শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধের অবসানে কূটনীতির চেষ্টা, কাতারের আমিরকে ট্রাম্পের ফোন ওপেনিংয়ে ওলটপালট, শেষ বিকেলে হৃদয়-মুশফিকের প্রতিরোধ সংবিধানে আল্লাহর প্রতি আস্থা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী গ্রীষ্মের আগেই সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য: বিদ্যুৎমন্ত্রী ষড়যন্ত্রকারীদের ২০২৪ সালের মতোই জনগণ উচিত জবাব দেবে : প্রধানমন্ত্রী এআই যেন বেকারত্ব আরও জটিল না করে, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেস হারিয়ে ইরান যুদ্ধের দায় আংশিক মানলেন ট্রাম্প মোংলায় নতুন শিল্পকারখানা গড়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর ‘ফিউচার মেকার্স’ জিতে নিল ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কিশোর নাভহান মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

রংপুরে লাইসেন্সবিহীন করাত কলে সয়লাব 

মোঃ হামিদুর রহমান লিমন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সরকারের অনুমোদন ছাড়াই রংপুর সদর উপজেলায় প্রায় অর্ধশত করাত কল (স’মিল) চলছে নিজস্ব নিয়মে। হরিদেবপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে হরকলি এলাকায় জনবহুল একটি সড়কের পাশে ডিজেল চালিত একটি করাতকল স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ন এই করাত কলটির কাগজপত্রের বালাই নেই। গত বছর হরিদেবপুর পানবাজার এলাকায় করাত কলে কাটা পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছিল। তারপরও সর্তকতার কোন ব্যবস্থা নেই করাতকল গুলোতে।
অদক্ষ শ্রমিক কিংবা পরিবারের যে কোন সদস্য অথবা পিতা পুত্র মিলে চালাচ্ছে এই করাতকল গুলো। ব্যস্ত বিভিন্ন সড়ক ঘেঁষে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে করাতকল। এ কারণে যানবাহনের চালক, যাত্রীসহ পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চোরাই কাঠ ও বন বিভাগের গাছ রাতের আঁধারে কেটে এনে রাতেই ফারাই করা হচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে সামাজিক বনবিভাগের। অথচ ১৯৯৮ সালের করাতকল (লাইসেন্স) বিধিমালা অনুযায়ী করাতকল স্থাপনে বন বিভাগে আবেদন করতে হবে। জনবসতিপর্ণ এলাকা ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন জায়গায় করাতকল স্থাপন করা যাবে না।
রংপুর বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, জেলার আট উপজেলায় ৪শত ৭৫টি করাতকল রয়েছে। রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন এবং সিটি কর্পোরেশন মিলে ৭৯টি করাত কল রয়েছে। এরমধ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মাত্র ১৩টি করাত কল।
হরকলি টু পাগলাপীর রোডে চলাচলকারী এক স্কুলশিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা দিয়ে চলার সময় বাতাসে কাঠের গুঁড়া উড়ে চোখে এসে পড়ে। দিনরাত করাতকলে কাজ চলায় কাঠের গুঁড়া বাতাসে উড়ে চলন্ত যানবাহনের চালক, ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারীদের চোখে পড়ে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে সড়ক ঘেঁষে করাতকলগুলোর কাঠ ও গাছের গুঁড়ি রাখায় সড়কগুলোও সংকুচিত হয়ে পড়ছে।
চক্ষু বিশেষজ্ঞ এম এ সাত্তার বলেন, কণাজাতীয় কাঠের এই গুঁড়া চোখের রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করে। এতে চোখ নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাইম হাসান খান বলেন, বন বিভাগের কাছে অবৈধ করাতকলের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়া গেলে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share this news as a Photo Card

ট্যাগস

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

৭ নভেম্বরের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সিপাহী-জনতার বিপ্লবকে স্মরণ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

মারধরের মামলায় পরোয়ানার পর আদালতে আত্মসমর্পণ, পরীমনির জামিন মঞ্জুর

০৫ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

রংপুরে লাইসেন্সবিহীন করাত কলে সয়লাব 

আপডেট সময় ০৬:০৫:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
মোঃ হামিদুর রহমান লিমন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সরকারের অনুমোদন ছাড়াই রংপুর সদর উপজেলায় প্রায় অর্ধশত করাত কল (স’মিল) চলছে নিজস্ব নিয়মে। হরিদেবপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডে হরকলি এলাকায় জনবহুল একটি সড়কের পাশে ডিজেল চালিত একটি করাতকল স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ন এই করাত কলটির কাগজপত্রের বালাই নেই। গত বছর হরিদেবপুর পানবাজার এলাকায় করাত কলে কাটা পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছিল। তারপরও সর্তকতার কোন ব্যবস্থা নেই করাতকল গুলোতে।
অদক্ষ শ্রমিক কিংবা পরিবারের যে কোন সদস্য অথবা পিতা পুত্র মিলে চালাচ্ছে এই করাতকল গুলো। ব্যস্ত বিভিন্ন সড়ক ঘেঁষে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে করাতকল। এ কারণে যানবাহনের চালক, যাত্রীসহ পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। চোরাই কাঠ ও বন বিভাগের গাছ রাতের আঁধারে কেটে এনে রাতেই ফারাই করা হচ্ছে। এতে ক্ষতি হচ্ছে সামাজিক বনবিভাগের। অথচ ১৯৯৮ সালের করাতকল (লাইসেন্স) বিধিমালা অনুযায়ী করাতকল স্থাপনে বন বিভাগে আবেদন করতে হবে। জনবসতিপর্ণ এলাকা ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন জায়গায় করাতকল স্থাপন করা যাবে না।
রংপুর বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, জেলার আট উপজেলায় ৪শত ৭৫টি করাতকল রয়েছে। রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন এবং সিটি কর্পোরেশন মিলে ৭৯টি করাত কল রয়েছে। এরমধ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মাত্র ১৩টি করাত কল।
হরকলি টু পাগলাপীর রোডে চলাচলকারী এক স্কুলশিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা দিয়ে চলার সময় বাতাসে কাঠের গুঁড়া উড়ে চোখে এসে পড়ে। দিনরাত করাতকলে কাজ চলায় কাঠের গুঁড়া বাতাসে উড়ে চলন্ত যানবাহনের চালক, ছাত্র-ছাত্রী ও পথচারীদের চোখে পড়ে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। সেই সঙ্গে সড়ক ঘেঁষে করাতকলগুলোর কাঠ ও গাছের গুঁড়ি রাখায় সড়কগুলোও সংকুচিত হয়ে পড়ছে।
চক্ষু বিশেষজ্ঞ এম এ সাত্তার বলেন, কণাজাতীয় কাঠের এই গুঁড়া চোখের রেটিনার মারাত্মক ক্ষতি করে। এতে চোখ নষ্ট পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাইম হাসান খান বলেন, বন বিভাগের কাছে অবৈধ করাতকলের তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়া গেলে উচ্ছেদের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরো পড়ুন : পলাশবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত -১

Share this news as a Photo Card