প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পর বঙ্গভবনে তাদেরও শপথ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন ছয় সদস্যের মধ্যে তিনজন পূর্ণমন্ত্রী এবং তিনজন প্রতিমন্ত্রী। এরই মধ্যে শপথ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টরা বঙ্গভবনে পৌঁছেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে ড. আবদুল মঈন খানকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ পাচ্ছেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। আর সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রদত্ত তথ্যে মন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করা চারজনের নাম থাকলেও তাদের মধ্যে কয়জনকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ করানো হবে—এ বিষয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। তাই চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর দায়িত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন পাচ্ছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। রাষ্ট্রপতির শপথের পর একই দরবার হলে নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ানো হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন সদস্যদের শপথ পড়াবেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। এ উপলক্ষে বঙ্গভবনে প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে ১ হাজার ২০০-এর বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানোর কথা জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির শপথ শেষে মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
নতুন ছয় সদস্যের অন্তর্ভুক্তির ফলে সরকারের মন্ত্রিসভায় দায়িত্বের পরিধিও বাড়বে। বিশেষ করে স্থানীয় সরকার, তথ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, পররাষ্ট্র এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ে নতুন নেতৃত্ব যুক্ত হচ্ছে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দেওয়া তথ্যের মধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা ও নামের তালিকায় অসঙ্গতি রয়েছে। শুরুতে তিনজন মন্ত্রী ও তিনজন প্রতিমন্ত্রীর কথা বলা হলেও দায়িত্বের তালিকায় চারজন মন্ত্রীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাই প্রকাশের আগে সরকারি প্রজ্ঞাপন বা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চূড়ান্ত তালিকার সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
শপথ গ্রহণের পর দায়িত্ব বণ্টন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলে কোন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ঠিক কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন, সেটিও নিশ্চিতভাবে জানা যাবে।
চলমান বার্তা ডেস্ক : 



















