শিরোনাম :
হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সব সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণে নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি রাস্তার আন্দোলনের সঙ্গে শ্রমিকদের সম্পর্ক নেই, অপচেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, যমুনা সেতু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ সৌদিতে হুথি হামলার শঙ্কায় আক্রান্ত এশিয়ান কাপ আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে ভয় দেখাতেন ‘সমন্বয়ক’,৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি চরশৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজে ১৯ শিক্ষক কর্মরত, এইচএসসিতে ২৪ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৮০ লাখ টাকা ঘুষ চেয়ে দুদকের ফাঁদে লালবাগের সার্ভেয়ার আটক গ্রীষ্মের আগেই জাতীয় গ্রিডে আসছে ৩–৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী আইনি ও আনুপাতিক হতে হবে পুলিশের বলপ্রয়োগ: তথ্য উপদেষ্টা

ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

স্পোর্টস ডেস্ক, ০৬ জুন ২০২৬

​ইউরোপের মাটিতে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ম্যাচেই এক অবিস্মরণীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

​সেরাভালের স্তাদিও অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ততু বর্মণ। তার দুর্দান্ত জোড়া গোলেই নিশ্চিত হয় এই ঐতিহাসিক জয়। অন্যদিকে সান মারিনোর পক্ষে একমাত্র গোলটি শোধ করেন নিকোলাস জাকোপেত্তি।

​তপু বর্মণের জোড়া গোল ও ম্যাচের গতিপ্রকৃতি

​ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের মধ্য দিয়ে খেলতে থাকে। তবে ১৯তম মিনিটে প্রথম ডেডলক ভাঙে বাংলাদেশ। তরুণ মিডফিল্ডার শেখ মোরছালিনের একটি নিখুঁত ও দারুণ ক্রস থেকে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান তপু বর্মণ। ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে বাংলাদেশ।

​তবে স্বাগতিক সান মারিনোও ছেড়ে কথা বলেনি। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে নিকোলাস জাকোপেত্তি গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। এরপর প্রথমার্ধের বাকি সময় আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

​শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা ও থমাস ডুলির সফল অভিষেক

​বিরতির পর কৌশল বদলে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। নতুন জার্মান কোচ থমাস ডুলির অধীনে ফুটবলারদের পাসিং ও আক্রমণভাগ ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের শেষ দিকে যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

​ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে লড়াকু মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর নেওয়া একটি নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে ডি-বক্সে বল পান তপু বর্মণ। নিখুঁত টাইমিং আর দুর্দান্ত হেডে তিনি সান মারিনোর গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি উদযাপন করেন। এই গোলের পর স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশি সমর্থকদের উল্লাস আর চিৎকার চারপাশ মুখরিত করে তোলে। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

​বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এই ম্যাচটির গুরুত্ব অনেক। এটি কেবল ইউরোপের মাটিতে কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচই ছিল না, বরং প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে লাল-সবুজের ফুটবল এক নতুন আত্মবিশ্বাস ও সম্ভাবনার বার্তা দিল বিশ্বমঞ্চে।

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে ওয়ান হেলথ ডে উদযাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি 

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

আইনি ও আনুপাতিক হতে হবে পুলিশের বলপ্রয়োগ: তথ্য উপদেষ্টা

০৩ নভেম্বর ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

আপডেট সময় ১১:৫৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক, ০৬ জুন ২০২৬

​ইউরোপের মাটিতে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের প্রথম ম্যাচেই এক অবিস্মরণীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

​সেরাভালের স্তাদিও অলিম্পিকো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ততু বর্মণ। তার দুর্দান্ত জোড়া গোলেই নিশ্চিত হয় এই ঐতিহাসিক জয়। অন্যদিকে সান মারিনোর পক্ষে একমাত্র গোলটি শোধ করেন নিকোলাস জাকোপেত্তি।

​তপু বর্মণের জোড়া গোল ও ম্যাচের গতিপ্রকৃতি

​ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণের মধ্য দিয়ে খেলতে থাকে। তবে ১৯তম মিনিটে প্রথম ডেডলক ভাঙে বাংলাদেশ। তরুণ মিডফিল্ডার শেখ মোরছালিনের একটি নিখুঁত ও দারুণ ক্রস থেকে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান তপু বর্মণ। ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচে চালকের আসনে বসে বাংলাদেশ।

​তবে স্বাগতিক সান মারিনোও ছেড়ে কথা বলেনি। ম্যাচের ৩১তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে নিকোলাস জাকোপেত্তি গোল করে দলকে সমতায় ফেরান। এরপর প্রথমার্ধের বাকি সময় আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

​শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা ও থমাস ডুলির সফল অভিষেক

​বিরতির পর কৌশল বদলে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে বাংলাদেশ। নতুন জার্মান কোচ থমাস ডুলির অধীনে ফুটবলারদের পাসিং ও আক্রমণভাগ ছিল বেশ চোখে পড়ার মতো। ম্যাচের শেষ দিকে যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ।

​ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে লড়াকু মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর নেওয়া একটি নিখুঁত ফ্রি-কিক থেকে ডি-বক্সে বল পান তপু বর্মণ। নিখুঁত টাইমিং আর দুর্দান্ত হেডে তিনি সান মারিনোর গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি উদযাপন করেন। এই গোলের পর স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশি সমর্থকদের উল্লাস আর চিৎকার চারপাশ মুখরিত করে তোলে। ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

​বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এই ম্যাচটির গুরুত্ব অনেক। এটি কেবল ইউরোপের মাটিতে কোনো ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচই ছিল না, বরং প্রথম ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে লাল-সবুজের ফুটবল এক নতুন আত্মবিশ্বাস ও সম্ভাবনার বার্তা দিল বিশ্বমঞ্চে।

Share this news as a Photo Card