শিরোনাম :
আবুধাবিতে জয় থেকে ৭ উইকেট দূরে বাংলাদেশ, ড্রয়ের আশায় আফগানরা ‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ অপবাদ দিয়ে গৃহবধূর চুল কাটা, যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে পদযাত্রা, নয়াদিল্লিতে হাজারো মানুষের ঢল ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, চলতি বছর প্রাণহানি ৩০৭ জান্নাতুন হত্যা: ফরেনসিক পরীক্ষায় যাচ্ছে সোয়াব মন্দা ও মূল্যস্ফীতির সময় নীতি প্রবর্তনে নোবেল জিতলেন রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় দুই সেনা কর্মকর্তা (অব:) গ্রেপ্তার ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক পরিচয়েই অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

সাপ্তাহিক চলমান বার্তার ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ

দেখতে দেখতে কেটে গেল এক যুগ। নানা চড়াই উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে ‘সাপ্তাহিক চলমান বার্তা’ পদার্পণ করলো ত্রয়োদশ বছরে। ‘সত্যের সন্ধ্যানে, সমাজ বিনির্মাণে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১২ সালের এই দিনে স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু করে সাপ্তাহিক চলমান বার্তা। প্রকাশের পর থেকে বাড়তে থাকে এর কলেবর। বাড়তে থাকে পাঠক, শুভানূধ্যায়ীর সংখ্যা। দেশের সাহিত্য মহলে বেশ সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় পত্রিকাটি।

তবে এ পথ পাড়ি দেয়া খুব সহজ ছিল না একজন কর্মহীন মানুষের পক্ষে। নিরাপদ জীবন চালানোর জন্য যেখানে ছিল একটি মধ্যম সারির চাকুরি সেটি হারিয়ে বেকারের তকমা লাগিয়ে শহর জুড়ে ঘুরে বেড়িয়ে কর্মের সন্ধানে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে বেছে নেয়া হয় চ্যালেঞ্জিং পেশা সংবাদ মাধ্যমকে। অভিজ্ঞতা যা ছিল তা দিয়েই দক্ষতার সাথে প্রকাশ হতে থাকে চলমান বার্তা। পথ পরিক্রমায় কখনো উত্থান হয়েছে, কখনো হয়েছে পতন, কখনো আবার আর্থিক সংকটের কারণে বন্ধ রাখার চিন্তাও করতে হয়েছে। কিন্তু কোনো পরিস্থিতিই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। অর্থনৈতিক মুক্তি তেমনটা না মিললেও সমাজের দর্পণখ্যাত সংবাদ মাধ্যমে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়েছে।

২০০০ সালের পূর্বে অবস্থাটা ভালোই ছিল। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পত্রিকা জগতে নেমে আসে ভয়াবহ ঘন অমানিশা। একে একে বন্ধ হতে থাকে সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলো। অনেক দৈনিক পত্রিকাও এ সময় ব্যবসা গুটাতে বাধ্য হয়। সে পরিস্থিতিতেও সাপ্তাহিক চলমান বার্তা প্রকাশনা অব্যাহত রাখায় সচেষ্ট ছিল। এখানো আছে।

সংবাদ পত্রকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে সে দর্পণ ঢাকা পড়ে যায় ফ্যাসিষ্ট এর ঘন কুয়াশায়। গলা টিপে ধরা হয় সংবাদ মাধ্যমে। যারা সরকারের অন্যায় কাজের প্রতি অনুগত থেকে স্তুতি বাক্যে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, তারাই সফল হয়েছে। এখানে ন্যায়, ন্যায্যতা এবং সত্যবাদিতার কোনো স্থান ছিল না। বন্ধ হয়ে যায় সত্য প্রকাশ। যে কারণে লাগামহীনভাবে বেড়ে যায় ঘুষ, দুর্নীতি, কালোবাজারী, ঋণ খেলাপীর সংখ্যা। এর মাঝেও সাপ্তাহিক চলমান বার্তা সচেষ্ট ছিল বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে।

চলমান বার্তা সাপ্তাহিক পত্রিকা হলেও দেশের অনেক জেলায় ও থানায় রয়েছে দক্ষ ও নির্ভীক প্রতিনিধি। তাদের সময়োপযোগী ও জনকল্যাণকর সংবাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হয়েছে। এখনো হচ্ছে। আগামীতে হবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের লক্ষ, দেশের কল্যাণ, সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ। আমরা বিশ^াস করি, যথাযথভাবে এ কল্যাণ সাধিত হলে দেশ এগিয়ে যাবে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কোনো ফ্যাসিষ্ট বা স্বৈরাচার এদেশ শাসন করতে পারবে না। জনগণই হবে এদেশের একমাত্র চালিকাশক্তি।

সাপ্তাহিক চলমান বার্তার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যারাই এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, এখনো আছে, তাদের প্রত্যেকেই জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। যে সকল প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বিজ্ঞাপন দিয়ে এর পথ চলায় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন তাদেরকে স্মরণ করছি কৃতজ্ঞতা চিত্তে। সকল পাঠক, কলাকুশলী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি রইল প্রাণঢালা ভালোবাসা।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, সাপ্তাহিক চলমান বার্তা।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

