শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

সুযোগ হারালো নোয়াখালী; জিতলো রাজশাহী

এবারের বিপিএলে প্রথমবার রান পেয়েছিলেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের টপঅর্ডার ব্যাটাররা। এতে প্রথমবার দেড়শ ছাড়ানো পুঁজি পেয়েছিল নবাগত দলটি। তবে শক্তিশালী রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সামনে সেটি বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা দুই বিদেশি মোহাম্মদ ওয়াসিম আর রায়ান বার্লের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে নোয়াখালী। জবাব দিতে নেমে ১৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী। জয় পায় ৪ উইকেটের।

রান তাড়ায় নেমে রাজশাহীর দুই ওপেনার ছিলেন দুই ভূমিকায়। তানজিদ হাসান তামিম দেখে খেলার চেষ্টায় থাকলেও প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ওয়াসিম ছিলেন আগ্রাসী। অবশ্য ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তামিম। ২০ বলে ২১ রানে ফিরেছেন তিনি।

তিনে নামা নাজমুল শান্ত উইকেটে দাঁড়াতেই পারেননি, ৩ বলে ১ রান করেই ফেরেন তিনি। একপ্রান্ত আগলে রাখা ওয়াসিম জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। ৪৪ রানের এই জুটি রাজশাহীতে জয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু দ্রুতই চার উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী।

মুশফিকুর রহিম ফেরেন ২২ বলে ১৯ রানে। দ্রুতই ফিরে যান ইয়াসির আলী, করেন ৬ বলে ৯। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ওয়াসিমও কাটা পড়েন দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে। এর আগে ৩৫ বলে ৬০ রান করেন তিনি। এসএম মেহরবও ফেরেন ৯ বলে ৮ রান করে।

এতে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে, বার্ল একপ্রান্ত আগলে রেখে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নোঙর করান। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থাকেন ১৮ বলে ১৯ রানে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী। প্রতিটি ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও একাদশে পরিবর্তন আনেন নোয়াখালীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। প্রথমবার একাদশে সুযোগ পান শাহাদাত হোসেন দিপু। সেটি কাজেও লাগিয়েছেন তিনি। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেনিং করতে নেমে টুর্নামেন্টে প্রথমবার পঞ্চাশ পেরোনো জুটি এনে দেন নোয়াখালীকে। একই সঙ্গে এই প্রথম পাওয়ার-প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি নোয়াখালী।

সপ্তম ওভারের শেষ বলে দিপু ফিরলে ভাঙে ৫৭ রানের জুটি। ২৮ বলে ৩০ রান করেন তিনি। তিন নম্বরে নেমে অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি মাজ সাদাকাত, ১৩ বলে ৭ রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর শিকার হন তিনি।

একপ্রান্ত আগলে রাখা সৌম্য এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবীকে নিয়ে। তবে সেটি বেশিক্ষণ টিকেনি। হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৪৩ বলে জার্সি নম্বরের সমান ৫৯ রান করে ফেরেন সৌম্য।

এরপর নবী ২৬ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে দেড়শ পার করা পুঁজি এনে দেন। মাঝখানে আবারও ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৫ বলে ১০)।

রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিপন মন্ডল। একটি করে উইকেট গেছে হাসান মুরাদ, শান্ত আর বিনুরা ফার্নান্দোর ঝুলিতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নোয়াখালী এক্সপ্রেস : ২০ ওভারে ১৫১/৫ (দিপু ৩০, সৌম্য ৫৯, সাদাকাত ৭, নবী ৩৫, মাহিদুল ১০, হায়দার ৩*, জাকের ১*; বিনুরা ৪-০-৩০-১, মেহরব ৪-০-২১-০, সাকিব ৪-০-৪৩-০, রিপন ৪-০-২৭-২, বার্ল ১-০-৮-০, শান্ত ১-০-১-১, হাসান মুরাদ ২-০-২০-১)

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : ২০ ওভারে ১৫২/৬ (তামিম ২১, শান্ত ১, ওয়াসিম ৬০, মুশফিক ১৯, ইয়াসির ৯, মেহরব ৮, বার্ল ১৯*, সাকিব ১*; হাসান ৪-১-৩৬-১, নবী ৪-০-২৬-১, আবু জায়েদ ১-০-১৬-০, রানা ৪-০-২৫-৩, জাহির ৪-০-২৮-০, সাদাকাত ২-০-১১-০)

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সুযোগ হারালো নোয়াখালী; জিতলো রাজশাহী

