শিরোনাম :
আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর পেলের ব্রাজিলের বিশ্বরেকর্ড ভাঙল ডাচরা, সুইডেনকে ৫-১ গোলে ওড়াল নেদারল্যান্ডস আওয়ামী লীগের মূল টার্গেট কেন ড. ইউনূস? যাহের আলভীর কারাদণ্ড: মৃত্যুর আগে বন্ধুদের কী বলেছিলেন স্ত্রী ইকরা? মেসি কি আর্জেন্টিনার জার্সি ছেড়ে ব্রাজিলে খেলবেন? লুলার মন্তব্যে শোরগোল বিশ্বকাপ ২০২৬: প্রথম রাউন্ড শেষে নকআউটের দৌড়ে কারা এগিয়ে? রাত পোহালেই আলজেরিয়া বধের মিশন: বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাস কী বলছে? ঢাকার ভেতর আর থাকবে না দূরপাল্লার বাস: চার টার্মিনাল সরানোর মাস্টারপ্ল্যান, কোনটি যাচ্ছে কোথায়? মিরপুরে শেষ বলের নাটকীয়তা: বাংলাদেশকে ১ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সান্ত্বনার জয় দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

কয়েক প্রজন্ম সময় লাগবে গাজা পুনর্গঠনে : জাতিসংঘ

যুদ্ধ বন্ধ হওয়ায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা উত্তর গাজায় ফিরে দেখছে, বোমা হামলায় তাদের সব বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই ইসরায়েলকে এখনই গাজা উপত্যকায় তাঁবু ও ক্যারাভান (অস্থায়ী ঘর) পাঠানোর অনুমতি দেওয়া উচিত বলে মনে করেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত বালকৃষ্ণান রাজাগোপাল। খবর আলজাজিরার।

পর্যাপ্ত আবাসনের অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত বালকৃষ্ণান রাজাগোপাল বলেছেন, উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী যে এলাকাগুলো থেকে সরে এসেছে, মানুষ সেখানে ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাচ্ছে না।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত শনিবার (১১ অক্টোবর) আলজাজিরাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মানসিক প্রভাব ও ট্রমা বেশ গভীর, আমরা এখন সেটাই দেখতে পাচ্ছি। কারণ মানুষ উত্তর গাজায় ফিরে আসছে।

দুই বছরের সংঘাত থামাতে ইসরায়েলি বাহিনী শুক্রবার (১০ অক্টোবর) পিছু হটার পর থেকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি গাজার উত্তরে ফিরে আসছে। উপকূলীয় ছিটমহল জুড়ে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের বোমা হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি তাঁবু ও অন্যান্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছেন।

রাজাগোপাল উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের কঠোর অবরোধের কারণে এই বছরের শুরুতে যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় তাঁবু ও ক্যারাভান পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও ‘প্রায় কোনো’ তাঁবু এবং ক্যারাভান প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জাতিসংঘের এই বিশেষজ্ঞ আলজাজিরাকে বলেন, এটাই আমার কাছে এখনই সমস্যার মূল বিষয়। এমনকি গাজার জনগণের জন্য তাৎক্ষণিক ত্রাণ ও সাহায্যও সম্ভব নয় যদি না ইসরায়েল সমস্ত প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে।

রাজাগোপাল আরও বলেন, পুনর্গঠন প্রক্রিয়াটি শেষ পর্যন্ত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলবে। তিনি ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল তৈরির সময় ফিলিস্তিনের জাতিগত নির্মূলের ঘটনাকে উল্লেখ করে বলেন, এটি আরেকটি নাকবার মতো… গত দুই বছরে যা ঘটেছে তাও একই রকম হতে চলেছে।

সোমবার মুক্তি পাচ্ছে ইসরায়েলি জিম্মিরা : ট্রাম্প

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

আগস্টে শুরু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন চলাচল, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

কয়েক প্রজন্ম সময় লাগবে গাজা পুনর্গঠনে : জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০৯:১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

যুদ্ধ বন্ধ হওয়ায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা উত্তর গাজায় ফিরে দেখছে, বোমা হামলায় তাদের সব বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই ইসরায়েলকে এখনই গাজা উপত্যকায় তাঁবু ও ক্যারাভান (অস্থায়ী ঘর) পাঠানোর অনুমতি দেওয়া উচিত বলে মনে করেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত বালকৃষ্ণান রাজাগোপাল। খবর আলজাজিরার।

পর্যাপ্ত আবাসনের অধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত বালকৃষ্ণান রাজাগোপাল বলেছেন, উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী যে এলাকাগুলো থেকে সরে এসেছে, মানুষ সেখানে ধ্বংসস্তূপ ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাচ্ছে না।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত শনিবার (১১ অক্টোবর) আলজাজিরাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, মানসিক প্রভাব ও ট্রমা বেশ গভীর, আমরা এখন সেটাই দেখতে পাচ্ছি। কারণ মানুষ উত্তর গাজায় ফিরে আসছে।

দুই বছরের সংঘাত থামাতে ইসরায়েলি বাহিনী শুক্রবার (১০ অক্টোবর) পিছু হটার পর থেকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি গাজার উত্তরে ফিরে আসছে। উপকূলীয় ছিটমহল জুড়ে ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের বোমা হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজার ৯২ শতাংশ আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। লাখ লাখ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি তাঁবু ও অন্যান্য অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছেন।

রাজাগোপাল উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলের কঠোর অবরোধের কারণে এই বছরের শুরুতে যুদ্ধবিরতির সময় গাজায় তাঁবু ও ক্যারাভান পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও ‘প্রায় কোনো’ তাঁবু এবং ক্যারাভান প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জাতিসংঘের এই বিশেষজ্ঞ আলজাজিরাকে বলেন, এটাই আমার কাছে এখনই সমস্যার মূল বিষয়। এমনকি গাজার জনগণের জন্য তাৎক্ষণিক ত্রাণ ও সাহায্যও সম্ভব নয় যদি না ইসরায়েল সমস্ত প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে।

রাজাগোপাল আরও বলেন, পুনর্গঠন প্রক্রিয়াটি শেষ পর্যন্ত প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলবে। তিনি ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল তৈরির সময় ফিলিস্তিনের জাতিগত নির্মূলের ঘটনাকে উল্লেখ করে বলেন, এটি আরেকটি নাকবার মতো… গত দুই বছরে যা ঘটেছে তাও একই রকম হতে চলেছে।

সোমবার মুক্তি পাচ্ছে ইসরায়েলি জিম্মিরা : ট্রাম্প