হুতিদের হামলা থেকে সৌদি আরবকে সুরক্ষা দিতে দেশটিতে যুদ্ধবিমান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্য। প্রতিরক্ষামূলক এই মিশনে রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠানো হবে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবের শহর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে আকাশপথের হামলা থেকে রক্ষা করাই এ মোতায়েনের উদ্দেশ্য। তবে বিমানগুলো হুতিদের বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণাত্মক অভিযান চালাবে না বলেও স্পষ্ট করেছে মন্ত্রণালয়।
সম্প্রতি সৌদি রাজধানী রিয়াদে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। দেশটির উপকূলীয় এলাকার জ্বালানি স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির মধ্যেই যুক্তরাজ্য এই সামরিক সহায়তার ঘোষণা দিল।
যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সৌদি আরবে সামরিক উপদেষ্টা এবং আরএএফের একটি এ৪০০এম পরিবহন বিমানও পাঠাবে ব্রিটেন। আকাশপথের হামলা মোকাবিলায় সৌদি আরবকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ করছে দেশটি। এর সঙ্গে দেশটির প্রতিরক্ষামূলক সামরিক অভিযানে আকাশে জ্বালানি সরবরাহের সহায়তাও দিচ্ছে ব্রিটেন। এই জ্বালানি সরবরাহের মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়ানো হয়েছে।
আলাদা এক বিবৃতিতে ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, রিয়াদ বিমানবন্দরকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘটনায় বোঝা যায়, আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে হুতিরা কতটা দূর যেতে প্রস্তুত। এ কারণেই তিনি যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সামরিক সহায়তা অনুমোদন করেছেন বলে জানান।
প্রেক্ষাপট হিসেবে, ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায়, রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা হয়েছে। এর জবাবে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সঙ্গে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হুতিরা। ওই সরকারকে সমর্থন দেয় সৌদি আরব।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর ও বিবিসি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 



















