শিরোনাম :
ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ঢাকায় ফিরলেন ৩৫ বাংলাদেশি গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগে ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১২ জন উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে ভূমিমন্ত্রীকে সাজেকে গোলাগুলিতে আটকে পড়া ২,৯৩৩ পর্যটকে সড়ালো নিরাপত্তা বাহিনী আওয়ামী লীগ ও একটি ‘গুপ্ত’ দল যৌথভাবে চক্রান্ত শুরূ করছে: রিজভী ত্রিপক্ষীয় শান্তি আলোচনায় রাশিয়া, ইউক্রেন,যুক্তরাষ্ট্র মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন হামলার ছক কষছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ব্যাটিং ব্যর্থতায় ফাইনালের স্বপ্ন শেষ, দায় স্বীকার করলেন হৃদয় ১৩ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঢাকার যানজট কমাতে পুরোনো বাস সরানোসহ সরকারের চার উদ্যোগ

রাঙামাটিতে বন্যা: ৩০ গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ, সেনা সহায়তায় ফিরলেন সাজেকের পর্যটকরা

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বাঘাইছড়ি পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড এবং আটটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য চাল, ডাল, চিড়া, চিনি ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। অনেক পরিবার গৃহপালিত পশু নিয়েও নিরাপদ আশ্রয়ে উঠেছে। তবে দুর্গত এলাকার কিছু বাসিন্দার অভিযোগ, এখনও সব জায়গায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগকারী প্রধান সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় কয়েক শত পর্যটক আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়। সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রায় ১৫০ জন পর্যটক ফিরে গেলেও শুক্রবার সকালে আরও ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে, রাঙামাটির শুকুরছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি পিলার হেলে পড়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পুরো রাঙামাটি শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।
রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০৪টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, আরও ১২৯টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতালি, গ্রিস ও সাইপ্রাস থেকে ঢাকায় ফিরলেন ৩৫ বাংলাদেশি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঢাকার যানজট কমাতে পুরোনো বাস সরানোসহ সরকারের চার উদ্যোগ

২২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রাঙামাটিতে বন্যা: ৩০ গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয়কেন্দ্রে সাড়ে ৪ হাজার মানুষ, সেনা সহায়তায় ফিরলেন সাজেকের পর্যটকরা

আপডেট সময় ১২:৪৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বাঘাইছড়ি পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড এবং আটটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য চাল, ডাল, চিড়া, চিনি ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। অনেক পরিবার গৃহপালিত পশু নিয়েও নিরাপদ আশ্রয়ে উঠেছে। তবে দুর্গত এলাকার কিছু বাসিন্দার অভিযোগ, এখনও সব জায়গায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছেনি।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে সাজেকের সঙ্গে যোগাযোগকারী প্রধান সড়ক পানিতে ডুবে যাওয়ায় কয়েক শত পর্যটক আটকা পড়েন। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা শুরু হয়। সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রায় ১৫০ জন পর্যটক ফিরে গেলেও শুক্রবার সকালে আরও ৩১১ জন পর্যটক সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেন।
অন্যদিকে, রাঙামাটির শুকুরছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি পিলার হেলে পড়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত পুরো রাঙামাটি শহর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন ছিল।
রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০৪টি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসন জানিয়েছে, আরও ১২৯টি পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Share this news as a Photo Card