শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

ভালো নেই খোকসার কাপড় ব্যবসায়ীরা

খোকসা কাপড় ব্যবসায়ীদের মুখে নেই হাসি। বিক্রি নিয়ে রয়েছেন চিন্তায়। আসন্ন ঈদ-উল আজাহাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দামের কাপড় তুলেছেন খোকসার কাপড় ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তার অর্ধেকও বিক্রি হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

আজ রবিবার ( ২৪ মে) খোকসা বাজারের বিভিন্ন কাপড় দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে অলস সময় পার করছেন তারা। কয়েকটি দোকানে এক থেকে ২ জন থাকলে ক্রেতা রয়েছেন।

কাপড় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর পারভেজ জানান, আমি পঞ্চাশ হাজার টাকার মাল তুলেছি। এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ হাজার টাকার মাল বিক্রয় করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে একটা ক্রেতাও দোকানে আসেনি।

কাপড় ব্যবসায়ী রাজু শেখ জানান, আমি প্রায় সতের বছর ধরে কাপড়ের ব্যবসা করছি। আগের তুলনায় কাপড়ের দোকান বেড়েছে তিনগুণ। শুধু বাজারেই রয়েছে দেড়’শ এর অধিক। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাজারেও কাপড়ের দোকান বেড়ে গেছে। ফলে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে চাঁদরাত পর্যন্ত বিক্রি হবে। কিছুটা বিক্রি বাড়তে পারে বলে আমি আশা করি।

আরেক ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ শেখ জানান, আমি এই ঈদকে কেন্দ্র করে দেড় লক্ষ টাকার কাপড় এনেছি। এখন পর্যন্ত মাত্র পঁচিশ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি হয়েছে। তবে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। গত রমজানে আমার দোকানে তিনজন কর্মচারী রেখেছিলাম, কিন্তু এবার শুধুমাত্র একজনকে রাখা হয়েছে।

খোকসাতে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাবুব আলম চঞ্চল জানান, করোনার সময়ও আমরা এর থেকে ভালো ব্যবসা করেছি৷ কিন্তু এবারে তার থেকেও খারাপ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, খোকসা মূলত কৃষি নির্ভর এলাকা। এবারে কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ। বেশিরভাগ পেয়াজ পচে যাচ্ছে। ভালো দাম পাচ্ছেন না তারা। ফলে বাজারে লোকজন কম। তাছাড়া কাপড়ের দাম বাড়েনি। কিন্তু সেই তুলনায় বিক্রি নাই বললেই চলে।

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ভালো নেই খোকসার কাপড় ব্যবসায়ীরা

আপডেট সময় ০৪:৫৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

খোকসা কাপড় ব্যবসায়ীদের মুখে নেই হাসি। বিক্রি নিয়ে রয়েছেন চিন্তায়। আসন্ন ঈদ-উল আজাহাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দামের কাপড় তুলেছেন খোকসার কাপড় ব্যবসায়ীরা। কিন্তু তার অর্ধেকও বিক্রি হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

আজ রবিবার ( ২৪ মে) খোকসা বাজারের বিভিন্ন কাপড় দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে, দোকানে অলস সময় পার করছেন তারা। কয়েকটি দোকানে এক থেকে ২ জন থাকলে ক্রেতা রয়েছেন।

কাপড় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর পারভেজ জানান, আমি পঞ্চাশ হাজার টাকার মাল তুলেছি। এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ হাজার টাকার মাল বিক্রয় করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে একটা ক্রেতাও দোকানে আসেনি।

কাপড় ব্যবসায়ী রাজু শেখ জানান, আমি প্রায় সতের বছর ধরে কাপড়ের ব্যবসা করছি। আগের তুলনায় কাপড়ের দোকান বেড়েছে তিনগুণ। শুধু বাজারেই রয়েছে দেড়’শ এর অধিক। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় বাজারেও কাপড়ের দোকান বেড়ে গেছে। ফলে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে চাঁদরাত পর্যন্ত বিক্রি হবে। কিছুটা বিক্রি বাড়তে পারে বলে আমি আশা করি।

আরেক ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ শেখ জানান, আমি এই ঈদকে কেন্দ্র করে দেড় লক্ষ টাকার কাপড় এনেছি। এখন পর্যন্ত মাত্র পঁচিশ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি হয়েছে। তবে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। গত রমজানে আমার দোকানে তিনজন কর্মচারী রেখেছিলাম, কিন্তু এবার শুধুমাত্র একজনকে রাখা হয়েছে।

খোকসাতে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাবুব আলম চঞ্চল জানান, করোনার সময়ও আমরা এর থেকে ভালো ব্যবসা করেছি৷ কিন্তু এবারে তার থেকেও খারাপ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, খোকসা মূলত কৃষি নির্ভর এলাকা। এবারে কৃষকদের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই খারাপ। বেশিরভাগ পেয়াজ পচে যাচ্ছে। ভালো দাম পাচ্ছেন না তারা। ফলে বাজারে লোকজন কম। তাছাড়া কাপড়ের দাম বাড়েনি। কিন্তু সেই তুলনায় বিক্রি নাই বললেই চলে।