শিরোনাম :
আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৩ জেলার ৭০ চরমপন্থি চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল, প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ ১০ মিনিটে হামলার হুমকি ট্রাম্পের, পাল্টা আক্রমণের জবাবের নির্দেশ খামেনির সিসিটিভিতে তাহসিফের সাথে দেখা যাওয়া নারীকে গ্রেফতার মজুরির দাবিতে উত্তাল সাভার-গাজীপুর, মিরপুরে সংঘর্ষ, ৮০ কারখানায় ছুটি বিনিয়োগকারীদের টাকা ফেরত দিতে চান ডেসটিনির রফিকুল আমীন শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা পাকিস্তানের সোমবার থেকে নিবন্ধন ছাড়া সড়কে নামতে পারবে না ই-রিকশা পোশাকশ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে ছয় সদস্যের বোর্ড ঘোষণা ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে : এএফইডি

সিরাজগঞ্জের সলংগা গাঢ়ুদহ নদী খননে কৃষকের মুখে হাসি

রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সলংগা গাঢ়ুদহ নদী খননে কৃষকের মাঝে ফিরে এলো স্বস্তির নিঃশ্বাস দেখা দিল হাসির ঝলক। এক সময়ের খরস্রোতা গাঢ়ুদহ নদী তার নাব্যতার যৌবন জৌলুশ হারিয়ে এখন মৃত্যুর দারপ্রান্তে। এই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ঐতিহাসিক সলংগা হাট। এই এলাকার ৩০টি গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল এই গাঢ়ুদহ নদী। এই গ্রাম গুলোর হাজার হাজার কৃষক শুষ্ক মৌসুমে তাদের কৃষি জমিতে সেচ পরিচালনা করে মাঠ জুরে ফসল ফলাতো।
তেমনি বর্ষা মৌসুমে প্লাবিত কৃষি জমির পানি নিষ্কাশনে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। তবে কালের বিবর্তনে বর্তমান নদীর নাব্যতা ও যৌবন জৌলুশ হারিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মাঝে দেখা দিচ্ছে নানামুখী সমস্যা। একদিকে যেমন শুষ্ক মৌসুমে কৃষি জমিতে সেচের প্রয়োজনে দেখা মিলছেনা পানির। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমিতে সৃষ্টি হতো জলাবদ্ধতা এতে ফসল উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে কৃষকরা। এই এলাকার হাজারো কৃষকদের দাবির প্রেক্ষিতে কৃষকের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এগিয়ে আসে বিএডিসি সেচ প্রকল্প। রায়গঞ্জ বিএডিসি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০১৯ সালে পাবনা, নাটোর সিরাজগঞ্জ একটি সেচ প্রকল্প নেয় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি। এ প্রকল্পের আওতায় ছোট ছোট নদী ও খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সলংগা হতে রায়গঞ্জ ফুলজোর নদী পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার নদী খননে জন্য ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
উক্ত খালটি খননের জন্য মোট ১৮ জন ঠিকাদার দায়িত্ব পায়। গত ফেব্রায়ারি মাসের প্রথম থেকে ঠিকাদাররা নিয়ম অনুযায়ী কাজ শুরু করে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০% কাজ করতে সখম হয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলো। গাঢ়ুদহ নদী পাড়ের বওলাতলা, কালিবাড়ি, কাটর মহলের কৃষক উৎপল কুমার, শফিকুল ইসলাম, আহসান হাবিব, মোকলেছুর রহমানের, নাসির উদ্দিন, মিলন, রফিকসহ অনেকেই রিপোর্টারকে বলেন, আমাদের যেন কৃষি জমির প্রাণ ফিরে এলো। এলাকা ঘুরে দেখা যায় গাঢ়ুদহ নদী খননে কৃষকের চোখে মুখে যেন বইছে হাসির জলক।
নদী খননের বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আনন্দ কুমার বর্মন বলেন, কৃষি জমিতে সেচ ও পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন ৩ জেলার ৭০ চরমপন্থি

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়েছে : এএফইডি

০১ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

সিরাজগঞ্জের সলংগা গাঢ়ুদহ নদী খননে কৃষকের মুখে হাসি

আপডেট সময় ১২:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ মে ২০২৪
রেজাউল করিম, সিরাজগঞ্জ জেলা  প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সলংগা গাঢ়ুদহ নদী খননে কৃষকের মাঝে ফিরে এলো স্বস্তির নিঃশ্বাস দেখা দিল হাসির ঝলক। এক সময়ের খরস্রোতা গাঢ়ুদহ নদী তার নাব্যতার যৌবন জৌলুশ হারিয়ে এখন মৃত্যুর দারপ্রান্তে। এই নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ঐতিহাসিক সলংগা হাট। এই এলাকার ৩০টি গ্রামের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল এই গাঢ়ুদহ নদী। এই গ্রাম গুলোর হাজার হাজার কৃষক শুষ্ক মৌসুমে তাদের কৃষি জমিতে সেচ পরিচালনা করে মাঠ জুরে ফসল ফলাতো।
তেমনি বর্ষা মৌসুমে প্লাবিত কৃষি জমির পানি নিষ্কাশনে ব্যাপক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। তবে কালের বিবর্তনে বর্তমান নদীর নাব্যতা ও যৌবন জৌলুশ হারিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মাঝে দেখা দিচ্ছে নানামুখী সমস্যা। একদিকে যেমন শুষ্ক মৌসুমে কৃষি জমিতে সেচের প্রয়োজনে দেখা মিলছেনা পানির। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমিতে সৃষ্টি হতো জলাবদ্ধতা এতে ফসল উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে কৃষকরা। এই এলাকার হাজারো কৃষকদের দাবির প্রেক্ষিতে কৃষকের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এগিয়ে আসে বিএডিসি সেচ প্রকল্প। রায়গঞ্জ বিএডিসি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০১৯ সালে পাবনা, নাটোর সিরাজগঞ্জ একটি সেচ প্রকল্প নেয় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিএডিসি। এ প্রকল্পের আওতায় ছোট ছোট নদী ও খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সলংগা হতে রায়গঞ্জ ফুলজোর নদী পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার নদী খননে জন্য ২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
উক্ত খালটি খননের জন্য মোট ১৮ জন ঠিকাদার দায়িত্ব পায়। গত ফেব্রায়ারি মাসের প্রথম থেকে ঠিকাদাররা নিয়ম অনুযায়ী কাজ শুরু করে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০% কাজ করতে সখম হয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান গুলো। গাঢ়ুদহ নদী পাড়ের বওলাতলা, কালিবাড়ি, কাটর মহলের কৃষক উৎপল কুমার, শফিকুল ইসলাম, আহসান হাবিব, মোকলেছুর রহমানের, নাসির উদ্দিন, মিলন, রফিকসহ অনেকেই রিপোর্টারকে বলেন, আমাদের যেন কৃষি জমির প্রাণ ফিরে এলো। এলাকা ঘুরে দেখা যায় গাঢ়ুদহ নদী খননে কৃষকের চোখে মুখে যেন বইছে হাসির জলক।
নদী খননের বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আনন্দ কুমার বর্মন বলেন, কৃষি জমিতে সেচ ও পানি নিষ্কাশন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।
আরো পড়ুন : রায়গঞ্জের পাঙ্গাঁসীতে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে মাছের আড়ৎ

Share this news as a Photo Card