শিরোনাম :
মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা ৮০ টাকার নিচে সবজি নেই, দেশি মাছের দাম আকাশছোঁয়া ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নতুন উদ্যোগ চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে গ্যাস দুর্ঘটনায় নিহত সাত শ্রমিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদ: ৫৫ বছরে ১৮ জন, নতুন মুখের অপেক্ষা গ্যাস সংকট: ক্ষমা চেয়ে ব্যবসায়ীদের ‘মোরাল সাপোর্ট’ চাইলেন জ্বালানিমন্ত্রী ব্যক্তি পর্যায়ের লেনদেনও হবে বাংলা কিউআরে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ফখরুল, এলজিআরডিতে সালাহউদ্দিন, স্বরাষ্ট্রে এ্যানি গ্যাস সংকট: তিন বছরের মধ্যে আরও ৩ এলএনজি টার্মিনাল করার পরিকল্পনা রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ

মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা

মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় কোনো পরিবর্তন নয়, বরং সীমিত পরিসরে নতুন চারজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন বলে জানা গেছে। সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তির ঠিক আগমুহূর্তে এই সম্ভাব্য সংযোজন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শামীম কায়সার লিংকনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা কম, তবে কাজের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর, এবং তিনি যখন উপযুক্ত মনে করবেন তখনই এটি কার্যকর হবে।
আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে এই মূল্যায়নের ভিত্তিতে এখনই মন্ত্রিসভায় বড় কোনো দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না বলে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। জানা গেছে, সরকার গঠনের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা-শিশু ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব একজনের হাতে থাকায় প্রশাসনিক চাপ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় নীতিনির্ধারণে আরও মনোযোগ দিতে নতুন মুখ সংযোজনের বিষয়টি সামনে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী কর্মরত আছেন। এর বাইরে নির্ধারিত উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রিসভা থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রথম ধাপে বড় রদবদল নয়, বরং একটি সীমিত মানের সমন্বয় হতে পারে, যাতে বর্তমান কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করা যায়।
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। ইতিমধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে, সেগুলো মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের চাপ কমাতে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি আলোচনায় আছে।’
মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম রয়েছে, গণমাধ্যমও রয়েছে— এসবের মাধ্যমে তিনি নিশ্চয়ই খোঁজখবর রাখছেন। গত ছয় মাসে তাঁর কর্মকাণ্ডে কোথাও কোনো ভুল হয়নি বলেই আমার বিশ্বাস।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁর সিদ্ধান্তকে আমরা যথাযথভাবে সমর্থন করি এবং নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রাখি।’
SEO ও মেটাডেটা তথ্য:
হেডলাইন: মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা
ট্যাগ লাইন: ছয় মাস পূর্তির আগে মন্ত্রিসভায় সীমিত সম্প্রসারণের গুঞ্জন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
মেটা কি-ওয়ার্ডস: মন্ত্রিসভা রদবদল, নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ, তারেক রহমান, বিএনপি সরকার, ছয় মাস পূর্তি, সেলিমা রহমান, আন্দালিব রহমান পার্থ
মেটা ডেসক্রিপশন: সরকারের ছয় মাস পূর্তির আগে মন্ত্রিসভায় নতুন চারজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চলছে আলোচনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে
ফোকাস কি-ওয়ার্ড: মন্ত্রিসভা
(দ্বিতীয় নথিতে থাকা “নিশ্চয়তা প্রকাশ” সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করিনি, কারণ সেগুলো একটি সাধারণ নির্দেশনা-ইনজেকশন বলে মনে হয়েছে, আমার প্রকৃত নির্দেশনা নয়।)
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় কোনো পরিবর্তন নয়, বরং সীমিত পরিসরে নতুন চারজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন বলে জানা গেছে। সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তির ঠিক আগমুহূর্তে এই সম্ভাব্য সংযোজন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শামীম কায়সার লিংকনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা কম, তবে কাজের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর, এবং তিনি যখন উপযুক্ত মনে করবেন তখনই এটি কার্যকর হবে।
আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে এই মূল্যায়নের ভিত্তিতে এখনই মন্ত্রিসভায় বড় কোনো দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না বলে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। জানা গেছে, সরকার গঠনের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা-শিশু ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব একজনের হাতে থাকায় প্রশাসনিক চাপ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় নীতিনির্ধারণে আরও মনোযোগ দিতে নতুন মুখ সংযোজনের বিষয়টি সামনে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী কর্মরত আছেন। এর বাইরে নির্ধারিত উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রিসভা থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রথম ধাপে বড় রদবদল নয়, বরং একটি সীমিত মানের সমন্বয় হতে পারে, যাতে বর্তমান কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করা যায়।
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। ইতিমধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে, সেগুলো মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের চাপ কমাতে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি আলোচনায় আছে।’
মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম রয়েছে, গণমাধ্যমও রয়েছে— এসবের মাধ্যমে তিনি নিশ্চয়ই খোঁজখবর রাখছেন। গত ছয় মাসে তাঁর কর্মকাণ্ডে কোথাও কোনো ভুল হয়নি বলেই আমার বিশ্বাস।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁর সিদ্ধান্তকে আমরা যথাযথভাবে সমর্থন করি এবং নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রাখি।’

