শিরোনাম :
“চেহারা কোথায়, শুধু আওয়াজ শোনা যায়”: হাসিনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে টেকসই হবে গণতন্ত্র: ফখরুল নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোয়া : বিপর্যস্ত নিম্ন আয়ের জীবনযাত্রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৮ হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮১৮ ৪ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট টেকনাফে দিনে দুপুরে বাস থামিয়ে ৫৭ লাখ টাকা লুট গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, ভোটগ্রহণের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার জাতিসংঘের বক্তব্য যথেষ্ট শক্তিশালী : মির্জা ফখরুল

ফাইল ফটো

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া ভাষণ ‘যথেষ্ট শক্তিশালী’ ছিল। তিনি বলেন, বিএনপি নিশ্চিত যে আগামী ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগদানের পর নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভাষণ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তিনি (অধ্যাপক ইউনূস) এসব বিষয় বারবার উল্লেখ করছেন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো সন্দেহ নেই। আমরা নিশ্চিত যে নির্বাচন ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এই হবে।’

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ওই ভাষণে সরকারের সংস্কার কর্মসূচি ও জাতীয় ঐক্য উভয়ই প্রতিফলিত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে নিঃসন্দেহে সেই উদ্দেশ্যের কথাই বলেছেন, যার ভিত্তিতে তাদের সরকার গঠিত হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, তারা এমন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন যখন গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক দল ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে তাদের সেই দায়িত্ব দিয়েছিল।’

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি যে ভয়াবহ অবস্থায় ছিল এক বছরের মধ্যেই সরকার আপেক্ষিকভাবে ভালো অবস্থায় আনতে চেষ্টা করেছে। এসব বিষয়ও তার ভাষণে প্রতিফলিত হয়েছে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক ইউনূস ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে তার সরকার কাজ শুরু করেছে এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিও মোকাবিলা করেছে।

‘আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের প্রস্তাব দিয়ে আসছি। আপনারা জানেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম ২০১৬ সালে ভিশন ২০৩০ উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে কাঠামোগত ও রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া আমাদের নেতা তারেক রহমান ২০২২ সালে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার ও অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছিল,’ যোগ করেন বিএনপির মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল তা মৌলিক পরিবর্তনকে অপরিহার্য করে তুলেছিল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একদিকে রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন এবং অন্যদিকে অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কার না করলে জাতিকে এগিয়ে নেওয়া কঠিন হতো। এ কাজই তারা শুরু করেছেন। আজ তিনি সেই বিষয়গুলো জাতির সামনে যেমন উপস্থাপন করেছেন, তেমনি জাতিসংঘের বৈশ্বিক ফোরামেও তুলে ধরেছেন।’

প্রধান উপদেষ্টার অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব খুশি যে, ইতিহাসে প্রথমবার তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকারের কাজে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাদেরকে জাতিসংঘে সঙ্গে নিয়েছেন। তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জাতির ঐক্য প্রদর্শন।’

ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এটি এক অনন্য উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এজন্য আমরা পূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছি এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানও এটিকে সমর্থন করেছেন।’

জামায়াতে ইসলামী আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) ইস্যুতে আন্দোলন চালাচ্ছে— এমন প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিএনপি নিম্নকক্ষে পিআরের পক্ষে নয়, এমনকি উচ্চকক্ষেও এর পক্ষে আমরা কথা বলিনি। এ ধরনের বিষয়গুলো পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।’

ডিম ছোড়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মামলা করলেন এনসিপি’র আখতার

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

“চেহারা কোথায়, শুধু আওয়াজ শোনা যায়”: হাসিনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট, ভোটগ্রহণের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো

০৬ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার জাতিসংঘের বক্তব্য যথেষ্ট শক্তিশালী : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৫:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া ভাষণ ‘যথেষ্ট শক্তিশালী’ ছিল। তিনি বলেন, বিএনপি নিশ্চিত যে আগামী ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগদানের পর নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ভাষণ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তিনি (অধ্যাপক ইউনূস) এসব বিষয় বারবার উল্লেখ করছেন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো সন্দেহ নেই। আমরা নিশ্চিত যে নির্বাচন ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এই হবে।’

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ওই ভাষণে সরকারের সংস্কার কর্মসূচি ও জাতীয় ঐক্য উভয়ই প্রতিফলিত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে নিঃসন্দেহে সেই উদ্দেশ্যের কথাই বলেছেন, যার ভিত্তিতে তাদের সরকার গঠিত হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, তারা এমন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন যখন গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক দল ও শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে তাদের সেই দায়িত্ব দিয়েছিল।’

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি যে ভয়াবহ অবস্থায় ছিল এক বছরের মধ্যেই সরকার আপেক্ষিকভাবে ভালো অবস্থায় আনতে চেষ্টা করেছে। এসব বিষয়ও তার ভাষণে প্রতিফলিত হয়েছে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, অধ্যাপক ইউনূস ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে তার সরকার কাজ শুরু করেছে এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিও মোকাবিলা করেছে।

‘আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের প্রস্তাব দিয়ে আসছি। আপনারা জানেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম ২০১৬ সালে ভিশন ২০৩০ উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে কাঠামোগত ও রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া আমাদের নেতা তারেক রহমান ২০২২ সালে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার ও অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছিল,’ যোগ করেন বিএনপির মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল তা মৌলিক পরিবর্তনকে অপরিহার্য করে তুলেছিল।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একদিকে রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন এবং অন্যদিকে অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কার না করলে জাতিকে এগিয়ে নেওয়া কঠিন হতো। এ কাজই তারা শুরু করেছেন। আজ তিনি সেই বিষয়গুলো জাতির সামনে যেমন উপস্থাপন করেছেন, তেমনি জাতিসংঘের বৈশ্বিক ফোরামেও তুলে ধরেছেন।’

প্রধান উপদেষ্টার অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব খুশি যে, ইতিহাসে প্রথমবার তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকারের কাজে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাদেরকে জাতিসংঘে সঙ্গে নিয়েছেন। তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জাতির ঐক্য প্রদর্শন।’

ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এটি এক অনন্য উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এজন্য আমরা পূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছি এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানও এটিকে সমর্থন করেছেন।’

জামায়াতে ইসলামী আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) ইস্যুতে আন্দোলন চালাচ্ছে— এমন প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিএনপি নিম্নকক্ষে পিআরের পক্ষে নয়, এমনকি উচ্চকক্ষেও এর পক্ষে আমরা কথা বলিনি। এ ধরনের বিষয়গুলো পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।’

ডিম ছোড়ার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মামলা করলেন এনসিপি’র আখতার

Share this news as a Photo Card