শিরোনাম :
হরতালেও সচল মোংলা বন্দর
-
মাসুদ রানা, মোংলা প্রতিনিধি - আপডেট সময় ০৬:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- 103
মোংলা-রামপাল আসন-৩ সহ বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন ৪টি পুর্নবহাল রাখার দাবিতে তৃতীয় দফায় জেলা জুড়ে হরতাল পালন করছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। তবে এর কোন প্রভাবই পরেনি মোংলা সমুদ্র বন্দরে। আগনম-নির্গমন করছে বাণিজ্যিক জাহাজ, খালাস হচ্ছে দেশ-বিদেশী পণ্য। সড়ক পথে পণ্য পরিবহনের কিছুটা ব্যাহত হলেও নৌপথ পথে চলছে যথা নিয়মে।
জানা যায়, গত সপ্তাহে ৫দিনের কর্মসুচির পর চলতি সপ্তাহে ৪ দিনের কর্মসুচি ঘোষণা করে মোংলা ও বাগেরহাট জেলার সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতৃবৃন্দরা। এর মধ্যে রবিবার চলছিল সরকারী-বেসরকারী অফিস ঘেরাও, সোমবার সকাল-সন্ধ্যা এবং মঙ্গল ও বুধবার অর্ধ দিবস হরতালের কর্মসুচি চলবে।
সেই মোতাবেক ১৫ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল থেকে সড়ক-মহাসড়কে তিনদিনব্যাপী হরতাল শুরু হয়। তবে মোংলা সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বহিঃনঙ্গর, হারবাড়িয়া ও জেটি এলাকায় ৯টি পণ্য বোঝাই বাণিজ্যিক জাহাজ অবস্থন করছে। জাহাজ থেকে খালাস-বোঝাই হচ্ছে আমদানী-রফতানীকৃত পণ্য।
সড়ক পথের বিভিন্ন স্থানে হরতাল সমর্থনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল করলেও নৌপথে পণ্য আনা-নেয়া চলছে যথা নিয়মে। সোমবার আরো একটি কয়লা বোঝাই জাহাজ বন্দরে প্রবেশ করার কথা রয়েছে। তবে মোংলা বাসষ্টান্ড থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে দুরপাল্লাসহ কোন যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। বাগেরহাট জেলার ৪টি আসন পুর্নবহালের দাবীই কিন্ত সবাই আনড় দল মত নির্বিশেষে বাগেরহাট জেলা সর্বস্তরের মানুষ।
সাধারণ শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবী, হরতাল আন্দোলন চাই না কিন্ত বাগেরহাট জেলার ৪টি আসন পুর্নবহাল চাওয়া এটি তাদের ন্যায্য অধিকার। তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের সাথে একমত পোষণও করছে তারা।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের (সদস্য অর্থ) কাজী আবেদ হোসেন বলেন, বন্দরকে সচল রাখতে ও ব্যবসায়ীদের পণ্য আমদানী-রফতানীর সুবিধার্থে পরিকল্পনা অনুযায়ী জাহাজ ও জেটি এলাকায় কার্যক্রম চলমান রাখা হয়েছে। কারণ দক্ষিণাঞ্চলের চালিকাশক্তি হচ্ছে মোংলা বন্দর।
এ অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান এ বন্দরকে ঘিরে। এছাড়া সরকার এই বন্দর দিয়ে শত শত কোটি টাকা রাজস্ব আয় করছে, সুতরাং যে কোন পদ্ধতিতে বন্দরের কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে।
ট্যাগস
খুলনা বিভাগ
জনপ্রিয় সংবাদ















