শিরোনাম :
গুলিবিদ্ধ শাকিলের ফিরে আসার গল্প, এখনো থামেনি কষ্ট হাম চিকিৎসায় ঋণে জর্জরিত দেশের অধিকাংশ পরিবার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরশক্তি বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা স্থানীয় নির্বাচনে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা পায়নি ইসি পঞ্চগড়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে চা বাগান দখলচেষ্টার অভিযোগ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে দিতে চায় সরকার, শঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু বেনজীরকে ফেরাতে সরকারের প্রক্রিয়া শুরু, জানালেন উপদেষ্টা

বইয়ের মানে ছাড় দিচ্ছে না এনসিটিবি, বিতরণে শঙ্কা

প্রাথমিকের সব বই আজ রোববারের (৫ জানুয়ারি) মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা পূরণ করতে পারেনি সরকার। তাছাড়া ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে সব শ্রেণির বই বিতরণ সম্ভব হবে কি না তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

যদিও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানায়, বই মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মতো নিম্ন মানের বই ছাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই বই বিতরণ বিলম্ব হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নানা অজুহাত দেখিয়ে এনসিটিবির কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. রিয়াদ চৌধুরীর কাছে বই মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা আরও কিছু সময় চান। তবে তিনি বাড়তি সময় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই সরবরাহের কথা বলেন।

অধিকাংশ কারখানাতেই বই ছাপানোর তোড়জোড় চলছে। তবে কিছু কারখানাতে ২৪ ঘণ্টা ছাপানোর কাজ চলছে না। আবার শ্রমিক সংকটের অযুহাতেও বন্ধ রয়েছে একাধিক কারখানা। যদিও ২৪ ঘণ্টাই কাজ চলছে বলে দাবি করেছেন মালিকরা। এমন পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের বই সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, এবার বইয়ের মানে কোনো ছাড় দেয়া হচ্ছে না। ভালো মানের কাগজ আনতে দেরি করায় কাজ দেরিতে শুরু হয়েছে।

একজন শ্রমিক বলেন, গত ১০ বছরে এরকম কাগজে বই ছাপা হয়নি। আগে ভালো মানের কথা বলে নিম্নমানের কাগজ দিয়ে বই ছাপানো হতো।

এদিকে, এনসিটিবির কর্মকর্তারা প্রতিদিনই কারখানাগুলো তদারকি করছেন। বইয়ের মান ভালো না হওয়ায় মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানকে কয়েক লাখ বই ফিরিয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

একজন কারখানা মালিক বলেন, আগে কম মানের কাগজ দিয়ে বই ছাপানোর ঘটনা থাকলেও এবার তা করার সুযোগ নেই।

এনসিটিবি জানায়, মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো টেন্ডার নেয়ার সময় ১১ দিনে বই দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে কম মানের কাগজে বই ছাপানোর সুযোগ না থাকায় তাদের নতুন করে ভালো মানের কাগজ সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, সময় স্বল্পতার সুযোগ নিয়ে কারখানাগুলো নিম্নমানের বই চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে থাকে। আগের দায়িত্বরতরা সেটি মেনে নিয়েছিল। তবে এবার সেই সুযোগ নেই।

২০২৪ ও ২০২৫ সালের তৃতীয় শ্রেণির দুটি বইয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। ২০২৫ সালের বইগুলো ভারী ও উজ্বল। কাগজের মানে ছাড় দিলে সময়সীমা রক্ষা করা যেতো বলে দাবি এনসিটিবি’র।

প্রসঙ্গত, মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান কে কোন জেলায় বই পাঠাবে তা টেন্ডারের সময় ঠিক করে দেয়া হয়। তাই আগে বই ছাপাতে পারা প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত জেলায় আগে বই যাচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

বেনজীরকে ফেরাতে সরকারের প্রক্রিয়া শুরু, জানালেন উপদেষ্টা

০২ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

বইয়ের মানে ছাড় দিচ্ছে না এনসিটিবি, বিতরণে শঙ্কা

আপডেট সময় ১১:৪৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৫

প্রাথমিকের সব বই আজ রোববারের (৫ জানুয়ারি) মধ্যে বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা পূরণ করতে পারেনি সরকার। তাছাড়া ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২০ জানুয়ারির মধ্যে সব শ্রেণির বই বিতরণ সম্ভব হবে কি না তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে।

যদিও জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানায়, বই মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মতো নিম্ন মানের বই ছাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই বই বিতরণ বিলম্ব হচ্ছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, নানা অজুহাত দেখিয়ে এনসিটিবির কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. রিয়াদ চৌধুরীর কাছে বই মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা আরও কিছু সময় চান। তবে তিনি বাড়তি সময় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বই সরবরাহের কথা বলেন।

অধিকাংশ কারখানাতেই বই ছাপানোর তোড়জোড় চলছে। তবে কিছু কারখানাতে ২৪ ঘণ্টা ছাপানোর কাজ চলছে না। আবার শ্রমিক সংকটের অযুহাতেও বন্ধ রয়েছে একাধিক কারখানা। যদিও ২৪ ঘণ্টাই কাজ চলছে বলে দাবি করেছেন মালিকরা। এমন পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের বই সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, এবার বইয়ের মানে কোনো ছাড় দেয়া হচ্ছে না। ভালো মানের কাগজ আনতে দেরি করায় কাজ দেরিতে শুরু হয়েছে।

একজন শ্রমিক বলেন, গত ১০ বছরে এরকম কাগজে বই ছাপা হয়নি। আগে ভালো মানের কথা বলে নিম্নমানের কাগজ দিয়ে বই ছাপানো হতো।

এদিকে, এনসিটিবির কর্মকর্তারা প্রতিদিনই কারখানাগুলো তদারকি করছেন। বইয়ের মান ভালো না হওয়ায় মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানকে কয়েক লাখ বই ফিরিয়ে দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

একজন কারখানা মালিক বলেন, আগে কম মানের কাগজ দিয়ে বই ছাপানোর ঘটনা থাকলেও এবার তা করার সুযোগ নেই।

এনসিটিবি জানায়, মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো টেন্ডার নেয়ার সময় ১১ দিনে বই দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে কম মানের কাগজে বই ছাপানোর সুযোগ না থাকায় তাদের নতুন করে ভালো মানের কাগজ সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম রিয়াজুল হাসান বলেন, সময় স্বল্পতার সুযোগ নিয়ে কারখানাগুলো নিম্নমানের বই চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে থাকে। আগের দায়িত্বরতরা সেটি মেনে নিয়েছিল। তবে এবার সেই সুযোগ নেই।

২০২৪ ও ২০২৫ সালের তৃতীয় শ্রেণির দুটি বইয়ের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। ২০২৫ সালের বইগুলো ভারী ও উজ্বল। কাগজের মানে ছাড় দিলে সময়সীমা রক্ষা করা যেতো বলে দাবি এনসিটিবি’র।

প্রসঙ্গত, মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান কে কোন জেলায় বই পাঠাবে তা টেন্ডারের সময় ঠিক করে দেয়া হয়। তাই আগে বই ছাপাতে পারা প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত জেলায় আগে বই যাচ্ছে।

Share this news as a Photo Card