শিরোনাম :
আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর শিল্পমালিক ও সাবেক মন্ত্রীরা পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তায় ঢাকা ও আশপাশে মোতায়েন ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

টাইফয়েড প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু ১২ অক্টোবর

পঞ্চগড় জেলায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী তিন লাখ ৬২ হাজার ১৭৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, যা চলবে ২০ কার্যদিবস। এর মধ্যে প্রথম ১২ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এবং পরবর্তী ৮ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত শিশুদের জন্য কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, জেলার ১ হাজার ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ১ হাজার ৬২টি কেন্দ্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত এক লাখ ১৪ হাজার ৯২৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছেন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন বলেন, “দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু ছড়ায়। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “টিকা সম্পর্কে অনেক অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এসব অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন, তাহলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত জাহান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফাত বিন শাহ, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার হাসিবুর রহমান লাবুসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রামে জেলা শিল্পী কল্যাণ সোসাইটির যাত্রা শুরু

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মাল্টা পাইকারিতে ১৮৫, খুচরায় ৩৯০ টাকা: দামে এত ফারাক কেন

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

টাইফয়েড প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু ১২ অক্টোবর

আপডেট সময় ০৫:১২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

পঞ্চগড় জেলায় নয় মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী তিন লাখ ৬২ হাজার ১৭৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি, যা চলবে ২০ কার্যদিবস। এর মধ্যে প্রথম ১২ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক এবং পরবর্তী ৮ কার্যদিবস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত শিশুদের জন্য কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

তিনি জানান, জেলার ১ হাজার ৮৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থীকে এবং ১ হাজার ৬২টি কেন্দ্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত এক লাখ ১৪ হাজার ৯২৭ জন শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চেয়েছেন সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন বলেন, “দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে টাইফয়েডের জীবাণু ছড়ায়। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, “টিকা সম্পর্কে অনেক অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়, যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এসব অপতথ্য প্রতিরোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকরা যদি সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেন, তাহলে এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর ইমিউনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা. সিফাত জাহান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. সাফাত বিন শাহ, জেলা ইপিআই সুপারভাইজার হাসিবুর রহমান লাবুসহ জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমের অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।

Share this news as a Photo Card