শিরোনাম :
ন্যাটো সদস্য দেশে রুশ হামলার আশঙ্কা,মার্কিন গোয়েন্দাদের নতুন সতর্কবার্তা “চেহারা কোথায়, শুধু আওয়াজ শোনা যায়”: হাসিনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলে টেকসই হবে গণতন্ত্র: ফখরুল নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোয়া : বিপর্যস্ত নিম্ন আয়ের জীবনযাত্রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৮ হামে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮১৮ ৪ বছরে ফ্যামিলি কার্ড পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবার, আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৬ আগস্ট টেকনাফে দিনে দুপুরে বাস থামিয়ে ৫৭ লাখ টাকা লুট গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ

সবজির দাম চড়া, ক্রেতাদের অবস্থা নাকাল

জয়পুরহাটের কচুর লতি, শসা, পটোল, চিচিঙ্গা, করলা, আলুসহ অনেক সবজি যায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অথচ সেখানকার স্থানীয় বাজারেই সবজির দাম চড়া। এতে ক্রেতাদের নাকাল অবস্থা।

বুধবার (২৮ আগস্ট) জয়পুরহাট শহরের নতুনহাট, পূর্ব বাজার, সাহেব বাজারসহ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে জানা গেছে, বাজারে প্রচুর সবজি। নিয়মিত আসছে আগাম লাগানো শীতকালীন সবজি। তবুও সবজির দাম চড়া। তবে অন্য সবজির তুলনায় আলু, কচু, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেশি।

কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহ ছিল ১৫০-১৬০ টাকার নিচে। পেঁয়াজের দাম ১০০-১২০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে ৯০-১০০ টাকা কেজি ছিল পেঁয়াজ।

এছাড়া লালশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকা আঁটি, আর করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, বেগুন ৫৫-৬০ টাকা, আলু ৫০- ৬০ টাকা, পটোল ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে।

বড় বাজারের সবজি ব্যবসায়ী জাহেদুল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজকে বেশিরভাগ সবজির দাম বেশি।

বাজারে আসা ক্রেতা মইনুল ইসলাম বলেন, আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের বাজার করতে এসে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সব জিনিসের দাম বেশি, বাজার ব্যবস্থা দেখার মতো কেউ নেই।

ছোট মাঝিপাড়া গ্রামের সবজি চাষি আলতাফ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এবার এক বিঘা জমিতে কাঁচা মরিচ চাষ করেছি। ব্যবসায়ীরা ১৩০-৪০ টাকা কেজি দরে পাইকারিতে কিনছেন। এবার কাঁচা মরিচ উৎপাদন করে ভালো লাভ হয়েছে।

জয়পুরহাট কৃষি বিপণন কার্যালয়ের বাজার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা রতন কুমার রায় জাগো নিউজকে বলেন, আমরা কিছু কিছু জায়গায় মনিটরিং করি, তবে জনবল কম থাকায় সব জায়গায় যাওয়া সম্ভব হয় না।

আরও পড়ুন : লাগামছাড়া চালের বাজার,মুরগি-সবজিতে স্বস্তি

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ন্যাটো সদস্য দেশে রুশ হামলার আশঙ্কা,মার্কিন গোয়েন্দাদের নতুন সতর্কবার্তা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ

০৬ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সবজির দাম চড়া, ক্রেতাদের অবস্থা নাকাল

আপডেট সময় ০১:০১:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

জয়পুরহাটের কচুর লতি, শসা, পটোল, চিচিঙ্গা, করলা, আলুসহ অনেক সবজি যায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অথচ সেখানকার স্থানীয় বাজারেই সবজির দাম চড়া। এতে ক্রেতাদের নাকাল অবস্থা।

বুধবার (২৮ আগস্ট) জয়পুরহাট শহরের নতুনহাট, পূর্ব বাজার, সাহেব বাজারসহ কয়েকটি কাঁচা বাজার ঘুরে জানা গেছে, বাজারে প্রচুর সবজি। নিয়মিত আসছে আগাম লাগানো শীতকালীন সবজি। তবুও সবজির দাম চড়া। তবে অন্য সবজির তুলনায় আলু, কচু, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেশি।

কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি দরে। যা গত সপ্তাহ ছিল ১৫০-১৬০ টাকার নিচে। পেঁয়াজের দাম ১০০-১২০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে ৯০-১০০ টাকা কেজি ছিল পেঁয়াজ।

এছাড়া লালশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ টাকা আঁটি, আর করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা, বেগুন ৫৫-৬০ টাকা, আলু ৫০- ৬০ টাকা, পটোল ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে।

বড় বাজারের সবজি ব্যবসায়ী জাহেদুল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় আজকে বেশিরভাগ সবজির দাম বেশি।

বাজারে আসা ক্রেতা মইনুল ইসলাম বলেন, আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের বাজার করতে এসে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সব জিনিসের দাম বেশি, বাজার ব্যবস্থা দেখার মতো কেউ নেই।

ছোট মাঝিপাড়া গ্রামের সবজি চাষি আলতাফ হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এবার এক বিঘা জমিতে কাঁচা মরিচ চাষ করেছি। ব্যবসায়ীরা ১৩০-৪০ টাকা কেজি দরে পাইকারিতে কিনছেন। এবার কাঁচা মরিচ উৎপাদন করে ভালো লাভ হয়েছে।

জয়পুরহাট কৃষি বিপণন কার্যালয়ের বাজার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা রতন কুমার রায় জাগো নিউজকে বলেন, আমরা কিছু কিছু জায়গায় মনিটরিং করি, তবে জনবল কম থাকায় সব জায়গায় যাওয়া সম্ভব হয় না।

আরও পড়ুন : লাগামছাড়া চালের বাজার,মুরগি-সবজিতে স্বস্তি

Share this news as a Photo Card