ ওয়াশিংটনকে আনা হয়েছে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের জায়গায়। দীর্ঘ ওই মোতায়েনে আব্রাহাম লিংকনের নাবিকেরা টানা ২৬০ দিনের বেশি সমুদ্রে ছিলেন। থিওডোর রুজভেল্ট বহর মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছালে জর্জ ওয়াশিংটনকে আবার জাপানের আশপাশের সমুদ্রসীমায় পাঠানো হতে পারে।

Share this news as a Photo Card