শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

সাকিবের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক ট্রেডিং ও গ্যাম্বলিং করে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করেন। এই কারসাজির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, প্রধান আসামি আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রীর সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার অবৈধ উৎসের অর্থ বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেছেন। এ ছাড়া তার ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আবুল খায়ের হিরু কর্তৃক কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং সোনালী পেপারের শেয়ারে সাকিব আল হাসান সরাসরি বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সাকিব এই ‘মার্কেট ম্যানিপুলেশনে’ সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ এর নামে আত্মসাৎ করেছেন।

আগামী ২০ মে আদালত এই মামলার তদন্ত অগ্রগতির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

সাকিবের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ২০ মে

আপডেট সময় ০৫:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নথি থেকে জানা গেছে, গত বছরের ১৭ মে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—সমবায় অধিদপ্তরের উপনিবন্ধক আবুল খায়ের হিরু, তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।

এজাহারে বলা হয়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক ট্রেডিং ও গ্যাম্বলিং করে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বৃদ্ধি করেন। এই কারসাজির মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করে মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের তদন্তে দেখা গেছে, প্রধান আসামি আবুল খায়ের হিরু তার স্ত্রীর সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার অবৈধ উৎসের অর্থ বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেছেন। এ ছাড়া তার ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আবুল খায়ের হিরু কর্তৃক কারসাজিকৃত প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং সোনালী পেপারের শেয়ারে সাকিব আল হাসান সরাসরি বিনিয়োগ করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সাকিব এই ‘মার্কেট ম্যানিপুলেশনে’ সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ এর নামে আত্মসাৎ করেছেন।

আগামী ২০ মে আদালত এই মামলার তদন্ত অগ্রগতির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন।