ভারতের অবস্থাও বাংলাদেশের মতো হতে পারত : কঙ্গনা

হিমাচল প্রদেশের মান্ডির বিজেপির এমপি ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত বলেছেন নরেন্দ্র মোদির সরকার কৃষক আন্দোলন নিয়ে কঠোর না হলে ভারতের অবস্থাও বাংলাদেশের মতো হতে পারত।

৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই প্রসঙ্গ তুলে এক এক্স বার্তায় কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন কঙ্গনা।

এক্স এ শেয়ার করা ভিডিওতে কঙ্গনা অভিযোগ করেন, খামার আইনের বিরুদ্ধে কৃষকদের আন্দোলনের সময় মৃতদেহ ঝুলতে দেখা গেছে এবং ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। আইন প্রত্যাহার করার পরও বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার জন্য অভিনেতা-রাজনীতিবিদ, স্বার্থান্বেষী মহল এবং বিদেশি শক্তি দায়ী। বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা এখানেও সহজেই ঘটতে পারত। বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র আছে এবং এরা তাই রপ্ত করে। দেশ কুকুরের কাছে গেলে তাদের কিছু যায় আসে না।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঙ্গনার এই মন্তব্যে তার নিজের দলের মধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। পাঞ্জাবের সিনিয়র বিজেপি নেতা হারজিৎ গারেওয়াল রানাউতকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন : বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেন-মোদি ফোনালাপ

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে খুলে গেছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা আসামির হাতে হাতকড়া

২৯ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ভারতের অবস্থাও বাংলাদেশের মতো হতে পারত : কঙ্গনা

আপডেট সময় ০১:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

হিমাচল প্রদেশের মান্ডির বিজেপির এমপি ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত বলেছেন নরেন্দ্র মোদির সরকার কৃষক আন্দোলন নিয়ে কঠোর না হলে ভারতের অবস্থাও বাংলাদেশের মতো হতে পারত।

৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই প্রসঙ্গ তুলে এক এক্স বার্তায় কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে কথা বলেন কঙ্গনা।

এক্স এ শেয়ার করা ভিডিওতে কঙ্গনা অভিযোগ করেন, খামার আইনের বিরুদ্ধে কৃষকদের আন্দোলনের সময় মৃতদেহ ঝুলতে দেখা গেছে এবং ধর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। আইন প্রত্যাহার করার পরও বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার জন্য অভিনেতা-রাজনীতিবিদ, স্বার্থান্বেষী মহল এবং বিদেশি শক্তি দায়ী। বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা এখানেও সহজেই ঘটতে পারত। বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র আছে এবং এরা তাই রপ্ত করে। দেশ কুকুরের কাছে গেলে তাদের কিছু যায় আসে না।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঙ্গনার এই মন্তব্যে তার নিজের দলের মধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। পাঞ্জাবের সিনিয়র বিজেপি নেতা হারজিৎ গারেওয়াল রানাউতকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন : বাংলাদেশ নিয়ে বাইডেন-মোদি ফোনালাপ

Share this news as a Photo Card