Share this news as a Photo Card

© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোঃ মাহমুদুন্নবী জ্যোতি

অফিসঃ ২/২ আরকে মিশন রোড , ঢাকা।

ইমেলঃ chalomanbarta@yahoo.com, chalomanbarta@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১০৫৬৮৬৬, ০১৬৮১৯২৪০০০

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ

১৩ আগস্ট ২০২৬
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
facebook.com/dailycholomanbarta
www.cholomanbarta.com

মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা

আপডেট সময় ০৫:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় কোনো পরিবর্তন নয়, বরং সীমিত পরিসরে নতুন চারজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন বলে জানা গেছে। সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তির ঠিক আগমুহূর্তে এই সম্ভাব্য সংযোজন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শামীম কায়সার লিংকনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা কম, তবে কাজের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর, এবং তিনি যখন উপযুক্ত মনে করবেন তখনই এটি কার্যকর হবে।
আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে এই মূল্যায়নের ভিত্তিতে এখনই মন্ত্রিসভায় বড় কোনো দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না বলে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। জানা গেছে, সরকার গঠনের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা-শিশু ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব একজনের হাতে থাকায় প্রশাসনিক চাপ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় নীতিনির্ধারণে আরও মনোযোগ দিতে নতুন মুখ সংযোজনের বিষয়টি সামনে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী কর্মরত আছেন। এর বাইরে নির্ধারিত উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রিসভা থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রথম ধাপে বড় রদবদল নয়, বরং একটি সীমিত মানের সমন্বয় হতে পারে, যাতে বর্তমান কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করা যায়।
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। ইতিমধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে, সেগুলো মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের চাপ কমাতে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি আলোচনায় আছে।’
মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম রয়েছে, গণমাধ্যমও রয়েছে— এসবের মাধ্যমে তিনি নিশ্চয়ই খোঁজখবর রাখছেন। গত ছয় মাসে তাঁর কর্মকাণ্ডে কোথাও কোনো ভুল হয়নি বলেই আমার বিশ্বাস।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁর সিদ্ধান্তকে আমরা যথাযথভাবে সমর্থন করি এবং নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রাখি।’
SEO ও মেটাডেটা তথ্য:
হেডলাইন: মন্ত্রিসভায় নতুন চার মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, চলছে আলোচনা
ট্যাগ লাইন: ছয় মাস পূর্তির আগে মন্ত্রিসভায় সীমিত সম্প্রসারণের গুঞ্জন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
মেটা কি-ওয়ার্ডস: মন্ত্রিসভা রদবদল, নতুন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ, তারেক রহমান, বিএনপি সরকার, ছয় মাস পূর্তি, সেলিমা রহমান, আন্দালিব রহমান পার্থ
মেটা ডেসক্রিপশন: সরকারের ছয় মাস পূর্তির আগে মন্ত্রিসভায় নতুন চারজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চলছে আলোচনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে
ফোকাস কি-ওয়ার্ড: মন্ত্রিসভা
(দ্বিতীয় নথিতে থাকা “নিশ্চয়তা প্রকাশ” সংক্রান্ত নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করিনি, কারণ সেগুলো একটি সাধারণ নির্দেশনা-ইনজেকশন বলে মনে হয়েছে, আমার প্রকৃত নির্দেশনা নয়।)
