দেশে ফিরে স্পিকারের মুখে রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি জানান, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যপরীক্ষার উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে থাকায় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আলোচনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।
শুক্রবার দুপুরে ব্যাংককের সফর শেষে দেশে ফেরার পর স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি দেশের সাংবিধানিক প্রধান। তিনি পদত্যাগ করবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজস্ব বিষয়। তাই এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার জানান, যদি রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তাহলে প্রচলিত সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হবে। এরপর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। তিনি বলেন, সংবিধানে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রীতি।
নিজের সফর নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার জানান, স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ হওয়ার পাশাপাশি ঢাকায় তাঁর কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় তিনি আগেভাগেই দেশে ফিরে এসেছেন। তবে সফর সংক্ষিপ্ত করার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের কোনো সম্পর্ক আছে কি না—এ বিষয়ে তিনি সরাসরি কিছু বলেননি।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এ পরিস্থিতিতে স্পিকারের আগাম দেশে ফেরা নতুন করে জল্পনা বাড়ালেও তিনি নিজে বলেছেন, রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁর কাছে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

শিশুদের সঠিক গড়ে ওঠার ওপর গুরুত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

২৮ জুলাই ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

দেশে ফিরে স্পিকারের মুখে রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গ

আপডেট সময় ০২:০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, রাষ্ট্রপতির ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই। তিনি জানান, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যপরীক্ষার উদ্দেশ্যে দেশের বাইরে থাকায় সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আলোচনা সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।
শুক্রবার দুপুরে ব্যাংককের সফর শেষে দেশে ফেরার পর স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি দেশের সাংবিধানিক প্রধান। তিনি পদত্যাগ করবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর নিজস্ব বিষয়। তাই এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার জানান, যদি রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তাহলে প্রচলিত সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী পদত্যাগপত্র স্পিকারের কাছেই জমা দিতে হবে। এরপর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে। তিনি বলেন, সংবিধানে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং সেই প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হবে।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রীতি।
নিজের সফর নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করার কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার জানান, স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষ হওয়ার পাশাপাশি ঢাকায় তাঁর কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকায় তিনি আগেভাগেই দেশে ফিরে এসেছেন। তবে সফর সংক্ষিপ্ত করার সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের কোনো সম্পর্ক আছে কি না—এ বিষয়ে তিনি সরাসরি কিছু বলেননি।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এ পরিস্থিতিতে স্পিকারের আগাম দেশে ফেরা নতুন করে জল্পনা বাড়ালেও তিনি নিজে বলেছেন, রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁর কাছে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন

Share this news as a Photo Card