শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

এক সিরিয়াল কিলারের বিচার চলছে : তাজুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। দেশের ইতিহাসে সিরিয়াল কিলার হিসেবে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছেন, তেমন একজনের বিচার এই ট্রাইব্যুনালে চলছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী হিসেবে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জবানবন্দি দেওয়াকে কেন্দ্র করে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, তার (জিয়াউল) বিরুদ্ধে বলপূর্বক অপহরণ-গুম করে মানুষদের হত্যা করার যে অভিযোগ প্রসিকিউশন এনেছে, সে মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তিনি অত্যন্ত আলোচিত, মেধাবী ও অত্যন্ত দূরদর্শী একজন সেনাপ্রধান ছিলেন। কীভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব নষ্ট করা হয়েছে, তিনি তা তুলে ধরেছেন এই জবানবন্দিতে।

তাজুল ইসলাম বলেন, একজন সাবেক সেনাপ্রধান হিসেবে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তিনি সেই ব্যবস্থাগুলো কীভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করেছেন এবং তার চেষ্টাগুলোকে কীভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিকের নেতৃত্বে যে চক্র তৈরি হয়েছিল, তারা কীভাবে এটাকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সেই কথাগুলো আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এ ছাড়া কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদ তৈরির মাধ্যমে একটা ডিপ স্টেট তৈরি করা হয় এবং সেনাবাহিনীর কমান্ডের বাইরে আরেকটি কমান্ড স্ট্রাকচার তৈরি করা হয়। সেই কমান্ড স্ট্রাকচারকে সেনাবাহিনীর কোনো অংশকে দিয়ে তাদের নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম করা হয়েছে বলে সাবেক সেনাপ্রধান তার সাক্ষ্যতে বলেছেন। সর্বোপরি সাবেক এই সেনাপ্রধান আজ যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন, তিনি সেই সময়ে কর্নেল জিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কীভাবে মানুষ হত্যা করেছেন, র‍্যাবে গিয়ে গুম করে মানুষ হত্যার ব্যাপারে তার যে দক্ষতা ও বেপরোয়া মনোভাব ছিল, সেসব বিষয় আদালতে তুলে ধরেছেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

এক সিরিয়াল কিলারের বিচার চলছে : তাজুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৭:৪২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের বিচারের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন আজ। দেশের ইতিহাসে সিরিয়াল কিলার হিসেবে যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করেছেন, তেমন একজনের বিচার এই ট্রাইব্যুনালে চলছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক গুম ও খুনের দায়ে অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী হিসেবে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার জবানবন্দি দেওয়াকে কেন্দ্র করে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, তার (জিয়াউল) বিরুদ্ধে বলপূর্বক অপহরণ-গুম করে মানুষদের হত্যা করার যে অভিযোগ প্রসিকিউশন এনেছে, সে মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তিনি অত্যন্ত আলোচিত, মেধাবী ও অত্যন্ত দূরদর্শী একজন সেনাপ্রধান ছিলেন। কীভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব নষ্ট করা হয়েছে, তিনি তা তুলে ধরেছেন এই জবানবন্দিতে।

তাজুল ইসলাম বলেন, একজন সাবেক সেনাপ্রধান হিসেবে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করার জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তিনি সেই ব্যবস্থাগুলো কীভাবে গ্রহণ করার চেষ্টা করেছেন এবং তার চেষ্টাগুলোকে কীভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তারিক আহমেদ সিদ্দিকের নেতৃত্বে যে চক্র তৈরি হয়েছিল, তারা কীভাবে এটাকে ব্যর্থ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন সেই কথাগুলো আদালতের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘এ ছাড়া কীভাবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদ তৈরির মাধ্যমে একটা ডিপ স্টেট তৈরি করা হয় এবং সেনাবাহিনীর কমান্ডের বাইরে আরেকটি কমান্ড স্ট্রাকচার তৈরি করা হয়। সেই কমান্ড স্ট্রাকচারকে সেনাবাহিনীর কোনো অংশকে দিয়ে তাদের নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম করা হয়েছে বলে সাবেক সেনাপ্রধান তার সাক্ষ্যতে বলেছেন। সর্বোপরি সাবেক এই সেনাপ্রধান আজ যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন, তিনি সেই সময়ে কর্নেল জিয়া নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কীভাবে মানুষ হত্যা করেছেন, র‍্যাবে গিয়ে গুম করে মানুষ হত্যার ব্যাপারে তার যে দক্ষতা ও বেপরোয়া মনোভাব ছিল, সেসব বিষয় আদালতে তুলে ধরেছেন বলে জানান চিফ প্রসিকিউটর।