শিরোনাম :
গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে আসছে ৩–৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী আইনি ও আনুপাতিক হতে হবে পুলিশের বলপ্রয়োগ: তথ্য উপদেষ্টা ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে উত্তাল আশুলিয়া, মিরপুর, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ মজুরি বোর্ড গঠনের পরও উত্তাল শিল্পাঞ্চল, কারখানা বন্ধ কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নার্সের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজনকে লাঞ্ছিতের অভিযোগ এমবাপ্পের মন্তব্যের জেরে রিয়ালের ম্যাচ দেখায়নি চীন বিকাশ-নগদ-রকেটের বাড়তি চার্জ কেন অবৈধ নয়, হাইকোর্টের রুল ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সাজেকে ফের অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ ডলারের অস্ত্রকে ভোঁতা করতে রেনমিনবির পথে এগোচ্ছে চীন, কীভাবে

ভূরুঙ্গামারীতে ৬ মাসের বেতন বকেয়া, অবরুদ্ধ মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারী

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ছয় মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে একটি এমপিওভুক্ত দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাদ্রাসার অফিসকক্ষে সুপার ও অফিস সহকারীকে তালাবদ্ধ করে রেখে কক্ষের সামনে বারান্দায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।

অবরুদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান।

বিক্ষোভকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, নিয়োগসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুপার ও অফিস সহকারীর মধ্যে বিরোধ চলছে।
এর জেরে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ছাড়ের প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। ফলে গত ছয় মাস ধরে বেতন না পেয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন তাঁরা।

সহকারী শিক্ষক ইমরুল কায়েস বলেন, ‘সুপার আমাদের বেতন আটকে রেখেছেন। ছয় মাস ধরে বেতন-ভাতা না পেয়ে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। বাধ্য হয়ে আজ তাঁদের দুজনকে অবরুদ্ধ করেছি। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে না।’

সহকারী শিক্ষক রত্না পারভিন বলেন, দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা না পাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তাঁরা বিক্ষোভে নেমেছেন।

সহকারী মৌলভী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের অবরুদ্ধ রাখা হবে। বেতন-ভাতা পেলে তাঁরা আবার পাঠদানে ফিরবেন।

তবে শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষকদের বেতন আটকে রাখিনি। বেতন-ভাতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছিলাম। কিন্তু অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান সেগুলো নিয়ে গেছেন।’

অন্যদিকে অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন দেওয়ার বিষয়ে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। সুপারের অভিযোগ সঠিক নয়।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য মাদ্রাসার সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে আসছে ৩–৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ডলারের অস্ত্রকে ভোঁতা করতে রেনমিনবির পথে এগোচ্ছে চীন, কীভাবে

০২ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ভূরুঙ্গামারীতে ৬ মাসের বেতন বকেয়া, অবরুদ্ধ মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারী

আপডেট সময় ১২:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ছয় মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবিতে একটি এমপিওভুক্ত দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাদ্রাসার অফিসকক্ষে সুপার ও অফিস সহকারীকে তালাবদ্ধ করে রেখে কক্ষের সামনে বারান্দায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন তাঁরা।

অবরুদ্ধ ব্যক্তিরা হলেন মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান।

বিক্ষোভকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, নিয়োগসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সুপার ও অফিস সহকারীর মধ্যে বিরোধ চলছে।
এর জেরে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ছাড়ের প্রক্রিয়া বন্ধ রয়েছে। ফলে গত ছয় মাস ধরে বেতন না পেয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন তাঁরা।

সহকারী শিক্ষক ইমরুল কায়েস বলেন, ‘সুপার আমাদের বেতন আটকে রেখেছেন। ছয় মাস ধরে বেতন-ভাতা না পেয়ে আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। বাধ্য হয়ে আজ তাঁদের দুজনকে অবরুদ্ধ করেছি। সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে না।’

সহকারী শিক্ষক রত্না পারভিন বলেন, দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা না পাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ জোগাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ অবস্থায় বাধ্য হয়েই তাঁরা বিক্ষোভে নেমেছেন।

সহকারী মৌলভী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম বলেন, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের অবরুদ্ধ রাখা হবে। বেতন-ভাতা পেলে তাঁরা আবার পাঠদানে ফিরবেন।

তবে শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি শিক্ষকদের বেতন আটকে রাখিনি। বেতন-ভাতার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করেছিলাম। কিন্তু অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান সেগুলো নিয়ে গেছেন।’

অন্যদিকে অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে বেতন দেওয়ার বিষয়ে তাঁর কোনো আপত্তি নেই। সুপারের অভিযোগ সঠিক নয়।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করে রাখার খবর পেয়ে বিষয়টি সমাধানের জন্য মাদ্রাসার সভাপতিকে অবহিত করা হয়েছে।

Share this news as a Photo Card