শিরোনাম :
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ-জ্বালানি নিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টায় একটি চক্র: প্রধানমন্ত্রী তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর ফের গ্রেফতার হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমল, সমঝোতার পথে ইরান সড়কে একই নম্বরে একাধিক বাস, স্লিপার বাসে অসামাজিক কার্যকলাপ ও দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মিছিল চিকিৎসক সমাবেশ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ন্যাটো সদস্য দেশে রুশ হামলার আশঙ্কা,মার্কিন গোয়েন্দাদের নতুন সতর্কবার্তা “চেহারা কোথায়, শুধু আওয়াজ শোনা যায়”: হাসিনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে টেকসই হবে গণতন্ত্র: ফখরুল নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোয়া : বিপর্যস্ত নিম্ন আয়ের জীবনযাত্রা

সাকিবের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক ট্রেডিং ও গ্যাম্বলিং করে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করেন। এই কারসাজির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, প্রধান আসামি আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রীর সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার অবৈধ উৎসের অর্থ বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেছেন। এ ছাড়া তার ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আবুল খায়ের হিরু কর্তৃক কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং সোনালী পেপারের শেয়ারে সাকিব আল হাসান সরাসরি বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সাকিব এই ‘মার্কেট ম্যানিপুলেশনে’ সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ এর নামে আত্মসাৎ করেছেন।

আগামী ২০ মে আদালত এই মামলার তদন্ত অগ্রগতির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

মালয়েশিয়াকে উড়িয়ে বড় জয় বাংলাদেশ এইচপি দলের

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোয়া : বিপর্যস্ত নিম্ন আয়ের জীবনযাত্রা

০৭ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সাকিবের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে

আপডেট সময় ০৫:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক ট্রেডিং ও গ্যাম্বলিং করে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করেন। এই কারসাজির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, প্রধান আসামি আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রীর সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার অবৈধ উৎসের অর্থ বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেছেন। এ ছাড়া তার ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আবুল খায়ের হিরু কর্তৃক কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং সোনালী পেপারের শেয়ারে সাকিব আল হাসান সরাসরি বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সাকিব এই ‘মার্কেট ম্যানিপুলেশনে’ সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ এর নামে আত্মসাৎ করেছেন।

আগামী ২০ মে আদালত এই মামলার তদন্ত অগ্রগতির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন।

Share this news as a Photo Card