আপডেট সময় ০৬:০৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবারের বিপিএলে প্রথমবার রান পেয়েছিলেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের টপঅর্ডার ব্যাটাররা। এতে প্রথমবার দেড়শ ছাড়ানো পুঁজি পেয়েছিল নবাগত দলটি। তবে শক্তিশালী রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সামনে সেটি বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা দুই বিদেশি মোহাম্মদ ওয়াসিম আর রায়ান বার্লের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে নোয়াখালী। জবাব দিতে নেমে ১৯ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী। জয় পায় ৪ উইকেটের।

রান তাড়ায় নেমে রাজশাহীর দুই ওপেনার ছিলেন দুই ভূমিকায়। তানজিদ হাসান তামিম দেখে খেলার চেষ্টায় থাকলেও প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা ওয়াসিম ছিলেন আগ্রাসী। অবশ্য ইনিংস লম্বা করতে পারেননি তামিম। ২০ বলে ২১ রানে ফিরেছেন তিনি।

তিনে নামা নাজমুল শান্ত উইকেটে দাঁড়াতেই পারেননি, ৩ বলে ১ রান করেই ফেরেন তিনি। একপ্রান্ত আগলে রাখা ওয়াসিম জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে। ৪৪ রানের এই জুটি রাজশাহীতে জয়ের পথে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু দ্রুতই চার উইকেট হারিয়ে ফেলে রাজশাহী।

মুশফিকুর রহিম ফেরেন ২২ বলে ১৯ রানে। দ্রুতই ফিরে যান ইয়াসির আলী, করেন ৬ বলে ৯। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে হাফসেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ওয়াসিমও কাটা পড়েন দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে। এর আগে ৩৫ বলে ৬০ রান করেন তিনি। এসএম মেহরবও ফেরেন ৯ বলে ৮ রান করে।

এতে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে, বার্ল একপ্রান্ত আগলে রেখে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের বন্দরে নোঙর করান। শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত থাকেন ১৮ বলে ১৯ রানে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে নোয়াখালী। প্রতিটি ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও একাদশে পরিবর্তন আনেন নোয়াখালীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। প্রথমবার একাদশে সুযোগ পান শাহাদাত হোসেন দিপু। সেটি কাজেও লাগিয়েছেন তিনি। সৌম্য সরকারের সঙ্গে ওপেনিং করতে নেমে টুর্নামেন্টে প্রথমবার পঞ্চাশ পেরোনো জুটি এনে দেন নোয়াখালীকে। একই সঙ্গে এই প্রথম পাওয়ার-প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি নোয়াখালী।

সপ্তম ওভারের শেষ বলে দিপু ফিরলে ভাঙে ৫৭ রানের জুটি। ২৮ বলে ৩০ রান করেন তিনি। তিন নম্বরে নেমে অবশ্য সুবিধা করতে পারেননি মাজ সাদাকাত, ১৩ বলে ৭ রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর শিকার হন তিনি।

একপ্রান্ত আগলে রাখা সৌম্য এরপর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবীকে নিয়ে। তবে সেটি বেশিক্ষণ টিকেনি। হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৪৩ বলে জার্সি নম্বরের সমান ৫৯ রান করে ফেরেন সৌম্য।

এরপর নবী ২৬ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলে দলকে দেড়শ পার করা পুঁজি এনে দেন। মাঝখানে আবারও ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন (৫ বলে ১০)।

রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন রিপন মন্ডল। একটি করে উইকেট গেছে হাসান মুরাদ, শান্ত আর বিনুরা ফার্নান্দোর ঝুলিতে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নোয়াখালী এক্সপ্রেস : ২০ ওভারে ১৫১/৫ (দিপু ৩০, সৌম্য ৫৯, সাদাকাত ৭, নবী ৩৫, মাহিদুল ১০, হায়দার ৩*, জাকের ১*; বিনুরা ৪-০-৩০-১, মেহরব ৪-০-২১-০, সাকিব ৪-০-৪৩-০, রিপন ৪-০-২৭-২, বার্ল ১-০-৮-০, শান্ত ১-০-১-১, হাসান মুরাদ ২-০-২০-১)

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : ২০ ওভারে ১৫২/৬ (তামিম ২১, শান্ত ১, ওয়াসিম ৬০, মুশফিক ১৯, ইয়াসির ৯, মেহরব ৮, বার্ল ১৯*, সাকিব ১*; হাসান ৪-১-৩৬-১, নবী ৪-০-২৬-১, আবু জায়েদ ১-০-১৬-০, রানা ৪-০-২৫-৩, জাহির ৪-০-২৮-০, সাদাকাত ২-০-১১-০)

Share this news as a Photo Card