শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ
পশ্চিমবঙ্গে ভোট শুরু

বিজেপি না তৃণমূল—কার হাতে উঠবে ক্ষমতার মুকুট?

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আজ সকাল ৭টা থেকে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বলে জানিয়েছে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ভোটকেন্দ্রে লাইনে থাকবেন, তারা সময় পার হয়ে গেলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে অঞ্চলভেদে ভোটের সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই গড়ে উঠেছে শাসক দল  তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এর মধ্যে। একদিকে দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় থাকা মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রভাব ও সংগঠন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে লড়ছে বিজেপি।
এছাড়াও রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে বামপন্থী দল কমিনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া  (Marxist) (সিপিএম), যারা ৭০-এর দশক থেকে দীর্ঘ সময় পশ্চিমবঙ্গ শাসন করেছে।
মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও জনমতের একটি অংশ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে গেরুয়া শিবির অর্থাৎ বিজেপি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে ভোটার উপস্থিতি, স্থানীয় ইস্যু এবং জোট সমীকরণের ওপর।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের অনেকগুলো অনিমাংসিত চুক্তি সম্পাদনের পথে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারণে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তার মধ্য  পানি বন্টন চুক্তিগুলো উল্লেখযোগ্য।

এদিকে নির্বাচন কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোটারদের সকাল সকাল ভোট দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে, যাতে দীর্ঘ লাইন ও ভিড় এড়ানো যায়। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন এলাকায় বাড়তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

পশ্চিমবঙ্গে ভোট শুরু

বিজেপি না তৃণমূল—কার হাতে উঠবে ক্ষমতার মুকুট?

আপডেট সময় ১২:৩৫:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। আজ সকাল ৭টা থেকে ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বলে জানিয়েছে ভারতীয় নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ভোটকেন্দ্রে লাইনে থাকবেন, তারা সময় পার হয়ে গেলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে অঞ্চলভেদে ভোটের সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই গড়ে উঠেছে শাসক দল  তৃণমূল কংগ্রেস এবং কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এর মধ্যে। একদিকে দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় থাকা মমতা ব্যানার্জি নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রভাব ও সংগঠন শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যে লড়ছে বিজেপি।
এছাড়াও রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে বামপন্থী দল কমিনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়া  (Marxist) (সিপিএম), যারা ৭০-এর দশক থেকে দীর্ঘ সময় পশ্চিমবঙ্গ শাসন করেছে।
মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ ও জনমতের একটি অংশ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে গেরুয়া শিবির অর্থাৎ বিজেপি শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চূড়ান্ত ফল নির্ভর করবে ভোটার উপস্থিতি, স্থানীয় ইস্যু এবং জোট সমীকরণের ওপর।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভারতীয় কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের অনেকগুলো অনিমাংসিত চুক্তি সম্পাদনের পথে থাকলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কারণে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তার মধ্য  পানি বন্টন চুক্তিগুলো উল্লেখযোগ্য।

এদিকে নির্বাচন কমিশন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোটারদের সকাল সকাল ভোট দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে, যাতে দীর্ঘ লাইন ও ভিড় এড়ানো যায়। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন এলাকায় বাড়তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।