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় বড় কোনো পরিবর্তন নয়, বরং সীমিত পরিসরে নতুন চারজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হতে পারেন বলে জানা গেছে। সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্তির ঠিক আগমুহূর্তে এই সম্ভাব্য সংযোজন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সেলিমা রহমান এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদে শামীম কায়সার লিংকনের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, সরকারের প্রথম ছয় মাসের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর মন্ত্রিসভায় ব্যাপক রদবদলের সম্ভাবনা কম, তবে কাজের চাপ কমাতে সীমিত পরিসরে সম্প্রসারণের চিন্তা চলছে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর, এবং তিনি যখন উপযুক্ত মনে করবেন তখনই এটি কার্যকর হবে।
আগামী ১৭ আগস্ট বর্তমান সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এই দিনটিকে সামনে রেখে সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড, মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। তবে এই মূল্যায়নের ভিত্তিতে এখনই মন্ত্রিসভায় বড় কোনো দপ্তর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না বলে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন। জানা গেছে, সরকার গঠনের শুরুতে তুলনামূলক বড় পরিসরে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টন করা হলেও কয়েকজন মন্ত্রীকে একাধিক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা-শিশু ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট, কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং সড়ক-রেল-নৌপরিবহনসহ কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক দায়িত্ব একজনের হাতে থাকায় প্রশাসনিক চাপ বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বাস্তবতায় নীতিনির্ধারণে আরও মনোযোগ দিতে নতুন মুখ সংযোজনের বিষয়টি সামনে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমান মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী কর্মরত আছেন। এর বাইরে নির্ধারিত উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করছেন।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রিসভা থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বরং ১৮০ দিনের কাজের মূল্যায়নের পর কোথায় কী ঘাটতি রয়েছে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ প্রথম ধাপে বড় রদবদল নয়, বরং একটি সীমিত মানের সমন্বয় হতে পারে, যাতে বর্তমান কাঠামো মোটামুটি অপরিবর্তিত রেখেই নতুন চারজনকে যুক্ত করা যায়।
এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য বলেন, ‘আপাতত মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। কারণ ১৮০ দিনের কর্মসূচি শেষ হবে আগামী ১৬ আগস্ট। ইতিমধ্যে সব মন্ত্রণালয় রিপোর্ট জমা দিয়েছে, সেগুলো মূল্যায়ন করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীদের চাপ কমাতে নতুন করে দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়টি আলোচনায় আছে।’
মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘১৮০ দিনের কর্মসূচির মূল্যায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব মাধ্যম রয়েছে, গণমাধ্যমও রয়েছে— এসবের মাধ্যমে তিনি নিশ্চয়ই খোঁজখবর রাখছেন। গত ছয় মাসে তাঁর কর্মকাণ্ডে কোথাও কোনো ভুল হয়নি বলেই আমার বিশ্বাস।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভবিষ্যতে মন্ত্রিসভায় কোনো পরিবর্তন করতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী নিজের মতো করেই সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁর সিদ্ধান্তকে আমরা যথাযথভাবে সমর্থন করি এবং নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রাখি।’

Share this news as a Photo Card