আবুধাবিতে জয় থেকে ৭ উইকেট দূরে বাংলাদেশ, ড্রয়ের আশায় আফগানরা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক পরিচয়েই অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

১২ অক্টোবর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সাপ্তাহিক চলমান বার্তার ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ

আপডেট সময় ০৬:২৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০২৪

দেখতে দেখতে কেটে গেল এক যুগ। নানা চড়াই উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে ‘সাপ্তাহিক চলমান বার্তা’ পদার্পণ করলো ত্রয়োদশ বছরে। ‘সত্যের সন্ধ্যানে, সমাজ বিনির্মাণে’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০১২ সালের এই দিনে স্বল্প পরিসরে যাত্রা শুরু করে সাপ্তাহিক চলমান বার্তা। প্রকাশের পর থেকে বাড়তে থাকে এর কলেবর। বাড়তে থাকে পাঠক, শুভানূধ্যায়ীর সংখ্যা। দেশের সাহিত্য মহলে বেশ সাড়া জাগাতে সক্ষম হয় পত্রিকাটি।

তবে এ পথ পাড়ি দেয়া খুব সহজ ছিল না একজন কর্মহীন মানুষের পক্ষে। নিরাপদ জীবন চালানোর জন্য যেখানে ছিল একটি মধ্যম সারির চাকুরি সেটি হারিয়ে বেকারের তকমা লাগিয়ে শহর জুড়ে ঘুরে বেড়িয়ে কর্মের সন্ধানে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে বেছে নেয়া হয় চ্যালেঞ্জিং পেশা সংবাদ মাধ্যমকে। অভিজ্ঞতা যা ছিল তা দিয়েই দক্ষতার সাথে প্রকাশ হতে থাকে চলমান বার্তা। পথ পরিক্রমায় কখনো উত্থান হয়েছে, কখনো হয়েছে পতন, কখনো আবার আর্থিক সংকটের কারণে বন্ধ রাখার চিন্তাও করতে হয়েছে। কিন্তু কোনো পরিস্থিতিই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। অর্থনৈতিক মুক্তি তেমনটা না মিললেও সমাজের দর্পণখ্যাত সংবাদ মাধ্যমে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়েছে।

২০০০ সালের পূর্বে অবস্থাটা ভালোই ছিল। কিন্তু করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে পত্রিকা জগতে নেমে আসে ভয়াবহ ঘন অমানিশা। একে একে বন্ধ হতে থাকে সাপ্তাহিক পত্রিকাগুলো। অনেক দৈনিক পত্রিকাও এ সময় ব্যবসা গুটাতে বাধ্য হয়। সে পরিস্থিতিতেও সাপ্তাহিক চলমান বার্তা প্রকাশনা অব্যাহত রাখায় সচেষ্ট ছিল। এখানো আছে।

সংবাদ পত্রকে বলা হয় সমাজের দর্পণ। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে সে দর্পণ ঢাকা পড়ে যায় ফ্যাসিষ্ট এর ঘন কুয়াশায়। গলা টিপে ধরা হয় সংবাদ মাধ্যমে। যারা সরকারের অন্যায় কাজের প্রতি অনুগত থেকে স্তুতি বাক্যে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছে, তারাই সফল হয়েছে। এখানে ন্যায়, ন্যায্যতা এবং সত্যবাদিতার কোনো স্থান ছিল না। বন্ধ হয়ে যায় সত্য প্রকাশ। যে কারণে লাগামহীনভাবে বেড়ে যায় ঘুষ, দুর্নীতি, কালোবাজারী, ঋণ খেলাপীর সংখ্যা। এর মাঝেও সাপ্তাহিক চলমান বার্তা সচেষ্ট ছিল বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে।

চলমান বার্তা সাপ্তাহিক পত্রিকা হলেও দেশের অনেক জেলায় ও থানায় রয়েছে দক্ষ ও নির্ভীক প্রতিনিধি। তাদের সময়োপযোগী ও জনকল্যাণকর সংবাদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হয়েছে। এখনো হচ্ছে। আগামীতে হবে ইনশাআল্লাহ।

আমাদের লক্ষ, দেশের কল্যাণ, সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ। আমরা বিশ^াস করি, যথাযথভাবে এ কল্যাণ সাধিত হলে দেশ এগিয়ে যাবে, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কোনো ফ্যাসিষ্ট বা স্বৈরাচার এদেশ শাসন করতে পারবে না। জনগণই হবে এদেশের একমাত্র চালিকাশক্তি।

সাপ্তাহিক চলমান বার্তার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যারাই এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, এখনো আছে, তাদের প্রত্যেকেই জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। যে সকল প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি বিজ্ঞাপন দিয়ে এর পথ চলায় সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন তাদেরকে স্মরণ করছি কৃতজ্ঞতা চিত্তে। সকল পাঠক, কলাকুশলী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি রইল প্রাণঢালা ভালোবাসা।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, সাপ্তাহিক চলমান বার্তা।

Share this news as a Photo Card